৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৭০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৬৯১
হজ্জ ও ‘উমরার ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের পোশাক পরিধান করা জায়িয ও কী ধরনের পোশাক নাজায়িয এবং ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধির ব্যবহার নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ্ (রাঃ)
এক ব্যক্তি জিইরানা নামক স্থানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আসলো। লোকটি উমরার জন্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় ছিল। তার দাড়ি ও মাথার চুল হলুদ রঙে রঞ্জিত ছিল এবং তার পরনে ছিল একটি জুব্বা। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি উমরাহ করার জন্য ইহরাম বেঁধেছি এবং আমি কী অবস্থায় আছি তা আপনি দেখছেন। তিনি বললেন, তুমি জুব্বা খুলে ফেল এবং হলুদ রং ধুয়ে ফেল। অতঃপর হজ্জে যে সব অনুষ্ঠান পালন কর, উমরাতেও তাই কর।
২৬৯২
হজ্জ ও ‘উমরার ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের পোশাক পরিধান করা জায়িয ও কী ধরনের পোশাক নাজায়িয এবং ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধির ব্যবহার নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
সাফ্ওয়ান তার পিতা সূত্রে (ইবনু উমাইয়্যাহ্) (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তাঁর নিকট এক ব্যক্তি জুব্বা পরিহিত অবস্থায় উপস্থিত হল। তাতে (খালূক জাতীয়) সুগন্ধির চিহ্ন ছিল। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি উমরার ইহরাম বেঁধেছি, আমাকে কী করতে হবে? তিনি তার কথার কোন উত্তর না দিয়ে নীরব থাকলেন।যখন তাঁর উপর ওহী নাযিল হতে আরম্ভ হল তখন উমর (রাঃ) তাঁকে ছায়া দেয়ার জন্য একখণ্ড কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলেন। আমি (ইয়া’লা) উমর (রাঃ)-কে বলেছিলাম, তাঁর উপর যখন ওহী নাযিল হয় তখন আমি তাঁর সঙ্গে কাপড়ের অভ্যন্তরে আমার মাথা ঢুকাতে চাই। যখন ওহী নাযিল হল, উমর (রাঃ) তাঁকে একখণ্ড কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলেন। আমি তাঁর নিকট এসে কাপড়ের ভিতরে মাথা ঢুকিয়ে দিলাম এবং তাঁকে দেখলাম। এ অবস্থা দূরীভূত হলে তিনি বললেন, এই মাত্র উমরা সম্পর্কে প্রশ্নকারী কোথায়? লোকটি তাঁর সামনে দাঁড়াল। তিনি বললেন, তোমার পরিধানের জুব্বা খুলে ফেল এবং সুগন্ধির চিহ্ন ধুয়ে ফেল। অতঃপর যেভাবে হজ্জ সমাপন কর, ঠিক সেভাবে উমরা কর।
২৬৯৩
হজ্জের মীক্বাতসমূহের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাদীনাবাসীদের জন্য যুল হুলাইফা, সিরিয়ার অধিবাসীদের জন্য আল-জুহফা, নাজদবাসীদের জন্য কারনুল মানাজিল, ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলামকে মীকাত হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। তিনি আরও বলেন, এগুলো ঐসব এলাকার লোকদের মীকাত এবং এর বাইরের যে সব লোক হজ্জ ও উমরা করার উদ্দেশ্যে ঐসব এলাকা হয়ে আসবে, তাদের মীকাত। আর যেসব লোক উল্লিখিত মীকাতসমূহের অভ্যন্তরে বসবাস করে, তারা স্বস্থান থেকে ইহরাম বাঁধবে, এভাবে যারা আরও ভিতরে, তারা সে স্থান হতে। এমনকি মক্কাবাসীগণ মক্কা থেকে তালবিয়া পাঠ করবে।
২৬৯৪
