৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৩৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৩৩১
ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মুয়াল্লিফাতে কুলুবকে দান করা এবং দৃঢ় ঈমানের অধিকারীকে না দেয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
হুনায়নের যুদ্ধে হাওয়াজিন, গাতফান ও অন্যান্য গোত্রের লোকেরা তাদের সন্তান-সন্ততি ও গবাদি পশু নিয়ে এবং নবী (ﷺ) দশ হাজারের এক বিরাট বাহিনী এবং মক্কার তুলাকাদের নিয়ে সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেন। তুমুল যুদ্ধের মুখে এরা সবাই পিছে হটে গেল এবং (নবী ﷺ) একা যুদ্ধ ক্ষেত্রে রয়ে গেলেন। সেদিন তিনি দু’টি ডাক দিলেন কিন্তু এর মাঝখানে কোন কথা বলেননি। প্রথমে তিনি ডান দিকে ফিরে ডাক দিয়ে বললেনঃ “হে আনসার সম্প্রদায়”! তারা তাঁকে সাড়া দিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার সাথেই আছি- আপনি এ সুসংবাদ গ্রহণ করুন। অতঃপর তিনি বাম দিকে ফিরে পুনরায় ডেকে বললেনঃ হে আনসার সম্প্রদায়! তারা ডাকে সাড়া দিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার সাথেই আছি, আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন।বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় তিনি (ﷺ) সাদা বর্ণের একটি খচ্চরের পিঠে উপবিষ্ট ছিলেন। অতঃপর তিনি নীচে নেমে এসে বললেন, “আমি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রসূল! মুশরিকরা পরাজিত হলো, গনীমাতের অনেক মাল রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হস্তগত হলো। তিনি এসব মাল মুহাজির ও তুলাকাদের মধ্যে বন্টন করে দিলেন। তিনি আনসারদের এ থেকে কিছুই দিলেন না। এতে অসন্তুষ্ট হয়ে আনসারগণ বললেন, “বিপদের সময় আমাদের ডাকা হয়, আর গনীমাত বন্টনের সময় মজা লুটে অন্যরা।তাঁদের এ উক্তি তাঁর কানে গিয়ে পৌঁছল। তিনি তাদেরকে একটি তাঁবুর নীচে একত্র করে বললেন, হে আনসার সম্প্রদায়! তোমাদের পক্ষ থেকে কী কথা আমার কাছে পৌঁছেছে? তাঁরা সবাই নীরব হয়ে গেলেন। হে আনসার সম্প্রদায়! তোমরা কি এতে খুশি নও যে, অন্যান্য লোক দুনিয়া নিয়ে ঘরে ফিরবে আর তোমরা মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে সঙ্গে নিয়ে ফিরবে? তারা (উত্তরে) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা এতে খুশি আছি।রাবী বলেন, অতঃপর নবী (ﷺ) বললেন, “যদি অন্য লোকেরা এক গিরিপথের দিকে যায় আর আনসারগণ অন্য গিরিপথে চলে তাহলে আমি আনসারদের পথই অনুসরণ করব।বর্ণনাকারী হিশাম বলেন, “আমি আনাসকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আবু হামজা! আপনি কি তখন উপস্থিত ছিলেন? তিনি বললেন, আমি তাঁকে ছেড়ে কোথায় যাব?”
২৩৩২
ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মুয়াল্লিফাতে কুলুবকে দান করা এবং দৃঢ় ঈমানের অধিকারীকে না দেয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
আমরা মাক্কা বিজয় করার পর হুনায়নের যুদ্ধ করলাম। আমি দেখেছি এ যুদ্ধে মুশরিকরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সুবিন্যস্তভাবে কাতারবন্দী হয়েছিল। এদের প্রথম সারিতে অশ্বারোহীগণ, তারপর পদাতিকগণ, এদের পিছনে স্ত্রীলোকেরা, যথাক্রমে বকরী ও অন্যান্য গবাদি পশুগুলো সারিবদ্ধ হয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা সংখ্যায় অনেক লোক ছিলাম। আমাদের সংখ্যা প্রায় ছয় হাজার পৌঁছে ছিল। আমাদের একদিকে খালিদ ইবন ওয়ালিদ (রাঃ) আমাদের অশ্বারোহী বাহিনীর অধিনায়ক ছিলেন। যুদ্ধের এক পর্যায়ে আমাদের ঘোড়া পিছু হটতে লাগল। এমনকি আমরা টিকে থাকতে পারছিলাম না। বেদুঈনরা পালাতে শুরু করল। আমার জানা মতে আরো কিছু লোক পালিয়ে গেল।তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রথম মুহাজিরদের ডেকে বললেন, “হে মুহাজিরগণ! হে মুহাজিরগণ!” অতঃপর আনসারদের ডেকে বললেন, “হে আনসারগণ! হে আনসারগণ!” আনাস (রাঃ) বলেন, এ হাদিস আমার নিকট অন্য লোক বর্ণনা করেছেন অথবা তিনি বলেছেন, আমার চাচা বর্ণনা করেছেন। রাবি বলেন, আমরা তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার সাথেই আছি।” অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সামনে অগ্রসর হলেন।আনাস (রাঃ) আরো বলেন, আল্লাহর শপথ! আমাদের পৌঁছার পূর্বেই আল্লাহ তা’আলা তাদের পরাজিত করবেন এবং আমরা তাদের সকল প্রকার মাল হস্তগত করলাম। তারপর আমরা তায়েফে গেলাম। তায়েফের অধিবাসীদের চল্লিশ দিন যাবৎ অবরোধ করে রাখলাম, অতঃপর আমরা মাক্কায় ফিরে আসলাম এবং অভিযান সমাপ্ত করলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রত্যেক ব্যক্তিকে একশটি করে উট দিলেন ও অতঃপর হাদিসের বাকী অংশ কাতাদাহ, আবু তাইয়্যাহ ও হিশাম ইবন যায়দ বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ।
