৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩১৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩১৩১
কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেনঃ তোমার জাতির লোকদের কুফরি পরিত্যাগের যুগটি নিকটবর্তী না হলে আমি কা'বা ঘর ভেঙে তা ইব্রাহিম (আঃ)-এর ভিত্তির উপর পুনর্নির্মাণ করতাম। কারণ কুরাইশগণ কা'বা ঘর নির্মাণের সময় এর আয়তন ছোট করে দিয়েছে। আর তার পেছনে একটি দরজা স্থাপন করতাম।
৩১৩২
কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রহঃ)
এ সনদে বর্ণিত।
৩১৩৩
কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তুমি কি দেখনি যে, তোমার গোত্রের লোকেরা কা’বাহ ঘর নির্মাণের সময় তা ইব্রাহিম (আঃ)-এর ভিতগুলোর চেয়ে ছোট করে দেয়? আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি তা ইব্রাহিম (আঃ)-এর ভিতের উপর পুনর্নির্মাণ করতে চান? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমাদের কওমের কুফরী পরিত্যাগের যুগটি যদি নিকটতর না হতো (তবে তাই করতাম)। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, যদিও বা আয়েশা (রাঃ) তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুখে শুনে থাকবেন। কিন্তু হাজরের নিকটবর্তী উভয় রুকনের স্পর্শ ত্যাগ করতে দেখিনি। তবে বায়তুল্লাহ ইব্রাহিম (আঃ)–এর গোটা ভিতের উপর পুনর্নির্মিত হয়নি।
৩১৩৪
কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা যদি জাহিলি যুগের কাছাকাছি না হতো অথবা নিকট অতীতে কুফরি ত্যাগ না করত, তবে আমি অবশ্যই কাবায় পুঞ্জীভূত সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় খরচ করতাম, এর দরজা ভূমির সমতলে স্থাপন করতাম এবং হাতিমকে কাবার অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম।
৩১৩৫
কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু মীনা (রহঃ)
আমি আবদুল্লাহ ইবন যুবাইর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি: আমার খালা আয়িশা (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: হে আয়িশা! তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা নিকট অতীতে শির্ক পরিত্যাগ না করলে আমি কা'বা ঘর ভেঙে এর ভিত ভূমির সমতলে স্থাপন করতাম। এর দুইটি দরজা করতাম- একটি পূর্বদিকে, অপরটি পশ্চিমদিকে এবং আল হাজার (হাতীম)-এর ছয় গজ স্থান কা'বার অন্তর্ভুক্ত করতাম। কেননা কুরাইশরা কা'বা ঘর নির্মাণকালে এর ভিত ছোট করে দেয়।
৩১৩৬
কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আত্বা (রহঃ)
ইয়াযীদ ইবন মুয়াবিয়ার সময় কা’বাহ ঘর দগ্ধীভূত হয়েছিল- যখন সিরীয় বাহিনী মক্কায় যুদ্ধে লিপ্ত ছিল (৬৩ হিজরি) এবং কা’বার যা হবার তাই হল। হজ্জের মৌসুমে লোকদের আগমনের সময় আবদুল্লাহ ইবন যুবাইর (রাঃ) কা’বা এ অবস্থায় রেখে দিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল লোকদেরকে উদ্দীপ্ত করা অথবা তাদের মধ্যে সিরীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার মনোবল সৃষ্টি করা।লোকেরা সমবেত হলে তিনি বললেন, “হে জনগণ! আমাকে কা’বা ঘর সম্পর্কে পরামর্শ দিন। আমি কি তা ভেঙ্গে ফেলে সম্পূর্ণ নতুনভাবে গড়ে তুলব, নাকি শুধু এর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করব?”ইবন আব্বাস (রাঃ) বললেন, “আমার মনে একটি মতের উদয় হয়েছে, আমি মনে করি যে, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত অংশ তুমি মেরামত করবে এবং লোকদের ইসলাম গ্রহণ ও নবী (ﷺ)-এর নবুওয়াত লাভকালীন সময়ে কা’বা ঘর ও পাথরসমূহ যে অবস্থায় ছিল, তা সে অবস্থায় রেখে দিবে।”ইবন যুবাইর (রাঃ) বললেন, “আপনাদের কারো ঘর অগ্নিদগ্ধ হলে তা সংস্কার না করা পর্যন্ত তিনি স্বস্তি লাভ করতে পারেন না। অতএব আপনাদের প্রতিপালকের ঘর কী করে এরূপ জীর্ণ অবস্থায় রাখা যেতে পারে? আমি আমার রবের কাছে তিনদিন ইস্তিখারা করব (অভিপ্রায় অবগত হবার জন্য) অতঃপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।”