হজ্জের মীক্বাতসমূহের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাদিনার অধিবাসীদের জন্য যুল হুলাইফা, শামের অধিবাসীদের জন্য আল-জুহফা, নাজদের অধিবাসীদের জন্য কারনুল মানাজিল এবং ইয়ামানের অধিবাসীদের জন্য ইয়ালামলামকে মীকাত নির্ধারণ করেছেন।তিনি আরও বলেছেন, এগুলো উল্লেখিত এলাকার লোকদের মীকাত এবং বাইরের যেসব লোক হজ্জ ও উমরার উদ্দেশে ঐ সব এলাকা হয়ে আসবে, তাদের মীকাত। আর যেসব লোক মীকাতের অভ্যন্তরে বসবাস করে, তারা যে স্থান থেকে ইহরাম বাঁধতে ইচ্ছা করে, সে স্থান হতে। এমনকি মক্কাবাসীগণ মক্কা থেকে ইহরাম বাঁধবে।
২৬৯৫
হজ্জের মীক্বাতসমূহের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: মাদীনাবাসীগণ যুল হুলায়ফা থেকে, সিরিয়াবাসীগণ আল জুহফা থেকে এবং নাজদবাসীগণ কারন থেকে ইহরাম বাঁধবে। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: ইয়ামানবাসীগণ ইয়ালামলাম থেকে ইহরাম বাঁধবে।
২৬৯৬
হজ্জের মীক্বাতসমূহের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, মদীনাবাসীদের মীকাত যুল হুলাইফা, শামবাসীদের মীকাত আল জুহফা এবং নাজদবাসীদের মীকাত কারন। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, লোকেরা বলেন: রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ইয়ামানবাসীদের মীকাত ইয়ালামলাম, কিন্তু আমি তা তাঁর নিকট থেকে শুনিনি।
২৬৯৭
হজ্জের মীক্বাতসমূহের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু দীনার (রহঃ)
তিনি ইবনু উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাদীনাবাসীদের যুল হুলাইফা থেকে, সিরিয়ার অধিবাসীদেরকে আল জুহফা থেকে এবং নাজদবাসীদেরকে কারন থেকে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিয়েছেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, আমাকে অবহিত করা হয়েছে যে, তিনি আরও বলেছেন, ইয়ামানবাসীগণ ইয়ালামলাম থেকে ইহরাম বাঁধবে।
২৬৯৮
হজ্জের মীক্বাতসমূহের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতা হতে
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, মাদীনাবাসীগণ যুল হুলাইফা থেকে এবং সিরিয়াবাসীগণ আল-জুহফা থেকে, নাজদবাসীগণ কারন থেকে ইহরাম বাঁধবে। ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, আমার নিকট উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরও বলেছেন, “ইয়ামানবাসীগণ ইয়ালামলাম থেকে ইহরাম বাঁধবে”, কিন্তু এ কথা আমি সরাসরি তাঁর নিকট থেকে শুনিনি।
২৬৯৯
হজ্জের মীক্বাতসমূহের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যুবায়র (রহঃ)
তিনি জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট মুহাল স্থান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে শুনেছেন। এরপর তিনি হাদিসটি শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন। আবু যুবাইর (রহঃ) বলেন, আমি মনে করি যে, জাবির (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট থেকে সরাসরি এ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
২৭০০
হজ্জের মীক্বাতসমূহের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে মুহাল সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তার জওয়াবে আবু যুবায়র (রহঃ) তাঁকে বলতে শুনেছেন, আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি (রাবীর ধারণায় তিনি এ হাদীস তাঁর সাথে সংযুক্ত করেছেন): মাদীনাবাসীদের মুহাল যুল হুলায়ফা, অপর একটি পথ হচ্ছে আল জুহফা, ইরাকবাসীদের মুহাল হচ্ছে যাতু ইরক, নাজদবাসীদের মুহাল হচ্ছে কারন এবং ইয়ামানবাসীদের মুহাল হচ্ছে ইয়ালামলাম।