৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২২০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২১৯১
যারা যাকাত আদায় করবে না তাদেরকে কঠোর শাস্তি দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কা’বা শরীফের ছায়ায় বসে ছিলেন। এমন সময় আমি তাঁর কাছে গিয়ে হাজির হলাম। হাদীসটির বাকি অংশে বর্ণনাকারী ওয়াকী’-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে, তিনি বলেছেনঃ “সে মহান প্রভুর শপথ যাঁর হাতে আমার জীবন! যেসব লোক উট, গরু ও ছাগল রেখে মারা যায় এবং যাকাত আদায় করেনি ....।”
২১৯২
যারা যাকাত আদায় করবে না তাদেরকে কঠোর শাস্তি দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যদি উহুদ পাহাড় আমার জন্য স্বর্ণে পরিণত হয় এবং তিন দিনের বেশি আমার কাছে এক দীনারও অবশিষ্ট থাকুক- এটা আমি চাই না। তবে আমার উপর যে ঋণ রয়েছে, তা পরিশোধ করার পরিমাণ অর্থ আমার কাছে থাকুক।
২১৯৩
যারা যাকাত আদায় করবে না তাদেরকে কঠোর শাস্তি দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ (রহঃ)
আমি আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে নবী (ﷺ)-এর উপরের হাদিসের অনুরূপ হাদিস শুনেছি।
২১৯৪
সদাক্বাহ্ প্রদানে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
একদা দুপুরের পর আমি নবী (ﷺ)-এর সাথে মাদীনার কঙ্করময় মাঠ দিয়ে চলছিলাম এবং আমরা উহুদ পাহাড়ের দিকে তাকাচ্ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেনঃ “যদি এ উহুদ পাহাড় আমার জন্য স্বর্ণে পরিণত হয় তাহলে তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ঋণ পরিশোধ করার পরিমাণ অর্থ ছাড়া অতিরিক্ত একটি দিনারও আমার কাছে অবশিষ্ট থাক তা আমি পছন্দ করি না। তা আমার হস্তগত হলে আমি আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এভাবে বণ্টন করে দিব।” তিনি সামনের দিকে, ডানে এবং বামে হাতের ইশারায় এক এক ভরা মুষ্টি দেখালেন।বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা আবার অগ্রসর হলাম। তিনি আবার বললেন, “হে আবূ যার! আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি হাজির আছি।’ তিনি বললেন, কেয়ামতের দিন অঢেল সম্পদের মালিকেরা কম সওয়াব লাভ করবে। তবে যারা সৎভাবে যথোচিতভাবে এভাবে দান করবে তাদের সওয়াব কোন অংশেই কম হবে না।” তিনি মুষ্টিভরে পূর্বের ন্যায় ইশারা করে দেখালেন।বর্ণনাকারী বলেন, আমরা চলতে থাকলাম। কিছু দূর অগ্রসর হলে তিনি বললেন, “হে আবূ যার! তুমি এখানে অপেক্ষা কর এবং আমার ফিরে না আসা পর্যন্ত কোথাও যাবে না।”বর্ণনাকারী বলেন, তিনি চলে গেলেন এবং আমার দৃষ্টির আড়াল হয়ে গেলেন। তারপর আমি কিছু গোলমাল ও শব্দ শুনতে পেয়ে মনে করলাম, বোধ হয় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন। আমি তাঁকে খোঁজার জন্য মনস্থ করলাম। কিন্তু সাথে সাথে এ স্থান ত্যাগ না করার জন্য তার নির্দেশ আমার মনে পড়ে গেল। তাই আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম।অতঃপর তিনি ফিরে আসলে আমি যা কিছু শুনেছিলাম তা তাকে জানালাম। তিনি বললেন, “তুমি যার শব্দ শুনেছ তিনি ছিলেন জিবরীল (আঃ)। তিনি আমার কাছে এসেছিলেন এবং আমাকে বলেছেন, “আপনার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন প্রকার শরীক না করা অবস্থায় মারা যাবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, “যদি সে যিনা করে এবং চুরি করে (তবুও কি)?” তিনি বললেন, “যদিও সে যিনা করে এবং চুরি করে তবুও।”
২১৯৫
সদাক্বাহ্ প্রদানে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
কোন এক রাতে আমি বাইরে বের হলাম। হঠাৎ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে একাকী চলতে দেখলাম, তাঁর সাথে অন্য কোন লোক ছিল না। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি ধারণা করলাম, তিনি বোধ হয় কাউকে সাথী করতে পছন্দ করছেন না, তাই এভাবে একাকী চলছেন (অন্যথায় সাহাবীগণ তো কোন সময়েই তাঁকে একাকী বের হতে দিতেন না)। আবু যর (রাঃ) বলেন, তাই আমি চাঁদের আলোকে বা ছায়ায় চলতে লাগলাম (যাতে তিনি আমাকে দেখতে না পান)। তিনি পিছনের দিকে ফিরে আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন কে? আমি বললাম “আবু যর! আল্লাহ আমাকে আপনার খিদমতে উৎসর্গকারী হিসেবে কবুল করুন”। তিনি বললেন, হে আবু যর! আমার সাথে এসো।আবু যর (রাঃ) বলেন, তারপর কিছু সময় তাঁর সাথে চলার পর তিনি বললেন, যারা এ পার্থিব জীবনে অগাধ সম্পদের মালিক তারা কেয়ামতের দিন নিঃস্ব হবে। তবে যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা সম্পদ দানের পর তারা নিজেদের সম্পদ ডানে, বামে, সামনে, পিছনে ছড়িয়ে দিবে এবং এর দ্বারা বিভিন্নমুখী পূণ্যের কাজ করবে তারা এর ব্যতিক্রম। (অর্থাৎ এরা ধনী হলেও পরকালে মর্যাদার দিক থেকে কোন প্রকার পিছিয়ে থাকবে না।) আবু যর (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি কিছু সময় তাঁর সাথে হাঁটার পর তিনি আমাকে বললেন, এখানে তুমি বসে থাক। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে এমন একটি পরিষ্কার স্থানে বসালেন যার চতুষ্পার্শে পাথর ছিল। তিনি আমাকে বললেন, আমার ফিরে আসা পর্যন্ত তুমি এখানে বসে থাকবে।আবু যর (রাঃ) আরও বললেন, অতঃপর তিনি পাথুরে মাঠের মধ্যে চলে গেলেন এবং এতদূরে গেলেন যে, আমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছিলাম না। সেখানে তিনি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অবস্থান করলেন। তারপর আমি তাঁকে আসতে আসতে এ কথা বলতে শুনলাম, “যদিও চুরি করে, যদিও যিনা করে।” তিনি যখন ফিরে আসলেন আমি আর ধৈর্য ধরতে পারলাম না। তাই তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গ হিসেবে কবুল করুন, ঐ পাথুরে স্থানে আপনি কার সাথে আলাপ করছিলেন? আমিতো আপনার কথার জবাব দানকারী কাউকে দেখতে পাইনি!তিনি বললেন, জিবরীল (আঃ)। পাথুরে স্থানে আমার আগেই তিনি এসেছিলেন এবং আমাকে বলেছেন, “আপনি আপনার উম্মতকে সুসংবাদ দিন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরীক না করা অবস্থায় মারা যাবে, সে জান্নাতে যাবে। “অতঃপর আমি বললাম, হে জিবরীল! যদি আমার সে উম্মত চুরি করে এবং যিনা করে? তিনি এবারও বললেন, তবুও। আমি পুনরায় বললামঃ যদিও সে চুরি করে এবং যিনায় লিপ্ত হয়? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যদিও সে মদ পান করে।