তিনদিন পর তিনি কা’বা ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণের দৃঢ় সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন। লোকেরা আশঙ্কা করল যে, সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি কা’বার ছাদে উঠবে, সে হয়ত কোন আসমানী গজবে নিপতিত হবে। শেষ পর্যন্ত এক ব্যক্তি (ছাদ ভাঙ্গার জন্য) কা’বার ছাদে উঠল এবং তার একটি পাথর নিচে ফেলল। লোকেরা যখন দেখল সে কোন বিপদে পড়েনি, তখন তারাও তাকে অনুসরণ করল এবং কা’বা ঘর ভেঙ্গে জমিনের সাথে মিশিয়ে দিল। অতঃপর ইবন যুবাইর (রাঃ) কতগুলো থাম স্থাপন করে এগুলোর সাথে পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। অবশেষে কা’বার দেয়ালের গাঁথুনি উচ্চ হল।ইবন যুবাইর (রাঃ) বললেন, “অবশ্যই আমি আয়েশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ “লোকেরা যদি নিকট অতীতে কুফরি ত্যাগ না করত এবং আমার নিকটও কা’বা পুনর্নির্মাণ করার মত অর্থ-সামর্থ্যও নেই- তাহলে আমি অবশ্যই হাজর (হাতিম)-এর পাঁচ গজ স্থান কা’বা ঘরের অন্তর্ভুক্ত করতাম এবং লোকদের প্রবেশের জন্য ও বের হবার জন্য এর দুইটি দরজা বানাতাম।”ইবন যুবাইর (রাঃ) বলেন, “বর্তমানে আমার হাতে তা নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ আছে এবং লোকদের তরফ থেকেও কোন প্রতিবাদের আশঙ্কা নেই।”রাবী বলেন, এরপর তিনি হাতিমের পাঁচ গজ এলাকা কা’বা অন্তর্ভুক্ত করলেন। ফলে তা (পুরাতন) ভিত্তির উপর গড়ে উঠল [যার উপর ইব্রাহিম (আঃ) তা গড়েছিলেন]। এবং লোকেরা তা অবলোকন করল। এ ভিত্তির উপর দেয়াল গড়ে তোলা হল। কা’বার দৈর্ঘ্য ছিল আঠারো গজ। তা যখন (প্রস্থে) বাড়ানো হল, তখন (স্বাভাবিকভাবেই দৈর্ঘ্য) তা ছোট হওয়ায় দৈর্ঘ্যে তা আরও দশ গজ বৃদ্ধি করা হল এবং এর দুইটি দরজা নির্মাণ করা হল, একটি প্রবেশের জন্য এবং অপরটি প্রস্থানের জন্য।ইবন যুবাইর (রাঃ) শহীদ হলে হাজ্জাজ (ইবন ইউসুফ) আবদুল মালিক ইবন মারওয়ানকে তা লিখে জানাল। সে আরও জানাল যে, ইবন যুবাইর (কা’বা ঘর) সে ভিত্তির উপর নির্মাণ করেছে [যা ছিল ইব্রাহিম (আঃ)-এর ভিত্তি] এবং মক্কার বিশ্বস্ত লোকেরা তা যাচাই করে দেখেছে।আবদুল মালিক তাকে লিখে পাঠালেন যে, “কোন বিষয়ে ইবন যুবাইরকে অভিযুক্ত করার প্রয়োজন আমাদের নেই। সে দৈর্ঘ্যে যতটুকু বর্ধিত করেছে, তা বহাল রাখ এবং হাতিমের দিকে যতটুকু বর্ধিত করেছে, তা ভেঙ্গে পূর্বাবস্থায় নিয়ে আসো। আর সে যে (নতুন) দরজা খুলেছে তা বন্ধ করে দাও।” এরপর হাজ্জাজ তা ভেঙ্গে পূর্বের ভিত্তির উপর পুনর্নির্মাণ করে।
৩১৩৭
কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
হারিস ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ রবী’আহ (রহঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু উবায়দ বলেন, হারিস ইবনু আবদুল্লাহ প্রতিনিধি হিসেবে আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানের রাজত্বকালে তার নিকট গিয়েছিলেন। আবদুল মালিক বললেন, আমি মনে করি না যে, আবু যুবায়র অর্থাৎ ইবনু যুবায়র (রাঃ) আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট এমন কিছু শুনেছেন যার দাবি তিনি করে থাকেন। (অর্থাৎ ইব্রাহিম (আঃ)-এর ভিতের উপর কা‘বা ঘরের পুনর্নির্মাণের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অভিপ্রায় সম্পর্কিত কোন হাদিস তিনি আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট শুনেননি)।