৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৪৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৪৭১
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাওমের অবস্থায় তাঁকে চুমু দিতেন।
২৪৭২
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্ইয়া ইবনু কাসীর (রহঃ)
এ সনদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
২৪৭৩
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সিয়ামের মাসেও (স্ত্রীদেরকে) চুমু দিতেন।
২৪৭৪
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রমাযান মাসে সাওমের অবস্থায় রাসুলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদেরকে চুমু দিতেন।
২৪৭৫
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) সাওমের অবস্থায় (স্ত্রীদেরকে) চুমু দিতেন।
২৪৭৬
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
হাফসাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাওমের অবস্থায় চুমু দিতেন।
২৪৭৭
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
হাফসাহ্‌ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
২৪৭৮
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনু আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ)
একদা তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, সাওম পালনকারী ব্যক্তি চুম্বন করতে পারে কি? তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, কথাটি উম্মু সালমাকে জিজ্ঞেস কর। (তাঁকে জিজ্ঞেস করার পর) তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরূপ করেন। এরপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তো আপনার পূর্বাপর সমুদয় গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, শোনো, আল্লাহর শপথ! আমি আল্লাহ তাআলাকে তোমাদের সকলের চেয়ে অধিক ভয় করি।
২৪৭৯
জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাক্‌র (রাঃ)
আবু হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) তাঁর আলোচনায় বললেন, ‘জানাবাত অবস্থায় কারো ভোর হলে তার সাওম হবে না।’ এরপর এ কথাটি আমি আবদুর রহমান ইবন হারিস (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। কিন্তু তিনি তা অস্বীকার করলেন। এরপর আবদুর রহমান চললেন। আমিও তাঁর সাথে সাথে চললাম। আমরা আয়েশা (রাঃ) এবং উম্মু সালামা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। এরপর আবদুর রহমান তাঁদের উভয়কে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা বললেন, ‘নবী (ﷺ) ইহতিলাম ব্যতিরেকে জানাবাতের অবস্থায় ভোর করতেন এবং সাওম পালন করতেন।’ তারপর আমরা মারওয়ানের নিকট আসলাম এবং আবদুর রহমান তার সাথে এ নিয়ে আলোচনা করলেন। এরপর মারওয়ান বললেন, ‘আমি তোমাকে কসম দিয়ে বলছি, তুমি আবু হুরায়রার নিকট যাও এবং তার কথাটি রদ করে দাও।’ এরপর আমি আবু হুরায়রার নিকট গেলাম। এ সময় আবু বকর (রাঃ) ‘আবদুর রহমানের সাথে ছিলেন। আবদুর রহমান এ নিয়ে আবু হুরায়রার সঙ্গে আলোচনা করলেন। আবু হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বললেন, ‘তোমার নিকট তাঁরা উভয়েই কি এ কথা বলেছেন?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, তাঁরা উভয়েই এ কথা বলেছেন।’ তখন আবু হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বললেন, ‘বস্তুত তাঁদেরই সর্বাধিক অবগত।’ তারপর আবু হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) তাঁর এ কথাটিকে ফাজল ইবন আব্বাসের প্রতি সম্পর্কিত করে বললেন, ‘আমি এ কথাটি ফাজলের (ইবন আব্বাস) থেকে শুনেছিলাম, নবী (ﷺ) থেকে শুনিনি।’ রাবী বলেন, এরপর আবু হুরায়রাহ (রাঃ) এ বিষয়ে তাঁর মত পরিবর্তন করেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি আব্দুল মালিককে জিজ্ঞেস করলাম, ‘তারা রমজানের কথা বলেছে কি?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, অনুরূপই নবী (ﷺ) ইহতিলাম ব্যতিরেকেও জানাবাত অবস্থায় ভোর করতেন। এরপর সাওম পালন করতেন।’
২৪৮০
জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রমজান মাসে ইহতিলাম ছাড়াই নবী (ﷺ)-এর জানাবাত অবস্থায় ফজরের সালাতের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং সাওম পালন করতেন।