৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৪৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৪৪১
সাহরীর ফযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
মূসা ইবনু ‘উলাইয়্যা (রহঃ)
এ সনদে হাদিস বর্ণিত আছে।
২৪৪২
সাহরীর ফযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে সাহরী খেয়ে সালাতে দাঁড়ালাম। [রাবী আনাস (রাঃ) বলেন] আমি যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, সাহরী ও আজানের মধ্যে কত সময়ের ব্যবধান ছিল? তিনি বললেন, পঞ্চাশ আয়াত পড়ার মতো সময়ের।
২৪৪৩
সাহরীর ফযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ)
এ সনদে অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
২৪৪৪
সাহরীর ফযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: যতদিন মানুষ বিলম্ব না করে ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে।
২৪৪৫
সাহরীর ফযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
২৪৪৬
সাহরীর ফযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ‘আতিয়্যাহ্‌ (রহঃ)
আমি ও মাসরূক (রহঃ) আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে বললাম, হে উম্মুল মুমিনীন! মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সাহাবীদের দুইজন ব্যক্তির মধ্যে একজন ব্যক্তি ইফতার ও সালাত ত্বরান্বিত করে এবং অন্যজন ইফতার ও সালাত বিলম্ব করে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কোন ব্যক্তি যে ইফতার ও সালাত ত্বরান্বিত করে? আমরা বললাম, আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ)। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এভাবেই করতেন। আবু কুরাইব বলেন, অপরজন হলেন, আবু মূসা (রাঃ)।
২৪৪৭
সাহরীর ফযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ‘আতিয়্যাহ্‌ (রহঃ)
আমি ও মাসরূক আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। এরপর মাসরূক তাঁকে বললেন, মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সাহাবীদের মধ্যে দুইজন ব্যক্তি যারা কল্যাণজনক কাজে কোন প্রকার অবহেলা প্রদর্শন করেন না, তাঁদের একজন মাগরিব এবং ইফতারের মধ্যে ত্বরা করেন। আর অপরজন মাগরিব ও ইফতারে বিলম্ব করেন।তিনি বললেন, কোন ব্যক্তি সে মাগরিব ও ইফতারে ত্বরা করেন? তিনি বললেন, তিনি আবদুল্লাহ। তখন আয়িশা (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরূপই করতেন।
২৪৪৮
সওমের সময় পূর্ণ হওয়া এবং দিবস সমাপ্ত হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন রাত আসে, দিন চলে যায় এবং সূর্য অদৃশ্য হয়ে যায়, তখন সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে। ইবনু নুমায়র (রহঃ) فَقَدْ শব্দটি উল্লেখ করেননি।
২৪৪৯
সওমের সময় পূর্ণ হওয়া এবং দিবস সমাপ্ত হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু আওফা (রাঃ)
রমজান মাসে কোন এক সফরে আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গী ছিলাম। সূর্য ডুবে গেলে তিনি বললেন, “হে অমুক! অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো।” সে বলল, “ইয়া রাসূলুল্লাহ! এখনো দিন রয়ে গেছে।” পুনরায় তিনি বললেন, “অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো।” তখন সে অবতরণ করল এবং ছাতু গুলে তাঁর নিকট পেশ করল। নবী (ﷺ) পান করলেন এবং হাত দ্বারা ইঙ্গিত করে বললেন, “সূর্য এদিক থেকে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং রাত যখন এদিক থেকে ঘনিয়ে আসবে, তখন সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।”
২৪৫০
সওমের সময় পূর্ণ হওয়া এবং দিবস সমাপ্ত হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)
এক সফরে আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। যখন সূর্য অদৃশ্য হয়ে গেল তখন তিনি এক ব্যক্তিকে বললেন, “অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো।” সে বলল, “ইয়া রাসূলুল্লাহ! সন্ধ্যা হতে দিন।” পুনরায় তিনি বললেন, “অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো।” সে বলল, “দিন আমাদের আরো বাকী রয়েছে।” এরপর সে অবতরণ করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য ছাতু গুলে আনলো। তিনি পান করলেন এবং হাত দ্বারা পূর্বদিকে ইঙ্গিত করে বললেন, “যখন তোমরা দেখবে যে, এদিক থেকে রাত ঘনিয়ে আসছে, তখন সিয়াম পালনকারীর ইফতারের সময় হবে।”