৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৫৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৫৭১
কেবলমাত্র জুমু’আর দিন সিয়াম পালন করা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আব্বাস ইবনু জা’ফার (রাঃ)
জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ) যখন কা’বা ঘর প্রদক্ষিণ করছিলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি জুমা দিবসে সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, কা’বা ঘরের প্রভুর শপথ! হ্যাঁ, তিনি নিষেধ করেছেন।
২৫৭২
কেবলমাত্র জুমু’আর দিন সিয়াম পালন করা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
নবী (ﷺ)-এর একই হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
২৫৭৩
কেবলমাত্র জুমু’আর দিন সিয়াম পালন করা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “জুমু‘আর দিন কেউ যেন সিয়াম পালন না করে। কিন্তু যদি কেউ জুমু‘আর দিনের আগে বা পরে একদিন সিয়াম পালন করে, তাহলে সে জুমু‘আর দিন সিয়াম পালন করতে পারে।”
২৫৭৪
কেবলমাত্র জুমু’আর দিন সিয়াম পালন করা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা রাতগুলোর মধ্যে কেবলমাত্র জুমার রাতকে জাগরণের (নৈশ ইবাদতের) জন্য নির্দিষ্ট করে নিও না, আর দিনগুলোর মধ্যে শুধু জুমার দিনকে সিয়ামের জন্য নির্দিষ্ট করে নিও না। তবে যদি তোমাদের কেউ সর্বদা (নফল) সিয়াম পালন করে আর এ সিয়ামের (ধারাবাহিকতার) মধ্যে জুমার দিন এসে যায় তাহলে ভিন্ন কথা। অর্থাৎ সে ঐদিন (নফল) সিয়াম পালন করতে পারে।”
২৫৭৫
আল্লাহর বাণী –“আর যারা সিয়াম পালন করতে সক্ষম তারা ফিদ্‌ইয়াহ্ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দিবে” – এ হুকুম মানসূখ হয়ে গেছে পরিচ্ছেদ নাই
সালমাহ্ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ)
“যারা সিয়াম পালন করতে সক্ষম (অথচ সিয়াম পালন করতে চায় না) তারা ফিদিয়া হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করবে”—যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল, কেউ যদি রমজানে সিয়াম পালন করতে না চাইত, সে সিয়াম ভেঙে দিত এবং তার পরিবর্তে ফিদিয়া আদায় করে দিত। অতঃপর এর পরবর্তী আয়াত অবতীর্ণ হলো এবং তা পূর্ববর্তী আয়াতের হুকুমকে মানসুখ (রহিত) করে দিল।”
২৫৭৬
আল্লাহর বাণী –“আর যারা সিয়াম পালন করতে সক্ষম তারা ফিদ্‌ইয়াহ্ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দিবে” – এ হুকুম মানসূখ হয়ে গেছে পরিচ্ছেদ নাই
সালমাহ্ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগে রমজান মাসে আমাদের মধ্যে যার ইচ্ছা হত সিয়াম পালন করত আর যে চাইত ভঙ্গ করত এবং এর বিনিময়ে ফিদইয়া হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করত। অবশেষে এ আয়াত নাযিল হল, “কাজেই আজ হতে যে ব্যক্তিই এ মাসের সম্মুখীন হবে তার জন্য এ পূর্ণ মাসের সিয়াম পালন করা একান্ত কর্তব্য।”
২৫৭৭
শা’বান মাসে রামাদানের সিয়ামের ক্বাযা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সালামাহ্ (রাঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, “আমার রমজান মাসের সিয়াম অবশিষ্ট থেকে যেত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমতে ব্যস্ত থাকার কারণে আমি শাবান মাস ছাড়া অন্য কোন সময়ে তা আদায় করার সুযোগ পেতাম না।”
২৫৭৮
শা’বান মাসে রামাদানের সিয়ামের ক্বাযা পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (রহঃ)
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ বর্ণনায় পার্থক্য এতটুকু যে, তিনি বলেছেন, আর রমজানের সিয়ামের কাযা আদায়ের ব্যাপারে শা’বান পর্যন্ত বিলম্ব করার কারণ হল, রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমতে নিযুক্ত থাকা।
২৫৭৯
শা’বান মাসে রামাদানের সিয়ামের ক্বাযা পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (রহঃ)
এ সনদেও উপরের হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদিসে তিনি আরো বলেছেন, আমার এরূপ দেরি করার কারণ ছিল নবী (ﷺ)-এর খিদমতে ব্যস্ত থাকা।
২৫৮০
শা’বান মাসে রামাদানের সিয়ামের ক্বাযা পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্ইয়া (রহঃ)
উপরের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমতে তাঁর ব্যস্ত থাকার কথা উল্লেখ করেননি।