৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৪৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৪২১
মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী : “ঈদের দু’মাস অসম্পূর্ণ হয় না” [৪] সহীহ ও গ্রহণযোগ্য কথা হলো, এ উভয় মাসের সাওয়াব কোন অবস্থায় ঘাটতি পড়বে না ত্রিশ দিনে হোক বা ঊনত্রিশ দিনে। ফলকথা এই যে, একদিন কম হওয়ার কারণে যে, সাওয়াবও কম হবে তা নয়, আবার কেউ বলেছেন, একই বছরে উভয় মাস ঊনত্রিশ দিনে হয় না। যদি এক মাস ঊনত্রিশ দিনে হয় তবে অন্য মাস ত্রিশ দিনে। আবার কেউ বলেছেন, সাওয়াবের দিক দিয়ে উভয় মাস সমান অর্থাৎ রমাযানে সওম পালন আছে অন্য দিকে যিলহাজ্জ মাসে আছে হাজ্জ পালন। কিন্তু এ সকল অভিমত সঠিক নয় দুর্বল বরং সঠিক কথা তাই যা প্রথমে বলা হয়েছে।
আব্দুর রহমান ইবুন আবূ বাক্‌রাহ্‌ তার পিতা (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ ‘ঈদের দুই মাস অসম্পূর্ণ হয় না। সে মাস দুইটি হলো রমজান ও যিলহজ্জ।
২৪২২
মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী : “ঈদের দু’মাস অসম্পূর্ণ হয় না” পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাক্‌রাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেনঃ ঈদের দু’মাস অসম্পূর্ণ হয় না। খালিদের বর্ণিত হাদিসে আছেঃ ঈদের দু’মাস হচ্ছে রমজান এবং যিলহজ।
২৪২৩
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ)
যখন এ আয়াত “তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ তোমাদের সামনে কালো রেখা থেকে সাদা রেখা সুস্পষ্ট হয়ে না উঠে” - (সূরা আল বাকারা ২ : ১৮৭) নাজিল হলো, তখন আদি ইবন হাতিম (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার বালিশের নিচে একটি কালো ও একটি সাদা রঙের রশি রেখে দিয়েছি। এগুলোর দ্বারা আমি রাত ও দিনের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করে থাকি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (হাসি-ঠাট্টাচ্ছলে) বললেন, তোমার বালিশ তো খুবই চওড়া। জেনে রাখো, এ-তো রাতের অন্ধকার ও দিনের শুভ্রতা।
২৪২৪
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ)
وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ “তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ তোমাদের সামনে কালো রেখা থেকে সাদা রেখা সুস্পষ্ট হয়ে না উঠে”- (সূরা আল-বাকারা ২ : ১৮৭) নাজিল হল, তখন লোকেরা একটি কালো এবং একটি সাদা রশি রাখত। তারা উভয় রশি সুস্পষ্টভাবে প্রতিভাত না হওয়া পর্যন্ত খেতে থাকত। এরপর মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তা’আলা مِنَ الْفَجْرِ (ফজরের) কথাটি নাজিল করে বিষয়টির অস্পষ্টতা ও জটিলতা দূরীভূত হলো।
২৪২৫
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ)
যখন এ আয়াত- وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ “তোমরা সাদা রেখা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত পানাহার কর” অবতীর্ণ হলো- কোন ব্যক্তি সিয়াম (রোজা) পালন করার ইচ্ছা করত এবং নিজের উভয় পায়ে সাদা ও কালো দুটি সুতা বেঁধে নিত। অতঃপর সাদা ও কালো বর্ণ স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত পানাহার করতে থাকত। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা “ফজরের” কথাটি অবতীর্ণ করলেন। তখন তারা সকলেই জানতে পারল যে, সাদা ও কালো রেখার অর্থ হলো রাত (রাতের অন্ধকার) ও দিন (দিনের আলো)।
২৪২৬
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: “বিলাল রাত থাকতে আজান দেয়। তাই তোমরা ইবনু মাকতুমের আজান শুনতে না পাওয়া পর্যন্ত পানাহার করতে থাক”।
২৪২৭
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
বর্ণিত। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। তাই তোমরা ইবনু মাকতুমের আযান না শুনা পর্যন্ত পানাহার করতে থাক”।
২৪২৮
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দুইজন মুয়াজ্জিন ছিলেন, তারা হলেন বিলাল (রাঃ) ও ইবন উম্মু মাকতুমের অন্ধ ছেলে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: বিলাল (রাঃ) রাতে আযান দেন। অতএব ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ) আযান না দেয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার কর। বর্ণনাকারী বলেন: দু’জনের আযানের ব্যবধান ছিল যে, একজন আযান দিয়ে নামতেন, অপরজন আযান দিতে আরোহণ করতেন।
২৪২৯
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
২৪৩০
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সালাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব, ইবনুল মুসান্না এরা ‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ)
ইবনু নুমায়েরের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।