৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৪৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৪৫১
সওমের সময় পূর্ণ হওয়া এবং দিবস সমাপ্ত হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ভ্রমণ করলাম। এ সময় তিনি সাওমরত ছিলেন। যখন সূর্য অদৃশ্য হয়ে গেল তখন তিনি বললেন, “হে অমুক! তুমি অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো।” এরপর তিনি ইবনু মুসহির এবং আব্বাদ ইবনু আওয়াম-এর অনুরূপ হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।
২৪৫২
সওমের সময় পূর্ণ হওয়া এবং দিবস সমাপ্ত হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
ইবনু মুসহির, আব্বাস ও আব্দুল ওয়াহিদ (রহঃ)-এর অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁদের কারো হাদিসের মধ্যে রমজান মাসের উল্লেখ নেই। অনুরূপভাবে হুশায়ম ব্যতীত তাদের বর্ণনায় “এবং যখন রাত এদিক থেকে ঘনিয়ে আসে” এ কথাটিও উল্লেখ নেই।
২৪৫৩
সওমে বিশাল বা বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) সাওমে বিসাল (ক্রমাগত রোযা রাখা) করতে নিষেধ করেছেন। এতে সাহাবীগণ বললেন, আপনি তো সাওমে বিসাল করে থাকেন। তিনি বললেন, আমার অবস্থা তোমাদের মতো নয়। আমাকে খাওয়ানো ও পান করানো হয়।
২৪৫৪
সওমে বিশাল বা বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রমজান মাসে সাওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। তা দেখে সাহাবীরা ও সাওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। এরপর তিনি তাদেরকে সাওমে বিসাল করতে নিষেধ করলেন। এতে তাঁকে প্রশ্ন করা হল, আপনি তো সাওমে বিসাল করছেন। উত্তরে তিনি বললেন, আমি তোমাদের মতো নই। আমাকে তো খাওয়ানো হয় এবং পান করানো হয়।
২৪৫৫
সওমে বিশাল বা বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এতে রমজান মাসের কথা উল্লেখ নেই।
২৪৫৬
সওমে বিশাল বা বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাওমে বিসাল (দিনের পর দিন পানাহার ব্যতীত সিয়াম পালন) করতে নিষেধ করেছেন। তখন মুসলিমদের এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো সাওমে বিসাল করে থাকেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমাদের মধ্যে আমার মতো কে আছে? আমি রাত্রি যাপন করি এমতাবস্থায় যে, আমার প্রতিপালক আমাকে খাওয়ান এবং আমাকে পান করান।সাহাবীগণ সাওমে বিসাল থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে তিনি তাদের সাথে একদিন এবং পরে আরেক দিন সাওমে বিসাল করলেন। এরপর তাঁরা চাঁদ দেখলেন, তখন তিনি বললেন, চাঁদ আরো দেরীতে দেখা দিলে আমিও সাওমে বিসাল দীর্ঘায়িত করতাম। তাঁরা সাওমে বিসাল থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে তিনি শাস্তি স্বরূপ এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
২৪৫৭
সওমে বিশাল বা বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা সাওমে বিসাল থেকে বিরত থাক। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো সাওমে বিসাল করে থাকেন? তিনি বললেন, এ ব্যাপারে তোমরা তো আমার মত নও। আমি এমতাবস্থায় রাত্রি যাপন করি যে, আমার প্রতিপালক আমাকে পানাহার করান। তাই তোমরা তোমাদের সামর্থ্যে যতটুকু কুলায়, ততটুকু আমল কর।
২৪৫৮
সওমে বিশাল বা বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)- এর সূত্রে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (হাদীসের শেষে কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন হলেও অর্থ একই)।
২৪৫৯
সওমে বিশাল বা বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
তিনি সাওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এরপর বর্ণনাকারী আবু যুরআহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
২৪৬০
সওমে বিশাল বা বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রমযান মাসে একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত আদায় করছিলেন। আমি তাঁর পাশে এসে দাঁড়ালাম। এরপর অন্য এক ব্যক্তি এসেও তাঁর পাশে দাঁড়ালেন। এভাবে আমরা এক দল লোক হয়ে গেলাম। এরপর নবী (ﷺ) যখন বুঝতে পারলেন যে, আমরা তাঁর পেছনে আছি, তখন তিনি সালাত সংক্ষেপ করে ফেললেন।তারপর তিনি আপন গৃহে চলে গেলেন এবং এমন (দীর্ঘ) সালাত আদায় করলেন যে, এভাবে তিনি আমাদের সাথে সালাত আদায় করতেন না। সকালে আমরা তাঁকে বললাম, রাত্রে আপনি আমাদের সম্পর্কে বুঝতে পেরেছিলেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাই তো আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে ঐ কাজের, যা আমি করেছি।এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রমযানের শেষভাগে আবার সাওমে বিসাল করতে আরম্ভ করলেন। এ দেখে কতিপয় সাহাবীও সাওমে বিসাল শুরু করলেন। তখন নবী (ﷺ) বললেন, “লোকদের কী হল, তারা যে সাওমে বিসাল আরম্ভ করেছে! তোমরা আমার মত নও। আল্লাহর শপথ! যদি মাস দীর্ঘায়িত হতো, তবে আমি এমনভাবে সাওমে বিসাল করতাম যার ফলে সীমালঙ্ঘনকারীগণ সাওমে বিসাল করা ছেড়ে দিত।”