৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৫৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৫৬১
‘ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহার দিনে সিয়াম পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু আযহারের মুক্ত গোলাম আবূ ‘উবায়দ
আমি ঈদের দিন উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে উপস্থিত ছিলাম। তিনি সালাত আদায় সমাপ্ত করে লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিচ্ছিলেন। এতে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) এ দুই দিন সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন—ঈদুল ফিতরের দিন, আর দ্বিতীয় হলো যেদিন তোমরা কুরবানির গোশত খেয়ে থাক।
২৫৬২
‘ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহার দিনে সিয়াম পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুইদিন সিয়াম (রোজা) পালন করতে নিষেধ করেছেন – কুরবানির ঈদের দিন আর ঈদুল ফিতরের দিন।
২৫৬৩
‘ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহার দিনে সিয়াম পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ক্বাযা’আহ্ থেকে আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
তিনি বললেন, আমি তাঁর (আবু সাঈদ) (রাঃ) কাছে একটি হাদীস শুনলাম যা আমার অত্যন্ত পছন্দ হলো। আমি তাঁকে বললাম, আপনি এ হাদীস রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে শুনেছেন? তিনি বললেন, আমি যা শুনিনি এমন কথা তাঁর নামে চালিয়ে দিতে পারি? এবার তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ দুই দিন সাওম পালন করা সমীচীন নয়। কুরবানির ঈদের দিন আর রমজানের ঈদুল ফিতরের দিন।
২৫৬৪
‘ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহার দিনে সিয়াম পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুইটি দিন সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন: ঈদুল ফিতরের দিন এবং কুরবানির ঈদের দিন।
২৫৬৫
‘ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহার দিনে সিয়াম পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
যিয়াদ ইবনু জুবায়র (রহঃ)
এক ব্যক্তি ইবনু উমর (রাঃ)-এর কাছে এসে বলল, “আমি একদিন সিয়াম (রোজা) পালন করব বলে মানত করেছি। ঘটনাক্রমে ঐ দিনই ঈদুল আযহা বা ঈদুল ফিতরের দিন পড়েছে।”ইবনু উমর (রাঃ) বললেন, “আল্লাহ তা’আলা মানত পূর্ণ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন এবং রসূলুল্লাহ (ﷺ) এ দিন সিয়াম (রোজা) পালন করতে নিষেধ করেছেন।”
২৫৬৬
‘ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহার দিনে সিয়াম পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুইটি দিন সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। ঈদুল ফিতরের দিন এবং ঈদুল আজহার দিন।
২৫৬৭
আইয়্যামে তাশরীক্বে সিয়াম পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
নুবায়শাহ্ আল হুযালী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আইয়ামে তাশরীক হচ্ছে পানাহার করার দিন।
২৫৬৮
আইয়্যামে তাশরীক্বে সিয়াম পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
নুবায়শাহ্ (রাঃ)
খালিদ বলেছেন, আমি আবু মালিহ-এর সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করি, তিনি আমাকে নবী (ﷺ) থেকে হুশাইমের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদিসের মধ্যে অতিরিক্ত রয়েছে যে, “এ দিন আল্লাহকে স্মরণ করার দিন।”
২৫৬৯
আইয়্যামে তাশরীক্বে সিয়াম পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে এবং আওস ইবন হাদাসান (রাঃ)-কে আইয়ামে তাশরীকে একটি ঘোষণা দেওয়ার জন্য পাঠালেন। অতঃপর তাঁরা রসূলের বাণী ঘোষণা করে শুনিয়ে দিলেনঃ “মুমিন ব্যক্তি ছাড়া কেউই জান্নাতে প্রবেশ করবে না, আর মিনায় অবস্থানের দিনগুলো হচ্ছে পানাহার করার দিন।”
২৫৭০
আইয়্যামে তাশরীক্বে সিয়াম পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ইব্রাহীম ইবনু ত্বহমান (রহঃ)
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে উল্লেখ আছে তারা উভয়ে ঘোষণা করলেন।