৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩০২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩০১১
দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
আমি আকাঙ্ক্ষা করেছিলাম, আমিও যদি সাওদা (রাঃ)-এর অনুরূপ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করতাম! তিনি মিনায় পৌঁছে ফজরের সালাত আদায় করেন এবং লোকদের পৌঁছার পূর্বেই জামরায় পাথর নিক্ষেপ করেন। আয়িশা (রাঃ)-কে বলা হল, সাওদা (রাঃ) কি তাঁর নিকট অনুমতি চেয়েছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি ছিলেন স্থূলদেহী এবং ভারী, তাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট অনুমতি চেয়েছিলেন এবং তিনি তাকে অনুমতি দিয়েছিলেন।
৩০১২
দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু ক্বাসিম (রহঃ)
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৩০১৩
দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আসমা (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল্লাহ (রহঃ)
আমাকে আসমা (রাঃ) মুযদালিফা অবস্থানকালে জিজ্ঞেস করলেন, চাঁদ ডুবেছে কি? আমি বললাম, না। অতঃপর তিনি কিছুক্ষণ সালাত আদায় করলেন। পরে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, হে বৎস! চাঁদ ডুবেছে কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমার সাথে রওনা হও। আমরা রওনা হলাম এবং জামরা (পৌঁছে) তিনি কাঁকর নিক্ষেপ করলেন, এরপর নিজের তাঁবুতে সালাত আদায় করলেন। আমি তাকে বললাম, হে সম্মানিত মহিলা! আমরা খুব ভোরে রওনা হয়েছিলাম। তিনি বললেন, কোন অসুবিধা নেই হে বৎস! নবী (ﷺ) মহিলাদের খুব ভোরে রওনা হবার অনুমতি দিয়েছিলেন।
৩০১৪
দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু জুরায়জ (রহঃ)
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে: “আসমা (রাঃ) বলেন, হে বৎস! নবী (ﷺ) তাঁর সহধর্মিণীকে অনুমতি দিয়েছিলেন।”
৩০১৫
দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
(সালিম) ইবনু শাও্‌ওয়াল (রাঃ)
(সালিম) ইবন শাওয়াল (রাঃ) উম্মু হাবীবা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাকে অবহিত করেন যে, নবী (ﷺ) রাত থাকতেই তাকে মুযদালিফা থেকে মিনায় (পাঠিয়ে দেন)।
৩০১৬
দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সালিম ইবনু শাও্ওয়াল সূত্রে উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ)
আমরা নবী (ﷺ)-এর আমলে এরূপ করতাম, অর্থাৎ রাতের অন্ধকারেই মুযদালিফা থেকে মিনায় চলে আসতাম। নাকিদের বর্ণনায় আছে, “মুযদালিফা থেকে আমরা রাতের অন্ধকারেই রওনা হতাম।”
৩০১৭
দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে মালপত্র নিয়ে অথবা (অপর বর্ণনা অনুযায়ী) দুর্বল লোকদের সাথে রাত থাকতেই মুযদালিফা থেকে (মিনার উদ্দেশ্যে) পাঠিয়ে দেন।
৩০১৮
দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর পরিবারের যে দুর্বলদের (মুযদালিফা থেকে) সর্বাগ্রে পাঠিয়ে দেন, আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।
৩০১৯
দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর পরিবারের যে দুর্বলদের আগেভাগে পাঠিয়ে দেন, আমি তাদের সাথে ছিলাম।
৩০২০
দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে তাঁর মালপত্র নিয়ে ভোররাতে মুযদালিফা থেকে (মিনায়) পাঠিয়ে দেন। আমি (ইবনু জুরাইজ) আতাকে বললাম, আপনি জানেন কি ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, "রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে গভীর রাতে পাঠিয়েছেন"? তিনি বললেন, না, কেবল ভোর রাতের কথাই আমি জানি। আমি তাঁকে পুনরায় বললাম, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, "আমরা ফজরের সালাতের পূর্বেই জামরায় পাথর নিক্ষেপ করেছি।" তাহলে তিনি ফজরের সালাত কোথায় আদায় করেছেন? আতা বললেন, না, আমি এতটুকুই জানি।