৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৮১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৮০১
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ)
আমরা বিদায় হজের বছর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমাদের কেউ শুধু উমরার ইহরাম বাঁধল, আর কেউ শুধু হজের ইহরাম বাঁধল। এভাবে আমরা মক্কায় পৌঁছলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যারা উমরার জন্য ইহরাম বেঁধেছে কিন্তু কুরবানির পশু আনেনি, তারা যেন ইহরাম খুলে ফেলে। আর যারা উমরার ইহরাম বেঁধেছে এবং সাথে কুরবানির পশুও এনেছে, তারা কুরবানি করার পরই কেবল ইহরামমুক্ত হবে। আর যারা হজের ইহরাম বেঁধেছে তারা যেন হজ পূর্ণ করে।আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার হায়েজ শুরু হয়ে গেল এবং আরাফা দিবস পর্যন্ত চলতে থাকল। আমি উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে মাথার চুল খুলে ফেলতে, তাতে চিরুনি করতে, হজের ইহরাম বাঁধতে এবং উমরাহ পরিত্যাগ করতে নির্দেশ দিলেন। আমি তাই করলাম এবং হজের অনুষ্ঠানাদি পূর্ণ করলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার সাথে (আমার ভাই) আবদুর রহমান ইবনু আবু বকরকে পাঠালেন এবং তিনি আমাকে তানঈম থেকে ইহরাম বেঁধে উমরাহ করার নির্দেশ দিলেন- যেহেতু আমি উমরার ইহরাম পরিত্যাগ করে হজের ইহরাম বেঁধেছিলাম; অথচ আমি উক্ত উমরাহ সমাপ্ত করতে পারিনি।
২৮০২
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
আমরা বিদায় হজ্জের বছর নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমি উমরার ইহরাম বাঁধলাম এবং সাথে কুরবানির পশু নেইনি। নবী (ﷺ) বললেন, যার সাথে কুরবানির পশু আছে, সে যেন তার উমরার সাথে হজ্জের ইহরামও বাঁধে এবং উভয়ের অনুষ্ঠানাদি সমাপ্ত করার পূর্বে যেন ইহরাম না খোলে। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার মাসিক ঋতু শুরু হয়ে গেল। আরাফার রাত শুরু হলে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম, অতএব আমি কিভাবে হজ্জ করব? তিনি বললেন, তোমার চুল খুলে ফেল এবং চিরুণী কর, উমরা স্থগিত রাখ এবং হজ্জের ইহরাম বাঁধ। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি যখন হজ্জ সমাপ্ত করলাম, তখন তিনি (আমার ভাই) আবদুর রহমানকে নির্দেশ দিলেন এবং তিনি তদানুযায়ী আমাকে তার বাহনের পেছন দিকে বসিয়ে তানঈম থেকে উমরা করালেন- যেহেতু আমি উমরার অনুষ্ঠান পালন থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হয়েছিলাম।
২৮০৩
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। তিনি বললেন, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি একত্রে হজ্জ ও উমরার ইহরাম বাঁধতে চায়, সে যেন তাই করে। আর যে ব্যক্তি শুধু হজ্জের ইহরাম বাঁধতে চায়, সে-ও যেন তাই করে। আর যে ব্যক্তি শুধু উমরার ইহরাম বাঁধতে চায়, সে যেন উমরার ইহরাম বাঁধে।”আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শুধুমাত্র হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন এবং তাঁর সাথের লোকেরাও তাই করল। কতিপয় লোক উমরাহ ও হজ্জের ইহরাম বাঁধল এবং কতিপয় লোক শুধু উমরার ইহরাম বাঁধল। আমি উমরার উদ্দেশ্যে ইহরামকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।
২৮০৪
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
