৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৮০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৭৯১
ইহরাম অবস্থায় মারা গেলে তার বিধান পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর সাথে ছিল। তার উষ্ট্রী তাকে পিঠ থেকে ফেলে দেয়ায় তার ঘাড় ভেঙে যায়, এতে সে মারা যায়। নবী (ﷺ) বললেনঃ তাকে গোসল দাও, তার দেহে সুগন্ধি মাখিও না এবং তার মুখমণ্ডলও ঢেকে দিও না। কারণ তাকে তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় উঠানো হবে।
২৭৯২
রোগ-ব্যাধি বা অন্য কোন অক্ষমতার কারণে শর্তসাপেক্ষে ইহরাম খুলে ফেলা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সুবা’আ বিনত যুবায়র (রাঃ)-এর নিকট গেলেন এবং তাঁকে বললেন, “তুমি কি হজ্জের ইচ্ছা পোষণ করেছ?” তিনি বললেন, “আল্লাহর কসম! কিন্তু আমি প্রায়ই অসুস্থ থাকি।” তখন তিনি তাঁকে বললেন, “তুমি হজ্জ কর এবং শর্ত রাখ ও বল, ‘হে আল্লাহ! তুমি যেখানে আমাকে আটকিয়ে দিবে (সেখানে আমি ইহারাম খুলব)।’” তিনি মিকদাদ (রাঃ)-এর স্ত্রী ছিলেন।
২৭৯৩
রোগ-ব্যাধি বা অন্য কোন অক্ষমতার কারণে শর্তসাপেক্ষে ইহরাম খুলে ফেলা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) যুবাইর ইবন আবদুল মুত্তালিব কন্যা দুবা'আ (রাঃ)-এর নিকট আসলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি হজ্জের সংকল্প করেছি- কিন্তু আমি অসুস্থ। নবী (ﷺ) বললেন, “তুমি হজ্জের ইহরাম বাঁধ এবং এই শর্ত কর যে, আল্লাহ! তুমি যেখানে আমাকে আটকিয়ে দিবে, সেখানে আমি ইহরাম খুলব।”
২৭৯৪
রোগ-ব্যাধি বা অন্য কোন অক্ষমতার কারণে শর্তসাপেক্ষে ইহরাম খুলে ফেলা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
আয়িশা (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
২৭৯৫
রোগ-ব্যাধি বা অন্য কোন অক্ষমতার কারণে শর্তসাপেক্ষে ইহরাম খুলে ফেলা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আব্বাস (রাঃ)
যুবায়ের ইবন আবদুল মুত্তালিব কন্যা যুবাআহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে বললেন, “আমি একজন পীড়িত (ভারী) মহিলা এবং আমি হজ্জের সংকল্প রাখি। আপনি আমাকে কী নির্দেশ দেন?” তিনি বললেন, “তুমি হজ্জের ইহরাম বাঁধ এবং শর্ত কর যে, ‘আল্লাহ! তুমি আমাকে যেখানে আটকিয়ে দিবে সেখানে আমি ইহরাম খুলব’।” রাবী বলেন, তিনি হজ্জের অনুষ্ঠানাদি পালনে সক্ষম হয়েছিলেন।
২৭৯৬
রোগ-ব্যাধি বা অন্য কোন অক্ষমতার কারণে শর্তসাপেক্ষে ইহরাম খুলে ফেলা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
যুবা'আ (রাঃ) হজ্জের ইচ্ছা করলেন। নবী (ﷺ) তাঁকে শর্তসাপেক্ষে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নির্দেশ মুতাবিক তাই করলেন।
২৭৯৭
রোগ-ব্যাধি বা অন্য কোন অক্ষমতার কারণে শর্তসাপেক্ষে ইহরাম খুলে ফেলা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যুবাআ (রাঃ)-কে বললেন, “তুমি হজ্জ করো এবং শর্ত রাখো যে, আল্লাহ! তুমি যেখানে আমাকে থামিয়ে দিবে, সেখানে আমি ইহরাম খুলব।” ইসহাকের বর্ণনায় আছে, নবী (ﷺ) যুবাআ (রাঃ)-কে এ নির্দেশ দিয়েছিলেন।
২৭৯৮
হায়য-নিফাস অবস্থায় ইহরাম বাঁধা জায়িয এবং ইহরাম বাঁধার পূর্বে গোসল করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
আসমা বিনতু উমাইস (রাঃ) 'আশ শাজার' নামক স্থানে আবু বকর (রাঃ)-এর পুত্র মুহাম্মাদকে প্রসব করলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু বকর (রাঃ)-এর মাধ্যমে তাকে গোসল করে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিলেন।
২৭৯৯
হায়য-নিফাস অবস্থায় ইহরাম বাঁধা জায়িয এবং ইহরাম বাঁধার পূর্বে গোসল করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
আসমা বিনতে উমাইস (রাঃ) 'যুল হুলাইফা' নামক স্থানে সন্তান প্রসব করলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু বকর (রাঃ)-কে নির্দেশ দিলেন এবং তিনি তদানুযায়ী তাকে গোসল করে ইহরাম বাঁধতে বললেন।
২৮০০
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
আমরা বিদায় হজ্জের বছর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমরা উমরার জন্য ইহরাম বাঁধলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যার সাথে হাদি অর্থাৎ কুরবানির পশু আছে সে যেন একত্রে উমরার সাথে হজ্জের ইহরাম বাঁধে, অতঃপর উমরাহ ও হজ্জের অনুষ্ঠান শেষ না করে যেন ইহরামমুক্ত না হয়।আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি হায়জ অবস্থায় মক্কায় পৌঁছলাম। তাই আমি বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে এবং সাফা-মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সাঈ করতে পারিনি। এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তোমার চুলের বেণী খুলে ফেল এবং চিরুনি কর, হজ্জের ইহরাম বাঁধ এবং উমরাহ পরিত্যাগ কর।আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি তাই করলাম। আমাদের হজ্জের অনুষ্ঠানাদি সমাপ্ত হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে (আমার ভাই) আবদুর রহমানের সাথে 'তানঈম' নামক স্থানে পাঠালেন। আমি সেখান থেকে ইহরাম বেঁধে উমরাহ পালন করি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এটা তোমার উমরার স্থান।যে সব লোক শুধু উমরার ইহরাম বেঁধেছিল, তারা বায়তুল্লাহর তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সাঈ করার পর ইহরামমুক্ত হয়ে গেল। অতঃপর তারা মিনা থেকে ফিরে এসে পুনরায় তাদের হজ্জের তাওয়াফ করল আর যারা উমরাহ ও হজ্জের জন্য একত্রে ইহরাম বেঁধেছিল, তারা একবার তাওয়াফ করল।