৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৩৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৩৪১
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
একবার আলী (রাঃ) ইয়ামান থেকে কিছু অপরিশোধিত স্বর্ণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে পাঠালেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা চার ব্যক্তি যথা- (১) আকরা ইবন হাবিস আল হানযালী, (২) উয়াইনাহ ইবনু বাদর আল ফাযারী, (৩) আলকামা ইবন উলাসা আল আমিরী ও (৪) বানী কিলার গোত্রীয় এক ব্যক্তির মধ্যে বন্টন করলেন এবং এরপর তায়ী গোত্রীয় যায়দ আল খায়র ও বানী নাব্হান গোত্রের এক ব্যক্তিতে এ থেকে দান করলেন।এতে কুরাইশ গোত্রের লোকেরা ক্ষেপে গিয়ে বললেন, “আপনি কেবল নাজদের নেতৃস্থানীয় লোকদের দান করেছেন আর আমাদের বাদ দিচ্ছেন, এটা কেমন ব্যাপার?”এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ আমি তাদের শুধু চিত্তাকর্ষণ অর্থাৎ তাদের অন্তরে ইসলামের প্রতি ভালবাসা ও অনুরাগ সৃষ্টির জন্য দিচ্ছি। এমন সময় ঘন দাড়ি, স্ফীত গাল, গর্তে ঢোকা চোখ, উঁচু ললাট ও নেড়া মাথা বিশিষ্ট এক ব্যক্তি এসে বললঃ হে মুহাম্মাদ! আল্লাহকে ভয় কর।তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ আমিই যদি আল্লাহর অবাধ্য হই, তাহলে কে তাঁর অনুগত হবে? আল্লাহ আমাকে দুনিয়াবাসীদের জন্য আমানতদার হিসেবে পাঠিয়েছেন আর তুমি আমাকে আমানতদার মনে করছো না।এরপর লোকটি ফিরে চলে গেল। উপস্থিত লোকদের মধ্যে এক ব্যক্তি তাকে হত্যা করার অনুমতি চাইল। লোকদের ধারণা, হত্যার অনুমতি প্রার্থী ছিলেন খালিদ ইবনু ওয়ালিদ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ এর মূলে এমন একটি সম্প্রদায় রয়েছে যারা কুরআন পাঠ করে অথচ তাদের এ পাঠ কন্ঠনালী অতিক্রম করে না (অর্থাৎ হৃদয়ে আবেদন সৃষ্টি করে না)। এরা ইসলামের অনুসারীদের হত্যা করে এবং মূর্তিপূজারীদের ছেড়ে দেয়। তীর যেভাবে শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায় তারাও অনুরূপভাবে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যায়। যদি আমি তাদেরকে পেতাম তাহলে তাদেরকে এমনভাবে হত্যা করতাম যেভাবে আদ সম্প্রদায়ের লোকদেরকে হত্যা করা হয়েছে (অর্থাৎ সমূলে নিপাত করতাম)।
২৩৪২
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
একবার আলী (রাঃ) ইয়ামান থেকে বাবুল গাছের ডাল দিয়ে রঙ্গিন করা একটি চামড়ার থলিতে করে কিছু অপরিশোধিত স্বর্ণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে পাঠালেন। তিনি তা চার ব্যক্তির মধ্যে বণ্টন করলেন। তারা হলো: উয়াইনাহ ইবন হিসন, আকরা ইবন হাবিস, যায়দ আল খায়ল এবং চতুর্থ ব্যক্তি হয় আলকামা ইবন উলাসা অথবা আমির ইবন তুফায়ল। তাঁর সাহাবীদের মধ্যে এক ব্যক্তি বলল, তাদের তুলনায় আমরা এর হকদার ছিলাম।বর্ণনাকারী বলেন, এ খবর নবী (ﷺ)-এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেন: “আসমানের অধিবাসীদের কাছে আমি আমানতদার বলে গণ্য অথচ তোমরা কি আমাকে আমানতদার মনে করছ না? আমার কাছে সকাল-সন্ধ্যায় আসমানের খবর আসছে।” অতঃপর গর্তে ঢোকা চোখ, ফোলা গাল বা স্ফীত গাল, উঁচু কপাল, ঘন দাড়ি, নেড়া মাথা বিশিষ্ট এক ব্যক্তি নিজের পরনের কাপড় সাপটে ধরে অপবাদের সুরে দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আল্লাহকে ভয় করুন। তিনি বললেন: তোমার সর্বনাশ! পৃথিবীর মাঝে আমিই কি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় করার অধিকারি নই? অতঃপর ওই ব্যক্তি চলে গেলে খালিদ ইবন ওয়ালিদ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমি কি তার ঘাড়ে আঘাত হানব না, হত্যা করব না?