৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩১৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩১৬১
মহিলাদের মাহরামের সঙ্গে হজ্জ অথবা কোন প্রয়োজনীয় সফর করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদ্রী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে কোন মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতের উপর ঈমান রাখে- তার পিতা অথবা তার ছেলে অথবা তার স্বামী অথবা তার ভাই অথবা তার অপর কোন মাহরাম আত্মীয় তার সফর সঙ্গী না হলে তার জন্য তিন দিন বা তার অতিরিক্ত সময়ের পথ সফর করা হালাল নয়।
৩১৬২
মহিলাদের মাহরামের সঙ্গে হজ্জ অথবা কোন প্রয়োজনীয় সফর করা পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ (রহঃ)
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৩১৬৩
মহিলাদের মাহরামের সঙ্গে হজ্জ অথবা কোন প্রয়োজনীয় সফর করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-কে ভাষণ দিতে শুনেছি: সাথে মাহরাম পুরুষ না থাকা অবস্থায় কোন পুরুষ লোক যেন কোন মহিলার সাথে একান্তে সাক্ষাৎ না করে। কোন স্ত্রীলোক যেন সাথে কোন মাহরাম পুরুষ ছাড়া একাকী সফর না করে। এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার স্ত্রী হজ্জের উদ্দেশে রওনা হয়ে গেছে এবং আমাকে অমুক সৈন্য বাহিনীতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে- যা অমুক স্থানে যুদ্ধে যাবে। তিনি বললেন, তুমি চলে যাও এবং তোমার স্ত্রীর সাথে হজ্জ কর।
৩১৬৪
মহিলাদের মাহরামের সঙ্গে হজ্জ অথবা কোন প্রয়োজনীয় সফর করা পরিচ্ছেদ নাই
আমর ইবনু দীনার (রহঃ)
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৩১৬৫
মহিলাদের মাহরামের সঙ্গে হজ্জ অথবা কোন প্রয়োজনীয় সফর করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু জুরায়জ (রহঃ)
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিম্নোক্ত কথার উল্লেখ নেই: “কোনো পুরুষ লোক যেন কোনো মহিলার সাথে একান্তে সাক্ষাৎ না করে, কিন্তু তার সাথে কোনো মাহরাম পুরুষ থাকলে স্বতন্ত্র কথা।”
৩১৬৬
হজ্জের সফরে বা অন্য কোন সফরের উদ্দেশে যানবাহনে আরোহণকালীন দু’আ পড়া মুস্তাহাব এবং এর উক্ত দু’আর বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোথাও সফরের উদ্দেশে তাঁর উটে আরোহণের সময় তিনবার “আল্লাহু আকবার” (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) বলতেন, এরপর যে দোয়া পাঠ করতেন তার অর্থ এই :“পবিত্র মহান সে সত্তা- যিনি একে আমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন, যদিও আমরা একে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। আমাদেরকে অবশ্যই আমাদের প্রতিপালকের নিকট ফিরে যেতে হবে।হে আল্লাহ! আমাদের এ সফরে আমরা তোমার নিকট কল্যাণ, তাকওয়া এবং তোমার সন্তুষ্টি বিধানকারী কাজের তাওফিক চাই। হে আল্লাহ! আমাদের এ সফর আমাদের জন্য সহজ করে দাও এবং এর দূরত্ব কমিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তুমিই (আমাদের) সফরসঙ্গী এবং পরিবারের তত্ত্বাবধানকারী। হে আল্লাহ! তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি সফরের কষ্ট, দুঃখজনক দৃশ্য এবং ফিরে এসে সম্পদ ও পরিবারের ক্ষতিকর পরিবর্তন থেকে”।এরপর তিনি যখন সফর থেকে ফিরে আসতেন তখনও উপরোক্ত দোয়া পড়তেন এবং এর সাথে যোগ করতেন: (অর্থ) “আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাহকারী, আমাদের প্রতিপালকের ইবাদতকারী ও প্রশংসাকারী”।
৩১৬৭
হজ্জের সফরে বা অন্য কোন সফরের উদ্দেশে যানবাহনে আরোহণকালীন দু’আ পড়া মুস্তাহাব এবং এর উক্ত দু’আর বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু সারজিস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সফর করতেন তখন আশ্রয় প্রার্থনা করতেন সফরের কষ্ট থেকে, দুঃখজনক প্রত্যাবর্তন থেকে, সুখময় অবস্থার পর দুঃখময় অবস্থায় পতিত হওয়া থেকে, মজলুমের বদদোয়া থেকে এবং সম্পদ ও পরিবার-পরিজনের ক্ষতিকর দৃশ্য অবলোকন থেকে।
৩১৬৮
হজ্জের সফরে বা অন্য কোন সফরের উদ্দেশে যানবাহনে আরোহণকালীন দু’আ পড়া মুস্তাহাব এবং এর উক্ত দু’আর বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আসিম আল- আহওয়াল (রহঃ)
এ সনদে উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। অবশ্য আব্দুল ওয়াহিদের বর্ণনায় ‘ফিল মাল ওয়াল আহল’ এবং মুহাম্মাদ ইবন হাজম-এর বর্ণনায় প্রত্যাবর্তনকালে প্রথমে ‘আহল’ শব্দ রয়েছে। উভয়ের বর্ণনায় রয়েছে: “হে আল্লাহ! আমি সফরের কষ্ট-ক্লান্তি হতে তোমার কাছে পানাহ চাই।”
৩১৬৯
হজ্জের সফর ইত্যাদি থেকে প্রত্যাবর্তন করে যে দু’আ পড়তে হয় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জিহাদ, অভিযান, হজ্জ অথবা উমরা করে ফিরে আসার সময় যখন কোন উঁচু টিলা বা কংকরময় উচ্চভূমিতে আরোহণ করতেন তখন তিনবার “আল্লাহু আকবার” (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) ধ্বনি দিতেন, এরপর এ দোয়া পড়তেন।(অর্থ) “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। তাঁরই রাজত্ব (বা সার্বভৌমত্ব), তাঁর জন্য সমস্ত প্রশংসা এবং তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান। (আমরা) প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাহকারী, ইবাদতকারী, আমাদের প্রতিপালককে সিজদাকারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করেছেন।”
৩১৭০
হজ্জের সফর ইত্যাদি থেকে প্রত্যাবর্তন করে যে দু’আ পড়তে হয় পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
এ সূত্রে নবী (ﷺ)-এর উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। শুধুমাত্র আইয়ুবের বর্ণনায় দু’বার তাকবিরের কথা উল্লেখ আছে।