৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৫৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৫২১
ভ্রমণকালে সিয়াম রাখা ও না রাখার ইখতিয়ার প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু দারদা (রাঃ)
আবু দারদা (রাঃ) বলেছেন যে, প্রচণ্ড গরমের দিনে কোন এক সফরে আমরা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। গরম এত প্রচণ্ড ছিল যে, লোকেরা নিজ নিজ হাত মাথার উপরে রেখে দিয়েছিল। আর রসূলুল্লাহ (ﷺ) ও আবদুল্লাহ ইবনু রওয়াহা (রাঃ) ব্যতীত আমাদের মাঝে কেউই সাওম পালনকারী ছিল না।
২৫২২
হাজীদের জন্য ‘আরাফার দিন ‘আরাফার ময়দানে সিয়াম পালন না করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
উম্মুল ফায্‌ল বিনতু হারিস (রাঃ)
লোকেরা আরাফার দিন তার নিকট রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সিয়াম পালন করা না করা সম্পর্কে আলোচনা করছিল। তাদের কেউ কেউ বলল তিনি সাওমরত, আবার কেউ কেউ বলল তিনি সাওমরত নন। এরপর আমি তার নিকট এক পেয়ালা দুধ পাঠালাম, তিনি আরাফাতে উটের উপর বসা অবস্থায় ছিলেন। দুধটুকু তিনি তখনি পান করে নিলেন।
২৫২৩
হাজীদের জন্য ‘আরাফার দিন ‘আরাফার ময়দানে সিয়াম পালন না করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ নাযর (রাঃ)
এ সনদে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি (অর্থাৎ তিনি উটের উপরে বসা অবস্থায় ছিলেন) বাক্যটি উল্লেখ করেননি। অধিকন্তু এতে তিনি উম্মুল ফাজলের আযাদকৃত গোলাম উমাইর থেকে বর্ণিত বলে উল্লেখ করেন।
২৫২৪
হাজীদের জন্য ‘আরাফার দিন ‘আরাফার ময়দানে সিয়াম পালন না করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সালিম আবূ আন্ নাযর (রাঃ)
এ সানাদে ইবনু উয়াইনা অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। এখানেও উম্মুল ফাজলের আজাদকৃত গোলাম উমাইর থেকে বর্ণিত।
২৫২৫
হাজীদের জন্য ‘আরাফার দিন ‘আরাফার ময়দানে সিয়াম পালন না করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
উম্মুল ফায্‌ল (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কিছু সাহাবী ‘আরাফার দিন তাঁর সাওম পালনের ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করলেন। উম্মুল ফজল (রাঃ) বলেন, আমরাও সেখানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। এ সময় আমি তাঁর নিকট এক পেয়ালা দুধ পাঠিয়ে দিলাম। তখন তিনি আরাফার ময়দানে ছিলেন। এরপর তিনি তা পান করলেন।
২৫২৬
হাজীদের জন্য ‘আরাফার দিন ‘আরাফার ময়দানে সিয়াম পালন না করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী মায়মূনাহ্ (রাঃ)
লোকেরা আরাফার দিন নবী (ﷺ)-এর সাওম পালন করার ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করলেন। এরপর মায়মূনা (রাঃ) তাঁর নিকট এক পেয়ালা দুধ পাঠিয়ে দিলেন, এ সময় তিনি ‘মাওক্বিফ’ এর মধ্যে অবস্থান করছিলেন। তখন তিনি তা পান করে নিলেন। আর লোকেরা তাঁর দিকে তাকিয়ে রইল।
২৫২৭
আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
কুরাইশরা জাহিলী যুগে আশুরার দিন সাওম পালন করত। রসূলুল্লাহ (ﷺ)-ও এ দিন সাওম পালন করতেন। এরপর যখন তিনি মদীনায় হিজরত করলেন, তখনও তিনি আশুরার সাওম পালন করেছেন এবং লোকদেরকেও তা পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর যখন রমজানের সাওমকে ফরজ করা হলো, তখন যার ইচ্ছা, সে আশুরা সাওম পালন করত আর যার ইচ্ছা, সে তা ছেড়ে দিত।
২৫২৮
আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করা পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রাঃ)
এ সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এ হাদীসে প্রথমাংশে “রসূলুল্লাহ (ﷺ)-ও এ সাওম পালন করতেন” এ কথাটির উল্লেখ করেননি। অবশ্য এ হাদীসের শেষাংশে রয়েছে: “এরপর আশুরার দিন সাওম পালন করা ছেড়ে দেয়া হল।” সুতরাং যার ইচ্ছা সে এ দিন সাওম পালন করত এবং যার ইচ্ছা সে তা ছেড়ে দিত এবং বর্ণনাকারী জারীরের বর্ণনামতে এ কথাটিকে নবী (ﷺ)-এর বাণীর অন্তর্ভুক্ত করেননি।
২৫২৯
আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
জাহিলি যুগে আশূরার দিন সাওম পালন করা হত। এরপর যখন ইসলামের আবির্ভাব হল, তখন যার ইচ্ছা সে এদিন সাওম পালন করত, আর যার ইচ্ছা সে তা ছেড়ে দিত।
২৫৩০
আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রমজানের সাওম ফরজ হওয়ার পূর্বে রসূলুল্লাহ (ﷺ) আশুরার দিনে সাওম পালন করার নির্দেশ দিতেন। যখন রমজানের সাওম ফরজ করা হল তখন যার ইচ্ছা সে আশুরার দিনে সাওম পালন করত, আর যার ইচ্ছা সে তা ছেড়ে দিত।