তিনি বললেন: না, কারণ হয়তো সে সালাত আদায়কারী হতে পারে। খালিদ (রাঃ) বললেন, অনেক নামাজ আদায়কারী আছে যে মুখে এমন কথা বলে যা তার অন্তরের বিপরীত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: মানুষের অন্তর বা পেট চিরে দেখার জন্য আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়নি।রাবী বলেন, অতঃপর তিনি বললেন, এর মূল থেকে এমন সব লোকের আবির্ভাব হবে যারা সহজেই আল্লাহর কিতাব (কুরআন) পড়বে, কিন্তু এ পাঠ তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়। রাবী বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছেন: যদি আমি তাদেরকে পাই, তাহলে সামুদ জাতির ন্যায় তাদেরকে হত্যা করব।
২৩৪৩
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনুল ক্বা’ক্বা’ (রহঃ)
এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে আলকামা ইবন উলাসা (রাঃ)-এর নাম উল্লেখ আছে, আমির ইবন তুফাইলের নাম উল্লেখ নেই। এ বর্ণনায় ‘স্ফীত কপাল’ উল্লেখ আছে এবং ‘নাশিযু’ শব্দের উল্লেখ নেই। এতে আরো আছে, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)! আমি কি তার ঘাড়ে আঘাত হানব না? তিনি বললেন, না।তিনি আরো বললেন, অচিরেই এদের বংশ থেকে এমন একটি দলের আবির্ভাব হবে যারা সুমিষ্ট সুরে সহজে কুরআন পাঠ করবে। উমর (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছেন, আমি যদি তাদের সাক্ষাৎ পেতাম তাহলে সামূদ জাতির মতো হত্যা করতাম।
২৩৪৪
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনুল ক্বা’ক্বা’ (রহঃ)
কিছুটা শাব্দিক পার্থক্যসহকারে এ সূত্রে উপরের হাদিস অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এখানে অতিরিক্ত বলা হয়েছে যে, চার ব্যক্তির মধ্যে যায়দ আল-খায়ের, আল-আকরা ইবন হাবিস, উয়াইনা ইবন হিসন ও আলকামা ইবন উলাসা অথবা আমির ইবন তুফাইল ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর কপাল ছিল উঁচু। হাদিসটি আবদুল ওয়াহিদের হাদিসের অনুরূপ। তিনি আরো বলেন, নিশ্চয়ই এ ব্যক্তির বংশ থেকে এমন একদল লোক বের হবে এবং তিনি এ কথা উল্লেখ করেননি যে, “যদি আমি তাদেরকে পাই, তবে অবশ্যই সামূদ জাতির মত তাদেরকে হত্যা করব।”
২৩৪৫
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সালামাহ্ ও ‘আত্বা ইবনু ইয়াসার (রাঃ)
তারা উভয়ে আবু সাঈদ আল খুদরী (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে হারুরিয়া (খারিজী জাতি) সম্পর্কে কোন মন্তব্য করতে শুনেছেন?তিনি বলেন, ‘হারুরিয়া’ কে তা আমি জানি না, তবে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ “এ উম্মাতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে (কিন্তু তিনি তখনকার উম্মাতকে নির্দিষ্ট করে বলেননি) যাদের সালাতের তুলনায় তোমরা নিজেদের সালাতকে নিম্নমানের মনে করবে। তারা কুরআন পাঠ করবে, অথচ এ পাঠ তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে- তীর ছুঁড়লে যেভাবে বেরিয়ে যায়।অতঃপর শিকারী তার ধনুক, তীরের ফলা এবং এর পালকের দিকে লক্ষ্য করে। সে এর লক্ষ্যবস্তুর দিকে দৃষ্টি প্রসারিত করে চিন্তা করে তীরের কোন অংশ রক্তে রঞ্জিত হয়েছে কিনা (অর্থাৎ তাদের মধ্যে ইসলামের নামগন্ধ এবং সামান্যতম চিহ্নও থাকবে না)।
২৩৪৬
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