হারিস বলেন, হ্যাঁ, আমি নিজেই তার নিকট এ হাদিস শুনেছি। আবদুল মালিক বললেন, আপনি তাকে কী বলতে শুনেছেন? হারিস বলেন, আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: “তোমার কওমের লোকেরা কা‘বা ঘরের ভিত (আয়তনে) ছোট করে ফেলেছে। অতীতে তারা শির্ক পরিত্যাগ না করলে আমি তাদের পরিত্যক্ত অংশটুকু কা‘বার অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম। তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা যদি আমার পরে তা পুনর্নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে এসো, আমি তোমাকে তাদের পরিত্যক্ত অংশটুকু দেখিয়ে দিই।” অতএব রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আয়িশাকে (হাতীম সংলগ্ন) প্রায় সাত গজ স্থান দেখিয়ে দিলেন। এ হাদিস আবদুল্লাহ ইবনু উবায়দ কর্তৃক বর্ণিত। ওয়ালিদ ইবনু আতা ও বর্ণনার উপর আরো বৃদ্ধি করেছেন, নবী (ﷺ) বলেছেন: “আমি জমিনের সমতলে দুইটি দরজাও নির্মাণ করতাম- একটি পূর্বদিকে এবং অপরটি পশ্চিম দিকে। তুমি কি জান তোমার গোত্রের লোকেরা কা‘বার দরজা (ভূমি থেকে) উঁচুতে স্থাপন করেছে কেন?”আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, না। নবী (ﷺ) বললেন: “গর্ব ও অহংকারের বশবর্তী হয়ে (তারা এটা করেছে) যাকে কেবল সে ব্যক্তিই কা‘বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে- যাকে তারা অনুমতি দিবে। যখন কোন ব্যক্তি কা‘বার অভ্যন্তরে প্রবেশের ইচ্ছা করত, তারা তাকে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে দিত। এমনকি সে যখন তাতে প্রবেশ করত, তখন তারা তাকে টেনে নিচে ফেলে দিত।”আবদুল মালিক হারিসকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি আয়িশা (রাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাবী বলেন, কিছুক্ষণ তিনি হাতের ছড়ি দিয়ে মাটি খুঁড়তে লাগলেন, এরপর বললেন: আমি তার (ইবনু যুবায়র) কাজ স্ব অবস্থায় বহাল রাখার আকাঙ্ক্ষা করছি।
৩১৩৮
কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু জুরায়জ (রহঃ)
এ সনদে ইবন বাকর-এর হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৩১৩৯
কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ক্বাযা’আহ্ (রহঃ)
আব্দুল মালিক ইবন মারওয়ান বায়তুল্লাহ তাওয়াফকালে বলে উঠলেন, “আল্লাহ ইবন যুবায়েরকে ধ্বংস করুন- যেহেতু সে উম্মুল মু’মিনীন [আয়েশা (রাঃ)]-এর উপর মিথ্যারোপ করেছেন যে, তিনি নাকি তাকে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ হে আয়েশা! তোমার সম্প্রদায় যদি অতীতে কুফরি পরিত্যাগকারী না হতো তবে আমি কা’বা ঘর ভেঙে তাতে হাতিমের অংশ যুক্ত করে দিতাম। কারণ তোমার সম্প্রদায় কা’বার আয়তন ছোট করে দিয়েছে।” (আব্দুল মালিকের এ কথার উপর) হারিস ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবু রবী’আহ বলল, “হে আমীরুল মু’মিনীন! এ কথা আর বলবেন না। কারণ আমি নিজে উম্মুল মু’মিনীন [আয়েশা (রাঃ)]-কে এ কথা বলতে শুনেছি।” অতঃপর আব্দুল মালিক বললেন, “কা’বা ঘর ভাঙার পূর্বে যদি আমি তা শুনতে পেতাম, তাহলে ইবন যুবায়েরের ভিতের উপরই তা অটুট রাখতাম।”
৩১৪০
কা’বার দেয়াল ও দরজার অবস্থান পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, হাতীমের দেয়াল কি বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম, তবে তারা কেন এটাকে বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করেনি? তিনি বললেন, তোমার সম্প্রদায়ের নিকট পর্যাপ্ত অর্থ ছিল না। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, এর দরজা উঁচুতে স্থাপিত হওয়ার কারণ কী? তিনি বললেন, তাও তোমার সম্প্রদায়ের কাণ্ড- যাতে তাদের কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি তাতে প্রবেশাধিকার পায় এবং অবাঞ্ছিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে। তোমার কওমের জাহিলিয়্যাত পরিত্যাগের যুগ নিকটতম না হলে এবং আমার যদি এ আশঙ্কা না হতো যে, তাদের অন্তর পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে- তা হলে আমি অবশ্যই (হাতীমের) দেয়াল বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম এবং কা'বার দরজা জমিনের সমতলে স্থাপন করার বিষয়ে বিবেচনা করতাম।