বিদায় হজ্জের বছর যিলহিজ্জা মাসের নতুন চাঁদ উদয়ের কাছাকাছি সময়ে আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে (মক্কা) রওনা হলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি উমরার ইহরাম বাঁধতে চায়, সে তা করতে পারে। আমার সঙ্গে হাদি বা কুরবানির পশু না থাকলে আমি উমরার ইহরাম বাঁধতাম।আয়িশা (রাঃ) বলেন, লোকদের মধ্যে কতক উমরার ইহরাম বাঁধল এবং কতক হজ্জের ইহরাম বাঁধল। তিনি বললেন, আমি উমরার উদ্দেশে ইহরামকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমরা রওনা হলাম, অতঃপর মাক্কায় পৌঁছে গেলাম। আরাফা দিবস পর্যন্ত আমার মাসিক ঋতু অব্যাহত থাকল এবং উমরা করে ইহরাম খোলার সুযোগ পেলাম না। এ সংকটের বিষয়ে আমি নবী (ﷺ)-কে অবহিত করলে তিনি বললেন, তুমি তোমার উমরা পরিত্যাগ কর, চুলের বাঁধন খুলে ফেল এবং তাতে চিরুনি কর আর হজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধ।আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি তাই করলাম। অতঃপর যখন 'মুহাসসাব'-এর রাত হলো এবং আল্লাহ তা’আলা আমাদের হজ্জ সমাপন করার তাওফিক দিলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার সাথে আবদুর রহমান ইবনু আবু বকর (রাঃ)-কে পাঠালেন এবং তিনি আমাকে তাঁর বাহনের পেছনে বসিয়ে 'তানঈম' নামক স্থানে রওনা হলেন। অতঃপর আমি উমরার ইহরাম বাঁধলাম। এভাবে আল্লাহ তা‘আলা আমাদের হজ্জ ও উমরা সমাপনের তাওফিক দান করলেন। এজন্য হাদি বা কুরবানি, সদকা বা সাওম কোনটিই পালন করতে হয়নি।
২৮০৫
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
জিলহজ্জ মাসের নতুন চাঁদ উদয়ের কাছাকাছি সময়ে আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে রওনা হলাম। হজ্জ করা ছাড়া আমাদের অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি উমরার ইহরাম বাঁধতে চায়, সে তাই করুক............” হাদীসের অবশিষ্ট অংশ ‘আব্দাহ (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ।
২৮০৬
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
যিলহজ মাসের নতুন চাঁদ উদয়ের কাছাকাছি সময়ে আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমাদের মধ্যে কতক উমরার, কতক হজ্জ ও উমরাহ উভয়ের এবং কতক শুধু হজ্জের ইহরাম বাঁধল। আমি উমরার উদ্দেশে ইহরামকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত (উভয়ের) হাদীসের অনুরূপ। তবে উরওয়ার বর্ণনায় আছে, “আল্লাহ তা'আলা আয়িশা (রাঃ)-কে তার হজ্জ ও উমরা সমাপনের তাওফিক দিলেন।”আর হিশামের বর্ণনায় আছে, “এজন্য (উমরার ইহরাম পরিত্যাগ করে হজ্জের ইহরাম বাঁধার কারণে তাকে) কুরবানিও করতে হয়নি, সাওমও পালন করতে হয়নি, সদাকাও দিতে হয়নি।”
২৮০৭
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
আমরা বিদায় হজের বছর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমাদের মধ্যে কতক উমরার উদ্দেশে, কতক হজ ও উমরা উভয়ের উদ্দেশে এবং কতক শুধু হজের উদ্দেশে ইহরাম বাঁধল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কেবল হজের ইহরাম বাঁধলেন।যারা উমরার জন্য ইহরাম বেঁধেছিল, তারা (উমরা সমাপনান্তে) ইহরাম খুলে ফেলল। আর যারা শুধু হজের, আর যারা হজ ও উমরা উভয়ের ইহরাম বেঁধেছিল, তারা কুরবানির দিবসের পূর্ব পর্যন্ত ইহরামমুক্ত হতে পারেনি।
২৮০৮
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
আমরা একমাত্র হজ্জের উদ্দেশ্যে নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমরা ‘সারিফ’ নামক স্থানে বা এর কাছাকাছি পৌঁছলে আমার মাসিক ঋতু শুরু হয়ে যায়। নবী (ﷺ) আমার নিকট এলেন এবং আমি তখন কাঁদছিলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি হায়জ হয়েছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহ এটি আদম (আঃ)-এর কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। অতএব তুমি হজ্জের যাবতীয় অনুষ্ঠান পূর্ণ করো, শুধু (হায়জকাল শেষ হওয়ার পর) গোসল না করা পর্যন্ত বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করবে না। আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ থেকে গরু কুরবানি করেন।
