৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৪৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৪৮১
জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাক্‌র (রাঃ)
একদা মারওয়ান তাঁকে উম্মু সালামা (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য যার জানাবাতের অবস্থায় ভোর হলো, সে সাওম পালন করতে পারবে কি? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ইহতিলাম ব্যতিরেকে স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরজ হওয়া অবস্থায় ভোর হতো। এরপর তিনি সাওম ভঙ্গও করতেন না এবং সাওমের কাযাও করতেন না।
২৪৮২
জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ এবং উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)
তাঁরা উভয়ে বলেন, রমজান মাসে ইহতিলাম ছাড়া স্ত্রী সহবাসের কারণে জানাবাতের অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ভোর হতো, এরপর তিনি সাওম পালন করতেন।
২৪৮৩
জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
ফাতওয়া জিজ্ঞেস করার জন্য এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর নিকট এলো। এ সময় তিনি দরজার পেছন থেকে কথাগুলো শুনছিলেন। লোকটি বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! জানাবাতের অবস্থায় আমার ফজরের সময় হয়ে যায়, এমতাবস্থায় আমি সাওম পালন করতে পারি কি?উত্তরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, জানাবাতের অবস্থায় আমারও ফজরের সালাতের সময় হয়ে যায়, আমি তো সাওম পালন করি। এরপর লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো আমাদের মতো নন। আল্লাহ আপনার পূর্বাপর সমুদয় গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! আমার আশা, আমি আল্লাহকে তোমাদের চেয়ে সর্বাধিক ভয় করি এবং আমি সর্বাধিক অবগত ঐ বিষয় সম্পর্কে, যা থেকে আমার বিরত থাকা আবশ্যক।
২৪৮৪
জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে পরিচ্ছেদ নাই
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ)
তিনি উম্মু সালামা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন, জানাবাতের অবস্থায় যার ভোর হয়, সে সাওম পালন করবে কি? তিনি বললেন, ইহতিলাম ছাড়াই জানাবাতের অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ভোর হতো এবং তিনি সাওম পালন করতেন।
২৪৮৫
রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্‌ফারাহ্‌ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্‌ফারাহ আদায় করতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গিয়েছি। তিনি বললেন, কিসে তোমাকে ধ্বংস করেছে? সে বলল, আমি রমজানে সাওমরত অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি।তিনি বললেন, তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি যাকে তুমি আজাদ করে দিতে পার? সে বলল, না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি ক্রমাগত দুই মাস সাওম পালন করতে পারবে? সে বলল, না।পুনরায় নবী (ﷺ) বললেন, তুমি ষাটজন মিসকিনকে খাওয়াতে পারবে কি? সে বলল, না।তারপর সে বসে গেল। এরপর নবী (ﷺ)-এর নিকট এক টুকরি খেজুর আনা হলো। তিনি লোকটিকে বললেন, এগুলো সদাকা করে দাও। তখন সে বলল, আমার চেয়েও অভাবী লোককে সদাকা করে দেব? (মদিনার) দুইটি কংকরময় ভূমির মধ্যস্থিত স্থানে আমার পরিবারের চেয়ে অভাবী আর একটি নেই। এ কথা শুনে নবী (ﷺ) হেসে দিলেন। এমনকি তাঁর সামনের দাঁতগুলো প্রকাশ হয়ে পড়ল। তখন তিনি বললেন, তাহলে যাও এবং তোমার পরিবারকে খেতে দাও।
২৪৮৬
রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্‌ফারাহ্‌ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্‌ফারাহ আদায় করতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম আয্ যুহরী (রাঃ)-এর সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নাহ্ (রহঃ)
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মধ্যে بِعَرَقٍ فِيهِ تَمْرٌ এরপর وَهُوَ الزِّنْبِيلُ শব্দটি উল্লেখ রয়েছে এবং এতে নবী (ﷺ)-এর হাসির কথা উল্লেখ নেই।
২৪৮৭
রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্‌ফারাহ্‌ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্‌ফারাহ আদায় করতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
বর্ণিত। এক ব্যক্তি রমজান মাসে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে এবং এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট প্রশ্ন করল। তখন তিনি বললেন, “তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি?” সে বলল, না। তিনি আবার বললেন, “তুমি দুই মাস সাওম পালন করতে পারবে কি?” সে বলল, না। তখন তিনি বললেন, “তাহলে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও।”
২৪৮৮
রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্‌ফারাহ্‌ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্‌ফারাহ আদায় করতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
এ সনদে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি রমজানের সাওম ভেঙে ফেলার কারণে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে এর কাফফারা হিসেবে একটি গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি ইবন উয়ায়না অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেন।
২৪৮৯
রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্‌ফারাহ্‌ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্‌ফারাহ আদায় করতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
এক ব্যক্তি রমযানের সাওম ভেঙে ফেলার কারণে নবী (ﷺ) তাকে নির্দেশ দিলেন, হয় তো সে একটি গোলাম আজাদ করবে অথবা দুই মাস সাওম পালন করবে অথবা ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়াবে।
২৪৯০
রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্‌ফারাহ্‌ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্‌ফারাহ আদায় করতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
এ সনদে ইবন উয়ায়না অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।