৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৪৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৪৩১
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কাউকেও যেন বিলালের আযান অবশ্যই তার সাহরি খাওয়া হতে বিরত না রাখে। কেননা সে রাতেই আযান দেয়, যাতে তোমাদের কিয়ামকারীগণ সাহরি খেতে শুরু করে এবং ঘুমন্ত ব্যক্তি সাহরি খাওয়ার জন্য জাগে। তিনি তাঁর হাতে আঙ্গুল ফাঁকা করে দুজনের আযানের সময়ের ব্যবধান বুঝালেন।
২৪৩২
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
সুলায়মান আত্ তায়মী (রহঃ)
এ সনদে হাদিস বর্ণিত হয়েছে, তবে তিনি বলেছেনঃ এটাকে ফজর বলে না- এ বলে তিনি তাঁর আঙ্গুলগুলো একত্র করলেন অতঃপর তা মাটির (পৃথিবীর) দিকে উল্টালেন। বরং ফজর এটাকে বলে- এ বলে তাসবিহ পাঠের আঙ্গুলের উপর আরেক তাসবিহ পাঠের আঙ্গুল স্থাপন করে তাঁর দুই হাত সম্প্রসারণ করলেন।
২৪৩৩
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ্, ইসহাক্ব ইবনু ইবরাহীম, জারীর ও মু’তামির উভয়েই সুলায়মান আত্ তায়মী (রহঃ)
অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। মু’তামির-এর হাদিস এ পর্যন্ত শেষ হয়েছে “তোমাদের ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগিয়ে দেন; বরং কিয়ামকারীদেরকে ফিরিয়ে দেন”। জারীরের হাদিসে এ কথাও আছে যে, লম্বা রেখাকে ফজর বলে না; বরং ফজর বলে প্রশস্ত আলোকে।
২৪৩৪
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদুব (রাঃ)
আমি মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছি, তিনি বলেছেন, ‘বিলালের আহ্বান যেন তোমাদেরকে সাহরি খাওয়া থেকে ধোঁকায় না ফেলে এবং এ শুভ্র রেখাও; যতক্ষণ পর্যন্ত তা বিস্তৃত হয়ে প্রতিভাত হয়।’
২৪৩৫
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
সামুরাহ্‌ ইবুন জুনদুব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ বিলালের আজান যেন তোমাদেরকে ধোঁকায় না ফেলে এবং এ শুভ্র রেখা যা স্তম্ভের ন্যায় দেখা যায়, যতক্ষণ না তা বিস্তৃত উদ্ভাসিত হবে।
২৪৩৬
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদুব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ বিলালের আযান এবং আকাশ প্রান্তে এ লম্বা রেখা যেন তোমাদেরকে সাহরী খাওয়ার ব্যাপারে ধোঁকায় না ফেলে যতক্ষণ পর্যন্ত না এ শুভ্র রেখা পূর্বাকাশে এভাবে বিস্তৃত হয়। হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, এ সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর উভয় হাত দ্বারা আড়াআড়ি হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।
২৪৩৭
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদুব (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেনঃ বিলালের আজান এবং এই শুভ্র রেখা যেন তোমাদেরকে ধোঁকায় না ফেলে যতক্ষণ পর্যন্ত না সুবহে সাদিক সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত হয়।
২৪৩৮
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
সামুরাহ্ ইবুন জুনদুব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অনুরূপ আলোচনা করেছেন।
২৪৩৯
সাহরীর ফযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা সাহরী খাও, সাহরীতে বরকত রয়েছে।
২৪৪০
সাহরীর ফযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আম্‌র ইবনু ‘আস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: আমাদের ও কিতাবীদের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হল সাহরি খাওয়া।