৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২২৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২২৮১
অন্যের কাছে হাত পাতার প্রতি নিষেধাজ্ঞা পরিচ্ছেদ নাই
আমর ইবনু দীনার থেকে ওয়াহ্ব ইবনু মুনাব্বিহ
আমি 'সানাআ' নামক স্থানে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে আখরোট দিয়ে আপ্যায়ন করলেন। তাঁর (ওহ্‌ব ইবন মুনাব্বিহ) ভাই বর্ণনা করেন, আমি আবু সুফিয়ান (রাঃ)-এর পুত্র মু’আবিয়া (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি ... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ।
২২৮২
অন্যের কাছে হাত পাতার প্রতি নিষেধাজ্ঞা পরিচ্ছেদ নাই
মু’আবিয়াহ্‌ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ)
তিনি খুতবা দেয়ার সময় বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ “আল্লাহ তা’আলা যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করেন। আমি জনৈক বণ্টনকারী আর দান করার মালিক আল্লাহ এবং তিনিই দিয়ে থাকেন।
২২৮৩
যে অভাবীর অভাব মানুষের নিকট প্রকাশের পূর্বে তাকে দান করা হয় তার প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “যারা মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে বেড়ায় এবং দুই এক গ্রাস খাবার বা দুই একটা খেজুর ভিক্ষা নিয়ে ফিরে যায় তারা (প্রকৃত) মিসকীন নয়।এ কথা শুনে সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে মিসকীন কে? (উত্তরে) তিনি (ﷺ) বললেন, মানবীয় মৌলিক প্রয়োজন মিটানোর মত সামর্থ্য যার নেই আর সমাজের মানুষও তাকে অভাবী বলে জানে না যাতে তাকে দান করতে পারে এবং সে নিজেও (মুখ খুলে) কারো কাছে কিছু চায় না।” (এ ব্যক্তি হলো প্রকৃত মিসকীন অর্থাৎ আর্থিক অনটনভুক্ত গরিব ভদ্রলোক)।
২২৮৪
যে অভাবীর অভাব মানুষের নিকট প্রকাশের পূর্বে তাকে দান করা হয় তার প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি দুই একটি খেজুর বা দুই এক গ্রাস খাবার ভিক্ষা চেয়ে বেড়ায় এবং এ নিয়ে চলে যায় সে মিসকীন নয়। বরং প্রকৃত মিসকীন ঐ ব্যক্তি, যে মানুষের কাছে হাত পাতে না। প্রকৃত মিসকীনের স্বরূপ জানতে চাইলে এ আয়াত পাঠ করো- “তারা মানুষের কাছে কাকুতি মিনতির সাথে হাত পাতে না”- (সূরা আল-বাকারা ২:২৭৩)।
২২৮৫
যে অভাবীর অভাব মানুষের নিকট প্রকাশের পূর্বে তাকে দান করা হয় তার প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
এ সূত্রেও ইসমাঈল বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
২২৮৬
মানুষের নিকট চাওয়া অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেন: তোমাদের কেউ কেউ মানুষের কাছে ভিক্ষা চাইতে চাইতে আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় মিলিত হবে যে, তার মুখমণ্ডলে গোশতের কোন টুকরা অবশিষ্ট থাকবে না।
২২৮৭
মানুষের নিকট চাওয়া অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
মা’মার (রহঃ) যুহরীর ভাই এর সুত্র হতে
উপরের হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে “টুকরা” শব্দটির উল্লেখ নেই।
২২৮৮
মানুষের নিকট চাওয়া অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
তিনি তার পিতাকে (আবদুল্লাহ) বলতে শুনেছেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অনবরত লোকের কাছে হাত পেতে প্রার্থনা (ভিক্ষা) করতে থাকবে। পরিণামে কেয়ামতের দিন যখন সে উপস্থিত হবে তার মুখমণ্ডলে গোশতের কোন টুকরা থাকবে না।
২২৮৯
মানুষের নিকট চাওয়া অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি (অভাবের তাড়না ছাড়াই) নিজের সম্পদ বাড়ানোর জন্য মানুষের কাছে সম্পদ ভিক্ষা করে বেড়ায় বস্তুতঃ সে আগুনের ফুলকি ভিক্ষা করছে। কাজেই এখন তার ভেবে দেখা উচিত সে বেশি নিবে না কম নিবে।”
২২৯০
মানুষের নিকট চাওয়া অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ “কোনো ব্যক্তি সকালে উঠে গিয়ে লাকড়ি সংগ্রহ করে তা নিজের পিঠে বহন করে এনে অপরকে দান করে এবং এ দিয়ে অপরের দ্বারস্থ হওয়া থেকে মুক্ত থাকে। তার এ কাজ মানুষের দরজায় দরজায় বেড়ানোর চেয়ে উত্তম—তারা কিছু দিক বা না দিক। কেননা উপরের হাত নিচের হাতের চেয়ে উত্তম। যাদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব তোমার উপর ন্যস্ত তাদের দিয়েই দান শুরু কর।”