২৩৩৩
ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মুয়াল্লিফাতে কুলুবকে দান করা এবং দৃঢ় ঈমানের অধিকারীকে না দেয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু সুফিয়ান ইবন হারব, সফওয়ান ইবন উমাইয়া, উয়াইনাহ ইবন হিসন ও আকরা ইবন হাবিসকে একশটি করে উট দিলেন এবং আব্বাস ইবন মিরদাসকে এদের চেয়ে কিছু কম দিলেন। তখন মিরদাস এ কবিতা পাঠ করলেনঃআপনি কি আমার ও আমার উবায়দ নামক ঘোড়াটির অংশ উয়াইনাহ ও আকরা-কে প্রদত্ত অংশের মাঝামাঝি নির্ধারণ করেছেন? বস্তুতঃ উয়াইনাহ এবং আকরা উভয়ই সমাজ ও সমাবেশে মিরদাসের চেয়ে অধিক অগ্রসর হতে বা শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারে না। আর প্রতিযোগিতায় আমি তাদের দু’জনের তুলনায় পিছিয়ে নেই। আজ যে অনগ্রসর ও হীন বলে গণ্য হবে সে আর ঊর্ধ্বে উঠতে সক্ষম হবে না।বর্ণনাকারী বলেন, এ কবিতা শুনে রসূলুল্লাহ (ﷺ) তার উটের সংখ্যাও একশ পূর্ণ করে দিলেন।
২৩৩৪
ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মুয়াল্লিফাতে কুলুবকে দান করা এবং দৃঢ় ঈমানের অধিকারীকে না দেয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনু সা’ঈদ ইবনু মাসরূক্ব (রহঃ)
নবী (ﷺ) হুনায়েন যুদ্ধে প্রাপ্ত গনীমাতের মাল বণ্টন করলেন এবং আবু সুফিয়ানকে একশ উট দিলেন। ..... অবশিষ্ট অংশ উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আরো আছে- তিনি আলকামা ইবন উলাসা-কেও একশ উট দিলেন।
২৩৩৫
ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মুয়াল্লিফাতে কুলুবকে দান করা এবং দৃঢ় ঈমানের অধিকারীকে না দেয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনু সা’ঈদ
উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে আলকামা ইবন উলাসা এবং সফওয়ান ইবন উমাইয়া নাম উল্লেখ নেই। তাছাড়া হাদিসে কবিতারও উল্লেখ নেই।
২৩৩৬
ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মুয়াল্লিফাতে কুলুবকে দান করা এবং দৃঢ় ঈমানের অধিকারীকে না দেয়া প্রসঙ্গেইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মুয়াল্লিফাতে কুলুবকে দান করা এবং দৃঢ় ঈমানের অধিকারীকে না দেয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)
হুনায়নের যুদ্ধে জয়লাভ করার পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) গনীমাতের মাল মুআল্লাফাতুল কুলুব-দের মধ্যে বণ্টন করলেন। অতঃপর তিনি জানতে পারলেন যে, অন্যান্য লোকেরা যেভাবে গনীমাতের মাল পেয়েছে আনসারগণও অনুরূপ পেতে চায়। তাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়িয়ে তাঁদের উদ্দেশ্যে খুতবা দান করলেন।খুতবার শুরুতে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করার পর বললেনঃ “হে আনসার সম্প্রদায়! আমি কি তোমাদের পথভ্রষ্ট, দারিদ্র্য ও পরস্পর বিচ্ছিন্ন পাইনি?” তারপর আমার মাধ্যমে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের সঠিক পথের সন্ধান দিয়েছেন, দারিদ্র্যের অভিশাপ হতে মুক্ত করে ধনী করেছেন। আর তাঁরা বলতেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অত্যন্ত আমানতদার। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা আমার কথার জবাব দিচ্ছ না কেন? তখন তাঁরা বললেন, অত্যন্ত আমানতদার। (অর্থাৎ তিনি যা করেছেন ঠিক করেছেন এবং এতে আমরা রাযী আছি)। অতঃপর তিনি বললেন, যদি তোমরা এভাবে এভাবে বলতে চাও আর বাস্তবে কাজ এরূপ ও এরূপ হয়।আমর (রাঃ) বলেন, এই বলে তিনি কতগুলো জিনিসের কথা উল্লেখ করলেন যা আমি মনে রাখতে পারিনি। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, অন্যান্য লোকেরা ছাগল ও উট নিয়ে ঘরে ফিরে যাক আর তোমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে নিয়ে ঘরে ফিরে যাও? তিনি আরো বললেনঃ আনসারগণ হচ্ছে আচ্ছাদন (শরীরের সাথে লেগে থাকা আবরণ) আর অন্য লোকেরা আমাদের থেকে দূরের। যদি হিজরাত না হতো তাহলে আমি আনসারদের মাঠ ও গিরিপথেই যাব। আমার পরে তোমাদেরকে (দেয়ার ব্যাপারে) পিছনে ফেলে রাখা হবে। তখন তোমরা আমার সাথে হাওজের কাছে সাক্ষাৎ করা পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করবে।
