৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩০৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩০৬১
বিদায়ের দিন আল-মুহাস্সাবে অবতরণ এবং সেখানে যুহর ও পরের ওয়াক্তের সালাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রহঃ)
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
৩০৬২
বিদায়ের দিন আল-মুহাস্সাবে অবতরণ এবং সেখানে যুহর ও পরের ওয়াক্তের সালাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সালিম (রহঃ)
আবু বকর (রাঃ), উমর (রাঃ) ও ইবনু উমর (রাঃ) আবত্বাহে অবতরণ করতেন। যুহরী বলেন, আমাকে উরওয়াহ অবহিত করেছেন যে, আয়িশা (রাঃ) আবত্বাহে যাত্রা বিরতি করতেন না। তিনি বলতেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কেবলমাত্র (বিশ্রামের জন্য) এখানে যাত্রা বিরতি করতেন যাতে সামনের পথ অতিক্রম সহজ হয়।
৩০৬৩
বিদায়ের দিন আল-মুহাস্সাবে অবতরণ এবং সেখানে যুহর ও পরের ওয়াক্তের সালাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
মুহাস্‌সাবে যাত্রা বিরতি বাধ্যতামূলক নয়। এটি একটি মঞ্জিল যেখানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যাত্রা বিরতি করেছেন।
৩০৬৪
বিদায়ের দিন আল-মুহাস্সাবে অবতরণ এবং সেখানে যুহর ও পরের ওয়াক্তের সালাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রহঃ)
আবু রাফি (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন মিনা থেকে রওনা হলেন তখন তিনি আমাকে আবত্বাহে যাত্রা বিরতির নির্দেশ দেননি। বরং আমি সেখানে পৌঁছে তাঁবু খাটালাম, এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এসে সেখানে অবতরণ করলেন। আবু রাফি (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)–এর মালপত্রের তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত ছিলেন।
৩০৬৫
বিদায়ের দিন আল-মুহাস্সাবে অবতরণ এবং সেখানে যুহর ও পরের ওয়াক্তের সালাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)–এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
ইনশাআল্লাহ আমরা আগামীকাল খায়ফে বনী কিনানায় অবতরণ করব- যেখানে তারা (কাফিররা) কুফরির উপর অবিচল থাকার শপথ নিয়েছিল।
৩০৬৬
বিদায়ের দিন আল-মুহাস্সাবে অবতরণ এবং সেখানে যুহর ও পরের ওয়াক্তের সালাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
আমরা মিনায় থাকা কালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের বললেনঃ আগামীকাল সকালে আমরা কিনানাহ গোত্রের ঘাঁটিতে অবতরণ করব যেখানে তারা কুফরের উপর অটল থাকার শপথ করেছিল। তা হচ্ছে– কুরাইশ ও কিনানাহ গোত্র হাশিম ও মুত্তালিব গোত্রদ্বয়ের বিরুদ্ধে এ মর্মে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, এরা তাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করবে না এবং বাণিজ্যিক লেনদেন করবে না- যতক্ষণ তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাদের হাতে অর্পণ না করবে– এ হচ্ছে সেই 'মুহাস্‌সাব'।
৩০৬৭
বিদায়ের দিন আল-মুহাস্সাবে অবতরণ এবং সেখানে যুহর ও পরের ওয়াক্তের সালাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
আল্লাহ যদি আমাদের বিজয় দান করেন তবে ইনশাআল্লাহ আমাদের মঞ্জিল হবে খায়ফ, যেখানে কুরাইশরা কুফরির উপর অটল থাকার শপথ করেছিল।
৩০৬৮
আইয়্যামে তাশরীক্বের রাতগুলো মিনায় অতিবাহিত করা ওয়াজিব, পানি সরবরাহকারীগণ এ নির্দেশের বহির্ভূত পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) মিনার রাতগুলো মক্কায় অতিবাহিত করার জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করলেন। কারণ পানি সরবরাহের দায়িত্ব তাঁর উপর ন্যস্ত ছিল। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন।
৩০৬৯
আইয়্যামে তাশরীক্বের রাতগুলো মিনায় অতিবাহিত করা ওয়াজিব, পানি সরবরাহকারীগণ এ নির্দেশের বহির্ভূত পরিচ্ছেদ নাই
উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহঃ)
এ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৩০৭০
আইয়্যামে তাশরীক্বের রাতগুলো মিনায় অতিবাহিত করা ওয়াজিব, পানি সরবরাহকারীগণ এ নির্দেশের বহির্ভূত পরিচ্ছেদ নাই
বকর ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল মুযানী (রহঃ)
আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর সাথে কাবার সন্নিকটে বসা ছিলাম। এ সময় এক বেদুঈন তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, কী ব্যাপার? আমি দেখছি আপনাদের চাচাতো ভাইয়েরা (আগন্তুকদের) মধু ও দুধ পান করায়, আর আপনারা নাবীয (খেজুরের তৈরি শরবত) পান করান? তা কি আপনাদের দরিদ্রতার কারণে, না কৃপণতার কারণে? ইবন আব্বাস (রাঃ) “আলহামদুলিল্লাহ” উচ্চারণ করে বললেন, আমাদের না দরিদ্রতা আক্রান্ত করেছে, না কৃপণতা। প্রকৃত ব্যাপার এই যে, নবী (ﷺ) তাঁর সওয়ারীতে চড়ে এখানে এলেন এবং তাঁকে এক পেয়ালা নাবীয দিলাম। তিনি তা পান করলেন এবং অবশিষ্টটুকু উসামাকে পান করালেন।এরপর তিনি বললেন, “তোমরা খুবই উত্তম কাজ করছো এবং এরূপই করতে থাকো।” অতএব রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের যা করার নির্দেশ দিয়েছেন- আমরা তার পরিবর্তন করতে চাই না।