একদা আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম এবং তিনি কিছু জিনিস বণ্টন করছিলেন। এমন সময় বানী তামীম গোত্রের যুল-খুওয়াই সিরাও নামক এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! ইনসাফ করুন।’ তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ‘হতভাগ্য, তোমার জন্য আফসোস! আমি যদি ইনসাফ না করি, তাহলে কে ইনসাফ করবে? আমি যদি ইনসাফ না করি তাহলে তুমি তো ক্ষতিগ্রস্ত ও বিফল হয়ে যাবে।’ অতঃপর উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে তার শিরোশ্ছেদ করার অনুমতি দিন।’ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ‘তাকে ছেড়ে দাও, কেননা তার কিছু সঙ্গী সাথী রয়েছে যাদের সালাত ও সিয়ামের তুলনায় তোমাদের সালাত ও সিয়াম তুচ্ছ মনে হবে। তারা কুরআন পাঠ করবে অথচ তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তীর যেভাবে শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়, তারাও সেভাবে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাবে। অতঃপর সে (ধনুকধারী) তীরের ফলার মূলভাগ পরীক্ষা করে দেখে। এতেও সে কিছুই দেখতে পায় না, তারপর সে তীর পরীক্ষা করে দেখে এতেও সে দেখে না। অবশেষে সে তীরের পালক পরীক্ষা করে দেখে এতেও সে কিছু পায় না, তীর এত দ্রুত গতিতে বেরিয়ে যায় যে, রক্ত বা মলের দাগ এতে লাগতে পারে না। এ সম্প্রদায়কে চেনার উপায় হলো, এদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তির আবির্ভাব হবে যার এক বাহুতে মহিলাদের স্তনের ন্যায় একটি অতিরিক্ত মাংসপেশী থাকবে এবং তা থলথল করতে থাকবে। এদের আবির্ভাব এমন সময় হবে যখন মানুষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেবে।’ আবু সাঈদ (রাঃ) বলেন, ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এ কথা আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে শুনেছি এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আলী ইবন আবু তালিব (রাঃ) তাদের সাথে যখন যুদ্ধ করেছিলেন, আমি স্বয়ং তার সাথে ছিলাম। অতঃপর তিনি উল্লেখিত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে আনার জন্য নির্দেশ দিলেন। তাকে খুঁজে পাওয়া গেল এবং আলীর সামনে উপস্থিত করা হলো। আমি তাকে প্রত্যক্ষ করে দেখলাম তার মধ্যে সব চিহ্ন ও বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান রয়েছে যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্বন্ধে বলেছেন।
২৩৪৭
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
নবী (ﷺ) এমন এক সম্প্রদায়ের কথা উল্লেখ করলেন যারা তার কওমের মধ্যে আবির্ভাব হবে। সমাজে তখন বিভেদ বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়বে, এ সময় তারা আত্মপ্রকাশ করবে। আর তাদেরকে চেনার উপায় হলো - তারা নেড়া মাথা বিশিষ্ট হবে। তিনি আরো বলেছেন, এরা হবে নিকৃষ্টতম সৃষ্টির নিকৃষ্ট লোক। তাদের দু’দলের মধ্যে এমন দলটি হত্যা করবে যারা হবে হকের নিকটতর। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর নবী (ﷺ) তাদের সম্পর্কে একটি উদাহরণ অথবা একটি কথা বলেন। তা হলো - কোন ব্যক্তি শিকারের দিকে অথবা লক্ষ্যবস্তুর দিকে তীর নিক্ষেপ করল। অতঃপর সে তীরের ফলার দিকে লক্ষ্য করল, কিন্তু কোন চিহ্ন দেখতে পায় না। সে তীরের দিকে তাকিয়ে দেখে - তাতেও কোন চিহ্ন দেখতে পায় না। আবূ সাঈদ (রাঃ) বলেন, হে ইরাকের অধিবাসীগণ! তোমরাই তাদেরকে [আলী (রাঃ) -এর সাথে মিলে] হত্যা করেছ।
২৩৪৮
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন মুসলিমদের মধ্যে কলহ ও মতভেদ সৃষ্টি হবে তখন একদল লোক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এবং এ দু’দলের মধ্যে যেটি হকের অধিকতর নিকটবর্তী হবে সেটিই ঐ সম্প্রদায়কে হত্যা করবে।
২৩৪৯
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার উম্মত দুই দলে বিভক্ত হয়ে পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এর মধ্যে যে দলটি হকের অধিকতর নিকটবর্তী হবে সেটিই ঐ সম্প্রদায়কে হত্যা করবে।
২৩৫০
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ “লোকদের মাঝে যখন কলহ ও বিবাদের সৃষ্টি হবে তখন একদল লোক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এর মধ্যে যে দলটি হকের অধিকতর নিকটবর্তী হবে সেটিই অপরটিকে হত্যা করবে।”