৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৯৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৯৮১
কুরবানীর দিন জামরাতুল ‘আক্বাবায় পাথর নিক্ষেপ শুরু করার পূর্ব পর্যন্ত হজ্জ পালনকারীর তালবিয়াহ্ পাঠ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যুবায়র (রহঃ)
এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে রাবী এ কথাটি উল্লেখ করেননি –“রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জামরায় পাথর নিক্ষেপ পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ পাঠ করতে থাকলেন।” কিন্তু এতে উল্লেখ আছে: “নবী (ﷺ) হাতের ইশারায় দেখিয়ে দিলেন (নিক্ষেপের জন্য) নুড়ি কিভাবে ধরবে।”
২৯৮২
কুরবানীর দিন জামরাতুল ‘আক্বাবায় পাথর নিক্ষেপ শুরু করার পূর্ব পর্যন্ত হজ্জ পালনকারীর তালবিয়াহ্ পাঠ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)
আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমরা মুযদালিফায় (সমবেত) ছিলাম। এ সময় যাঁর উপর সূরা বাকারা নাজিল হয়েছে, তাঁকে এ স্থানে বলতে শুনলাম: “লাব্বায়কা আল্লাহুম্মা লাব্বায়কা।”
২৯৮৩
কুরবানীর দিন জামরাতুল ‘আক্বাবায় পাথর নিক্ষেপ শুরু করার পূর্ব পর্যন্ত হজ্জ পালনকারীর তালবিয়াহ্ পাঠ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) মুযদালিফা রওয়ানার প্রাক্কালে তালবিয়া পাঠ করলেন। বলা হল, এ সম্ভবত বেদুইন (হজ্জের অনুষ্ঠানাদি সঠিকভাবে জানে না)। আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, লোকেরা কি (রসূলের সুন্নাত) ভুলে গেছে, না পথভ্রষ্ট হয়েছে! যাঁর উপর সূরা আল-বাকারা নাজিল হয়েছে, তাঁকে আমি এ স্থানে বলতে শুনেছি: “লাব্বায়কা আল্লাহুম্মা লাব্বায়কা।”
২৯৮৪
কুরবানীর দিন জামরাতুল ‘আক্বাবায় পাথর নিক্ষেপ শুরু করার পূর্ব পর্যন্ত হজ্জ পালনকারীর তালবিয়াহ্ পাঠ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
হুসায়ন (রহঃ)
এ সনদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
২৯৮৫
কুরবানীর দিন জামরাতুল ‘আক্বাবায় পাথর নিক্ষেপ শুরু করার পূর্ব পর্যন্ত হজ্জ পালনকারীর তালবিয়াহ্ পাঠ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ ও আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)
তারা বলেন, আমরা আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-কে মুযদালিফায় বলতে শুনেছি যে, যাঁর উপর সূরা বাকরাহ নাযিল হয়েছে, তাঁকে আমি বলতে শুনেছি: “লাব্বায়কা আল্লাহুম্মা লাব্বায়কা।” এরপর তিনি (ইবনু মাসউদ) তালবিয়াহ পাঠ করলেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে তালবিয়াহ পাঠ করলাম।
২৯৮৬
‘আরাফাহ্ দিবসে মিনা থেকে ‘আরাফাতে যাবার পথে তালবিয়াহ্ ও তাকবীর পাঠ করার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার পিতা হতে
আমরা সকালবেলা যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)–এর সাথে মিনা থেকে আরাফার দিকে রওনা হলাম, তখন আমাদের মধ্যে কতক তালবিয়া পাঠকারী এবং কতক তাকবীর পাঠকারী ছিল।
২৯৮৭
‘আরাফাহ্ দিবসে মিনা থেকে ‘আরাফাতে যাবার পথে তালবিয়াহ্ ও তাকবীর পাঠ করার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আমরা আরাফা দিবসের সকালবেলা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। আমাদের মধ্যে কতক তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করছিল, আর কতক তালবিয়া পাঠ করছিল। আমরা তাকবীর ধ্বনি করেছি। অধঃস্তন রাবী (আবদুল্লাহ ইবনু আবু সালামা) বলেন, আমি (আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহকে) বললাম, কী আশ্চর্য! আপনি তাকে (আবদুল্লাহ ইবনু উমর) কেন জিজ্ঞেস করলেন না যে, আপনি এ ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে কী করতে দেখেছেন?
২৯৮৮
‘আরাফাহ্ দিবসে মিনা থেকে ‘আরাফাতে যাবার পথে তালবিয়াহ্ ও তাকবীর পাঠ করার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর আস্ সাক্বাফী (রহঃ)
তিনি আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-এর সাথে সকালবেলা মিনা থেকে আরাফায় যাওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা এ দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে কিভাবে কী করতেন? তিনি বললেন, আমাদের কতক তালবিয়া পাঠ করত কিন্তু তাতে বাধা দেয়া হতো না এবং কতক তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করত কিন্তু তাতেও বাধা দেয়া হতো না।
২৯৮৯
‘আরাফাহ্ দিবসে মিনা থেকে ‘আরাফাতে যাবার পথে তালবিয়াহ্ ও তাকবীর পাঠ করার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর (রাঃ)
আমি আরাফা দিবসের সকালবেলা আনাস ইবন মালিক (রাঃ)–কে জিজ্ঞেস করলাম, এ দিন আপনারা তালবিয়ার ক্ষেত্রে কী বলতেন? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)–এর সাথে আমি ও তাঁর সাহাবীগণ এ পথ ভ্রমণ করেছি। আমাদের কতক ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি উচ্চারণ করেছে এবং কতক তালবিয়া (লাব্বায়কা আল্লাহুম্মা লাব্বায়ক) উচ্চারণ করেছে। এতে আমাদের কেউ কারো দোষ ধরেনি।
২৯৯০
‘আরাফাহ্ থেকে মুযদালিফায় প্রত্যাবর্তন এবং মুযদালিফায় এ রাতের মাগরিব ও ‘ইশার সালাত একত্রে আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)–এর আযাদকৃত গোলাম কুরায়ব থেকে উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ (রাঃ)
তিনি তাঁকে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরাফা থেকে প্রত্যাবর্তন করলেন, পাহাড়ের সরু পথের নিকট পৌঁছে বাহন থেকে নেমে পেশাব করলেন, এরপর হালকা ওজু করলেন, পূর্ণ ওজু নয়। আমি তাঁকে বললাম, সালাতের ওয়াক্ত হয়ে গেছে। তিনি বললেন, সামনে এগিয়ে সালাত আদায় করব।এরপর তিনি সাওয়ারীতে আরোহণ করলেন, মুযদালিফায় পৌঁছে পূর্ণাঙ্গ ওজু করলেন। এরপর সালাতের ইকামাত দেয়া হল এবং (এখানে) মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর প্রত্যেকে নিজ নিজ উট বসাল (বিশ্রামের জন্য), এরপর ইশার সালাতের ইকামাত দেয়া হল এবং তিনি ইশার সালাত আদায় করলেন। এ দুই সালাতের মধ্যে তিনি অন্য কোন সালাত আদায় করেননি।