২৮০৯
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
আমরা কেবল হজের উদ্দেশে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমরা যখন 'সারিফ' নামক স্থানে পৌঁছলাম, আমার মাসিক ঋতু শুরু হয়ে গেল। রসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার নিকট এলেন এবং আমি তখন কাঁদছিলাম। তিনি বললেন, “তুমি কাঁদছ কেন?” আমি বললাম, “আল্লাহর কসম! আমি যদি এ বছর হজ করতে না আসতাম!” তিনি বললেন, “কি হয়েছে তোমার? সম্ভবত তুমি ঋতুমতী হয়েছো?” আমি বললাম, “হ্যাঁ।” তিনি বললেন, “আল্লাহ তা‘আলা এটি আদম (আঃ)-এর কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তুমি হাজ্জ পালনকারীগণ যা করে, তাই কর কিন্তু পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত বায়তুল্লাহ তওয়াফ করোনা।” আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি যখন মক্কায় পৌঁছালাম রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাহাবীদের বললেন, “তোমরা উমরার জন্য ইহরাম বাঁধ।” যাদের সাথে হাদী বা কুরবানি পশু ছিল, তারা ব্যতীত সকলে উমরার ইহরাম বাঁধল। আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ), আবু বকর (রাঃ), উমর (রাঃ) ও অন্যান্য স্বচ্ছল লোকদের সাথে কুরবানি পশু (হাদী) ছিল, তারা (ইতোপূর্বে যারা ইহরাম খুলে ফেলেছিল, মিনার দিকে) অগ্রসর হবার প্রাক্কালে পুনরায় (হজ্বের) ইহরাম বাঁধল। আমি কুরবানির দিন পবিত্র হলাম এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নির্দেশে তওয়াফে ইফাযা করলাম। আমাদের জন্য গরুর গোশত পাঠানো হল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “এগুলো কি?” তারা বলল, “রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সহধর্মিণীদের পক্ষ থেকে একটি গরু কুরবানি করেছেন।” যখন হাসবা রাত এলো, আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল! লোকেরা হজ ও উমরা পালন করে প্রত্যাবর্তন করছে, আর আমি শুধু হজ করে প্রত্যাবর্তন করছি।” রাবী বলেন, তিনি বলেন, তিনি আবদুর রহমান ইবনু আবু বকর (রাঃ)-কে নির্দেশ দিলেন এবং তদনুযায়ী তিনি আমাকে তার উটের পেছন দিকে বসিয়ে রওনা হলেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি ছিলাম অল্প বয়সী এবং আমার মনে আছে যে, তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে আমার মাথা বারবার পালানের খুঁটির সাথে আঘাত খাচ্ছিল।
২৮১০
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
আমরা হজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধলাম। আমরা যখন 'সারিফ' নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন আমি ঋতুমতী হলাম। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আমার নিকট এলেন- আমি তখন কাঁদছিলাম...... অবশিষ্ট বর্ণনা (পূর্ববর্তী) মাজিশূনের হাদীসের অনুরূপ।তবে হাম্মাদের বর্ণনায় নিম্নোক্ত কথার উল্লেখ নেই : “নবী (ﷺ), আবু বকর (রাঃ), উমর (রাঃ) ও অন্যান্য স্বচ্ছল লোকদের সাথে (হাদী) কুরবানির পশু ছিল, তাঁরা অগ্রসর হওয়ার প্রাক্কালে পুনরায় (হজ্জের) ইহরাম বাঁধলেন।”তার বর্ণনায় আয়িশা (রাঃ)-এর নিম্নোক্ত কথার উল্লেখ নেই “আমি ছিলাম অল্প বয়স্কা এবং আমার উত্তমরূপে মনে আছে যে, তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় আমার মাথা বারংবার পালানের খুঁটির সাথে টক্কর খাচ্ছিল।”