২১৯৬
সম্পদ পুঞ্জিভুতকারী ও তাদের শাস্তির ভয়াবহতা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
আহনাফ ইবনু ক্বায়স (রাঃ)
আমি মদীনায় আসার পর একদা কুরাইশদের এক সমাবেশে বসা ছিলাম। সেখানে তাদের (গোত্রীয় নেতা) দলপতিও উপস্থিত ছিল। এমন সময় মোটা কাপড় পরিহিত, সুঠাম দেহের অধিকারী ও রুক্ষ চেহারার এক ব্যক্তি আসল। এসে দাঁড়িয়ে বলল, সম্পদ কুক্ষিগতকারীদের সুসংবাদ দাও যে, একটি পাথর জাহান্নামের আগুনে উত্তপ্ত করে, তাদের কারো বুকের মাঝখানে রাখা হবে। এমনকি তার কাঁধের হাড় ভেদ করে বেরিয়ে যাবে এবং কাঁধের হাড়ের উপর রাখা হলে তা স্তনের বোঁটা ভেদ করে বেরিয়ে যাবে এবং পাথরটি (আগুনের উত্তাপের ফলে) কাঁপতে থাকবে।বর্ণনাকারী বলেন, উপস্থিত লোকেরা সবাই মাথা নত করে থাকল এবং তার বক্তব্যের প্রত্যুত্তরে কাউকে কিছু বলতে দেখলাম না। অতঃপর সে পিছন ফিরে এসে একটি খুঁটির কাছে বসে পড়ল, আমিও তাকে অনুসরণ করলাম। অর্থাৎ তার কাছে এসে বসলাম। অতঃপর আমি বললাম যে, এরা তো তোমার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছে বলে আমি দেখতে পাচ্ছি।তিনি (উত্তরে) বললেন, এরা (দ্বীন সম্পর্কে) কিছুই বোঝে না বা জ্ঞান রাখে না। আমার বন্ধুবর আবুল কাসেম (ﷺ) একবার আমাকে ডাকলেন এবং আমি উপস্থিত হলাম। অতঃপর তিনি বললেন, “তুমি উহুদ পাহাড় দেখতে পাচ্ছ? আমি তখন সূর্যের দিকে আমার দৃষ্টি নিবন্ধ করলাম এবং ধারণা করলাম তিনি হয়তো আমাকে কোন কাজে পাঠাবেন। আমি বললাম, হ্যাঁ দেখতে পাচ্ছি। অতঃপর তিনি বললেন, আমি এটা চাই না যে, এ পাহাড় আমার জন্য সোনা হোক আর যদি এত অঢেল সম্পদের মালিক আমি হয়েও যাই তাহলে ঋণ পরিশোধের জন্য, শুধু তিন দীনার রেখে বাকি সব খরচ করে দিব। অতঃপর এরা শুধু দুনিয়া সঞ্চয় করেছে, আর কিছুই বুঝছে না।বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাকে বললাম তুমি ও তোমার কুরাইশ গোত্রীয় ভাইদের কী হয়েছে; তুমি তাদের কাছে প্রয়োজনে কেন যাও না, মেলামেশা কর না আর কেন বা কোন কিছু গ্রহণ করো না? উত্তরে সে বললো, তোমার প্রভুর শপথ! আমি আল্লাহ তাঁর রাসূলের সাথে সাক্ষাতের পূর্বে (অর্থাৎ মৃত্যু পর্যন্ত) তাদের কাছে পার্থিব কোন কিছু চাই না এবং দ্বীন সম্পর্কেও কোন কিছু জিজ্ঞেস করব না।
২১৯৭
সম্পদ পুঞ্জিভুতকারী ও তাদের শাস্তির ভয়াবহতা সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
আহ্‌নাফ ইবনু ক্বায়স (রাঃ)
