৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩০৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩০২১
দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ)
আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) তার সাথের দুর্বল লোকদেরকে মুযদালিফার নিকটবর্তী স্থান মাশআরুল হারামে রাতে অবস্থানের জন্য আগে ভাগেই পাঠিয়ে দিতেন। অতএব তারা রাতের বেলা যতক্ষণ ইচ্ছা আল্লাহর যিকির করত। ইমামের অবস্থান ও ফিরে আসার পূর্বেই তারা (এখান থেকে) রওনা হতো। অতএব তাদের মধ্যে কেউ ফজরের সালাতের সময় মিনায় পৌঁছত এবং কেউ ফজরের সালাতের পরে। তারা এখানে পৌঁছে জামরায় পাথর নিক্ষেপ করত। ইবন উমর (রাঃ) বলতেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুর্বল ও বৃদ্ধদের এ অনুমতি প্রদান করেছেন।
৩০২২
মাক্কাহ্ মু‘আজ্জামাকে বাঁ পাশে রেখে উপত্যকার মধ্যস্থলে দাঁড়িয়ে জাম্রাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা এবং প্রতিটি পাথর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) উপত্যকার মধ্যখানে দাঁড়িয়ে জামরাতুল ‘আক্বাবায় সাতটি পাথর নিক্ষেপ করেছেন এবং প্রতিটি পাথরের সাথে তাকবির বলেছেন। রাবী বলেন, তাকে বলা হলো, লোকেরা তো উচ্চ স্থানে দাঁড়িয়ে পাথর নিক্ষেপ করে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, সেই সত্তার শপথ, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, এ সেই স্থান যেখানে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর সূরা আল বাকারা নাযিল হয়েছে।
৩০২৩
মাক্কাহ্ মু‘আজ্জামাকে বাঁ পাশে রেখে উপত্যকার মধ্যস্থলে দাঁড়িয়ে জাম্রাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা এবং প্রতিটি পাথর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা পরিচ্ছেদ নাই
আ‘মাশ (রহঃ)
আমি হাজ্জাজ ইবন ইউসুফকে মিম্বারে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিতে গিয়ে বলতে শুনেছিঃ জিবরিল (আঃ) যে ক্রমবিন্যাসে কুরআন মাজীদ সাজিয়েছেন, তোমরা তদনুযায়ী তা সুবিন্যস্ত কর। যেমন, প্রথম সে সূরা যার মধ্যে গাভী সম্পর্কে আলোচনা এসেছে। এরপর যে সূরায় মহিলাদের সম্পর্কে, এরপর সে সূরা যার মধ্যে ‘ইমরান-পরিবার সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে।আমাশ (রহঃ) বলেন, এরপর আমি ইব্রাহিমের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে হাজ্জাজের বক্তব্য সম্পর্কে অবহিত করলাম। তিনি তাকে গালি দিলেন। এরপর বললেন, আবদুর রহমান ইবন ইয়াজিদ আমাকে বলেছেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ)-এর সাথে ছিলেন। তিনি জামরাতুল আকাবায় এলেন, উপত্যকার মাঝে দাঁড়ালেন এবং জামরাহকে নিজের সম্মুখভাগে রাখলেন, এরপর উপত্যকার মাঝে দাঁড়িয়ে সাতটি কাঁকর নিক্ষেপ করলেন, প্রত্যেকবার নিক্ষেপের সাথে সাথে ‘আল্লাহু আকবার’ বললেন।রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আবু আবদুর রহমান! লোকেরা উপত্যকার উপরিভাগ থেকে পাথর নিক্ষেপ করে। তিনি বললেন, সে সত্তার শপথ যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, এ সেই স্থান যেখানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উপর সূরা আল বাকারা নাযিল হয়েছিল।
৩০২৪
মাক্কাহ্ মু‘আজ্জামাকে বাঁ পাশে রেখে উপত্যকার মধ্যস্থলে দাঁড়িয়ে জাম্রাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা এবং প্রতিটি পাথর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা পরিচ্ছেদ নাই
আ‘মাশ (রহঃ)
আমি হাজ্জাজকে বলতে শুনেছি, তোমরা ‘সূরা বাকারা’ বলো না ...... এরপর ইবনু মুসহির বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
৩০২৫
মাক্কাহ্ মু‘আজ্জামাকে বাঁ পাশে রেখে উপত্যকার মধ্যস্থলে দাঁড়িয়ে জাম্রাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা এবং প্রতিটি পাথর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)
তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ)-এর সাথে হজ্জ করেন। রাবী বলেন, তিনি (আবদুল্লাহ) জামরায় সাতটি কাঁকর নিক্ষেপ করেন—বাইতুল্লাহকে বামদিকে এবং মিনাকে ডানদিকে রেখে এবং তিনি বলেন, এই সে স্থান যেখানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রতি সূরা আল বাকারা নাজিল করা হয়েছিল।
৩০২৬
মাক্কাহ্ মু‘আজ্জামাকে বাঁ পাশে রেখে উপত্যকার মধ্যস্থলে দাঁড়িয়ে জাম্রাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা এবং প্রতিটি পাথর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা পরিচ্ছেদ নাই
শু‘বাহ্‌ (রহঃ)
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি বলেছেন, “তিনি (আবদুল্লাহ) যখন জামরাতুল আকাবায় এলেন।
৩০২৭
মাক্কাহ্ মু‘আজ্জামাকে বাঁ পাশে রেখে উপত্যকার মধ্যস্থলে দাঁড়িয়ে জাম্রাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা এবং প্রতিটি পাথর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)
আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলা হল, লোকেরা ‘আকাবার উচ্চভূমি থেকে পাথর নিক্ষেপ করে। রাবী বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) উপত্যকার মধ্যভাগে দাঁড়িয়ে তা নিক্ষেপ করলেন। এরপর তিনি বলেন, “সে সত্তার শপথ যিনি ব্যতীত অন্য কোন মা‘বূদ নেই, যাঁর উপর সূরা আল-বাকারা নাজিল হয়েছে, তিনি এই স্থান থেকে কাঁকর নিক্ষেপ করেন।”
৩০২৮
কুরবানীর দিন সওয়ারীতে আরোহিত অবস্থায় জামরাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা মুস্তাহাব এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ “আমার নিকট থেকে তোমরা হাজ্জের নিয়ম-কানুন শিখে নাও।” পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আমি কুরবানির দিন নবী (ﷺ)-কে সওয়ারিতে আরোহিত অবস্থায় পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি এবং তিনি বলেছিলেনঃ “আমার নিকট থেকে তোমরা হজ্জের নিয়ম-কানুন শিখে নাও। কারণ আমি জানি না- এ হজ্জের পর আমি আর হজ্জ করতে পারব কিনা।
৩০২৯
কুরবানীর দিন সওয়ারীতে আরোহিত অবস্থায় জামরাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা মুস্তাহাব এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ “আমার নিকট থেকে তোমরা হাজ্জের নিয়ম-কানুন শিখে নাও।” পরিচ্ছেদ নাই
উম্মুল হুসায়ন (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে বিদায় হজ্জ করেছি এবং আমি দেখেছি, তিনি জামরাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপ করে সাওয়ারিতে চড়ে ফিরে আসেন এবং তাঁর সাথে ছিলেন বিলাল ও উসামা (রাঃ)। তাঁদের একজন উটের লাগাম ধরে তা টেনে নিচ্ছিলেন এবং অপরজন সূর্যের তাপের কারণে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মাথার উপর কাপড় ধরে রাখছিলেন। উম্মুল হুসাইন (রাঃ) আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অনেক কথা বললেন। এরপর আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ যদি নাক-কান কাটা কোন ক্রীতদাস (কালো) কেও তোমাদের নেতা নিয়োগ করা হয় এবং সে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী তোমাদের পরিচালনা করে, তবে তার (নির্দেশ) শোন এবং আনুগত্য কর।
৩০৩০
কুরবানীর দিন সওয়ারীতে আরোহিত অবস্থায় জামরাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা মুস্তাহাব এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ “আমার নিকট থেকে তোমরা হাজ্জের নিয়ম-কানুন শিখে নাও।” পরিচ্ছেদ নাই
উম্মুল হুসায়ন (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে বিদায় হজ্জ করেছি। আমি উসামা ও বিলালকে দেখেছি যে, তাদের একজন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উটের লাগাম ধরে আছেন এবং অপরজন কাপড় দিয়ে তাঁকে রৌদ্র তাপ থেকে ছায়া দান করছেন। এমতাবস্থায় তিনি জামরায় কংকর নিক্ষেপ করেন। ইমাম মুসলিম বলেন, আবু আব্দুর রহীমের নাম খালিদ ইবন আবু ইয়াযীদ যিনি মুহাম্মাদ ইবন সালামার মামা- ওয়াকী‘ এবং হাজ্জাজ আ’ওয়ার তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেন।