৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৫৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৫৫১
আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করা পরিচ্ছেদ নাই
ক্বায়স (রহঃ)
এ সনদে অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, আবু মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। খায়বারের ইহুদিরা ‘আশুরার দিন সাওম পালন করত, তারা এ দিনকে ঈদরূপে বরণ করত এবং তারা তাদের মহিলাদেরকে অলঙ্কার ও উত্তম পোশাকে সুসজ্জিত করত। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমরাও এ দিনে সাওম পালন কর।
২৫৫২
আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করা পরিচ্ছেদ নাই
উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রহঃ)
ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে ‘আশুরার দিনে সাওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, “আমি অবগত হয়েছি যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) এ দিন ব্যতীত অন্য কোন দিনের সাওমকে অন্য দিনের চেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ মনে করতেন না এবং এ মাস (রমজান) ব্যতীত অন্য কোন মাসের রোজাকে অন্য মাসের চেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ মনে করতেন না।”
২৫৫৩
আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করা পরিচ্ছেদ নাই
বায়দুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রহঃ)
এ সনদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
২৫৫৪
আশুরা উপলক্ষে কোন দিন সিয়াম রাখা হবে পরিচ্ছেদ নাই
হাকাম ইবনু আ‘রাজ (রহঃ)
আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে পৌঁছলাম। এ সময় তিনি যমযমের কাছে চাদর বিছানো অবস্থায় বসা ছিলেন। তখন আমি তাঁকে বললাম, আমাকে আশূরা দিবসের সিয়াম পালন সম্পর্কে সংবাদ দিন।উত্তরে তিনি বললেন, মুহাররম মাসের চাঁদ দেখার পর তুমি এর তারিখগুলো গুণে রাখবে। এরপর নবম তারিখে সাওম অবস্থায় তোমার যেন ভোর হয়। তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি সেদিন সিয়াম পালন করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, করেছেন।
২৫৫৫
আশুরা উপলক্ষে কোন দিন সিয়াম রাখা হবে পরিচ্ছেদ নাই
হাকাম ইবনু আ‘রাজ (রহঃ)
যমযমের কাছে ইবন আব্বাস (রাঃ) চাদর বিছিয়ে বসে থাকা অবস্থায় আমি তাঁকে আশুরার দিবসে সাওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। এরপর তিনি হাজিব ইবন উমর (রহঃ)-এর হাদিস বর্ণনা করেছেন।
২৫৫৬
আশুরা উপলক্ষে কোন দিন সিয়াম রাখা হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন আশুরার দিন সিয়াম পালন করেন এবং লোকদের সিয়াম পালনের নির্দেশ দেন, তখন সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! ইয়াহুদ এবং নাসারা এই দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে থাকে। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, ইনশাআল্লাহ আগামী বছর আমরা নবম তারিখেও সিয়াম পালন করব। বর্ণনাকারী বললেন, এখনো আগামী বছর আসেনি, এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ইন্তেকাল হয়ে যায়।
২৫৫৭
আশুরা উপলক্ষে কোন দিন সিয়াম রাখা হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবদল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমি যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি তবে মুহাররমের নবম তারিখেও সিয়াম পালন করব। আবূ বকর (রহঃ) বলেন, নবম তারিখই হচ্ছে ‘আশূরার দিন।
২৫৫৮
যে ‘আশুরার দিন কিছু খেয়ে ফেলল সে যেন দিনের বাকী অংশ পানাহার থেকে বিরত থাকে পরিচ্ছেদ নাই
সালামাহ্ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আশুরার দিন আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিয়ে পাঠালেন, সে যেন লোকদের মধ্যে এ কথা ঘোষণা করে যে, যে সিয়াম পালন করেনি, সে যেন সিয়াম পালন করে এবং যে আহার করেছে, সে যেন রাত পর্যন্ত তার সাওম পূর্ণ করে।
২৫৫৯
যে ‘আশুরার দিন কিছু খেয়ে ফেলল সে যেন দিনের বাকী অংশ পানাহার থেকে বিরত থাকে পরিচ্ছেদ নাই
রুবায়’ই বিনতু মু'আব্‌বিয ইবনু ‘আফরা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আশুরার দিন ভোরে মাদিনার পার্শ্ববর্তী আনসারি সাহাবীদের জনপদে এক ব্যক্তিকে এ নির্দেশ দিয়ে পাঠালেন, সে যেন ঘোষণা করে দেয় যে, সিয়ামরত অবস্থায় যার ভোর হয়েছে, সে যেন তার সিয়াম পূর্ণ করে। আর যার ইফতার অবস্থায় ভোর হয়েছে, সে যেন দিনের অবশিষ্ট অংশ পানাহার থেকে বিরত থেকে পূর্ণ করে। এরপর আমরা এ দিন সিয়াম পালন করতাম এবং আমাদের ছোট ছোট সন্তানদেরকেও আল্লাহ চাইলে সিয়াম পালনে অভ্যস্ত করে তুলতাম। আমরা তাদেরকে মসজিদে নিয়ে যেতাম এবং তাদের জন্য পশমের খেলনা বানিয়ে দিতাম। যখন তাদের কেউ খাওয়ার জন্য কাঁদত, তখন আমরা তাদেরকে সে খেলনা প্রদান করতাম। এমনি করে ইফতারের সময় হয়ে যেত।
২৫৬০
যে ‘আশুরার দিন কিছু খেয়ে ফেলল সে যেন দিনের বাকী অংশ পানাহার থেকে বিরত থাকে পরিচ্ছেদ নাই
খালিদ ইবনু যাক্ওয়ান (রাঃ)
আমি রুবাই বিনতু মুয়াভ্বিয (রাঃ)-কে আশুরার দিন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর বার্তাবাহককে আনসারদের গ্রামে পাঠালেন .... হাদিসের বাকি অংশ বিশ্‌র বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ। শুধু এতটুকু ব্যতিক্রম রয়েছে, আমরা এদের জন্য পশম দিয়ে খেলনা তৈরি করতাম, এবং এগুলো আমাদের সাথেই নিয়ে যেতাম। এরা আমাদের কাছে খাবার চাইলে আমরা এ খেলনা এদের হাতে দিতাম। এটা তাদেরকে সিয়াম পূর্ণ করা পর্যন্ত ভুলিয়ে রাখত।