একদা আমি কুরাইশ গোত্রের কতিপয় লোকের সাথে বসা ছিলাম। এমন সময় আবূ যর (রাঃ) সেখানে এসে বলতে লাগলেন, অগাধ সম্পদ পুঞ্জিভূতকারীদেরকে এমন এক দাগের সুসংবাদ দাও যা পিঠে লাগানো হবে এবং পার্শ্বদেশ ভেদ করে বের হবে। আর ঘাড়ে লাগানো হবে এবং তা কপাল ভেদ করে বের হবে।অতঃপর তিনি এক পাশে গিয়ে বসলেন। আমি লোকদেরকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? তারা (উত্তরে) বলল, ইনি আবূ যর (রাঃ)। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি তাঁর কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললাম, একটু আগে আপনাকে যে কথাটি বলতে শুনলাম তা কী কথা ছিল? তিনি (আবূ যর) বললেন, আমি তো সে কথাই বলছিলাম যা আমি নবী (ﷺ)-এর কাছ থেকে শুনেছি। রাবী বলেন, আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম, এসব দান (অর্থাৎ আমীরগন গনীমাতের মালের যে অংশ মুসলিমদেরকে দিচ্ছে) এ সম্পর্কে আপনার মত কী? তিনি বললেন, তোমরা তা গ্রহণ করতে থাক, কেননা ব্যয়ভার বহনের জন্য এর দ্বারা এখন সাহায্য হচ্ছে। কিন্তু যখন এ দান বা গনীমত তোমার দ্বীনের বিনিময়ে (মানে হলো দ্বীন ও ঈমান বিক্রি করা, তোমাকে দ্বীনের পরিপন্থী কাজে ব্যবহারের চেষ্টা কল্পে হয়) তখন এ দান গ্রহণ করো না।
২১৯৮
দানশীলতার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেন, মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “হে আদম সন্তানেরা! তোমরা অকাতরে দান করতে থাক, আমিও তোমাদের উপর ব্যয় করব”। নবী (ﷺ) আরও বলেন, আল্লাহর ডান হাত প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ। রাত দিন অনবরত দান করলেও তা মোটেই কমছে না।
২১৯৯
দানশীলতার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে কয়েকটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার একটি নিম্নরূপ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ আমাকে বলেছেন, ‘খরচ কর, তোমার উপরও খরচ করা হবে’। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরও বলেছেন, আল্লাহর হাত প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ। রাত দিন ব্যয় করা সত্ত্বেও তা মোটেই কমছে না। একটু ভেবে দেখ! আসমান জমিন সৃষ্টি থেকে এ পর্যন্ত যে বিপুল পরিমাণ ব্যয় করেছেন এতে তাঁর হাত একটুও খালি হয়নি। তাঁর (আল্লাহর) ‘আরশ পানির উপর এবং তাঁর অপর হাতে রয়েছে ‘আল-ক্বাব্‌দ্ব’ (قبض) বা قبض - (সংকুচিত করার ক্ষমতা)। যাকে ইচ্ছা করেন উপরে উঠান ও উন্নত করেন, আর যাকে চান নিচু করেন, অবনত করেন।
২২০০
পরিবার-পরিজন ও দাস-দাসীদের ভরণ-পোষনের ফাযীলাত এবং তা না করার অপরাধ। পরিচ্ছেদ নাই
সাওবান (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যে সব দিনার (বা স্বর্ণমুদ্রা) ব্যয় করে থাকে এর মধ্যে ঐ দিনারটি উত্তম যা সে তার পরিবার-পরিজনের উদ্দেশে খরচ করে। অনুরূপভাবে আল্লাহর পথে (অর্থাৎ জিহাদের উদ্দেশ্যে) তার আরোহণের জন্তুর জন্য সে যে দিনার ব্যয় করে তা উত্তম এবং আল্লাহর পথে তার সঙ্গী সাথীদের জন্য যে দিনার ব্যয় করে তা উত্তম।আবু ক্বিলাবা বলেন, তিনি পরিবারের লোকজন দিয়ে শুরু করেছেন। অতঃপর আবু ক্বিলাবা (রহঃ) আরো বলেন, ওই ব্যক্তির চেয়ে আর কে বেশি সওয়াবের অধিকারী যে তার ছোট ছোট সন্তানদের জন্য খরচ করে এবং আল্লাহ তা’আলা এর বিনিময়ে তাদেরকে পবিত্র রাখেন, উপকৃত করেন এবং অভাবমুক্ত রাখেন।