২৩৩৭
ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মুয়াল্লিফাতে কুলুবকে দান করা এবং দৃঢ় ঈমানের অধিকারীকে না দেয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (রাঃ)
যখন হুনায়নের যুদ্ধ সংঘটিত হলো, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) গনীমাতের মাল দেয়ার ব্যাপারে কতক লোককে প্রাধান্য দিলেন, অর্থাৎ কতক লোককে বেশি দিলেন। সুতরাং তিনি আকরা ইবন হাবিসকে একশ উট দিলেন, উয়াইনাকে-ও অনুরূপ সংখ্যক উট দান করলেন এবং আরবের নেতৃস্থানীয় কিছু লোককেও অগ্রাধিকার দিলেন।এক ব্যক্তি বলল, আল্লাহর শপথ! এ বণ্টন ইনসাফ ভিত্তিক হয়নি এবং এর মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকেও লক্ষ্য রাখা হয়নি। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তখন মনে মনে বললাম, আল্লাহর শপথ! আমি এ কথা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে পৌঁছাব।রাবী বলেন, আমি তাঁর কাছে গিয়ে লোকটির উক্তি তাঁকে শুনালাম। ফলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুখমণ্ডল রক্তিম বর্ণ ধারণ করল। তিনি বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই যদি সুবিচার না করেন, তাহলে কে আর ইনসাফ করবে? তিনি পুনরায় বললেন: আল্লাহ তা’আলা মূসা (আঃ)-কে রহমত করুন, তাঁকে এর চেয়েও বেশি কষ্ট দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি ধৈর্য ধারণ করেছেন।বর্ণনাকারী বলেন, আমি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম, আজ থেকে আর কখনও এ ধরনের কোনো ব্যাপার তাঁকে জানাব না (কেননা এতে তাঁর কষ্ট হয়)।
২৩৩৮
ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মুয়াল্লিফাতে কুলুবকে দান করা এবং দৃঢ় ঈমানের অধিকারীকে না দেয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) গনীমাতের কিছু মাল বণ্টন করলেন। এক ব্যক্তি বলল, এ বণ্টনে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের দিকে লক্ষ্য রাখা হয়নি। বর্ণনাকারী বলেন, আমি নবী (ﷺ)-এর কাছে গিয়ে এ কথা তাঁকে চুপে চুপে অবহিত করলাম, এতে তিনি অত্যন্ত রাগান্বিত হলেন। ফলে সিদ্ধান্ত নিলাম এ ধরনের কথা তাঁকে আর কখনও বলব না। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি বললেনঃ মূসা (আঃ)-কে এর চেয়েও বেশী কষ্ট দেয়া হয়েছে এবং তিনি ধৈর্য ধারণ করেছেন।
২৩৩৯
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
হুনায়নের যুদ্ধ থেকে প্রত্যাবর্তন করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জি‘ইরানাহ নামক স্থানে অবস্থান করেছিলেন। বিলাল (রাঃ)-এর কাপড়ে কিছু রৌপ্য ছিল এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুঠি ভরে তা লোকদেরকে দিচ্ছিলেন।এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বলল- “হে মুহাম্মাদ! ইনসাফ কর।” তিনি বললেন, হতভাগা, আমিই যদি ইনসাফ না করি তাহলে কে ইনসাফ করবে? আর আমি যদি সুবিচার না করি তাহলে তুমি তো হতভাগ্য ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে।এ কথা শুনে উমর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে অনুমতি দিন আমি এ মুনাফিকটাকে হত্যা করি। তিনি বললেন, আমি আল্লাহর আশ্রয় কামনা করি। তাহলে লোক বলবে, আমি আমার সঙ্গী-সাথীদের হত্যা করি। আর এ ব্যক্তি ও তার সাথীরা কুরআন পাঠ করবে- কিন্তু তাদের এ পাঠ তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না (অর্থাৎ অন্তরে কোন প্রকার আবেদন সৃষ্টি করবে না)। তারা কুরআন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়।
২৩৪০
খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) গনীমতের মাল বণ্টন করছিলেন ..... পূর্বের হাদিসের অনুরূপ।