৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২১০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২০৯১
যে শান্তি লাভ করে এবং যার প্রস্থানে শান্তি লাভ করা হয়। পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ক্বাতাদাহ্‌ ইবনু রিব্‌‘ঈ (রাঃ)
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছ দিয়ে একটা জানাজা বয়ে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি বলেন, “মুসতারীহুন” ও “ওয়া মুসতারাহুন মিনহু” (অর্থাৎ- সে শান্তিলাভকারী এবং তার প্রস্থানে শান্তি লাভ হয়)। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! “মুসতারীহুন” ও “ওয়া মুসতারাহুন মিনহু”-এর মানে কি? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, ঈমানদার বান্দা দুনিয়ার কষ্ট মুসিবত থেকে নিষ্কৃতি লাভ করবে। আর পাপিষ্ঠ বান্দা হলে এ ব্যক্তি থেকে আল্লাহর বান্দারা, অঞ্চল, বৃক্ষরাজি ও পশু-পাখি সবাই পরিত্রাণ লাভ করবে।
২০৯২
যে শান্তি লাভ করে এবং যার প্রস্থানে শান্তি লাভ করা হয়। পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইয়াহিয়া ইবনু সা‘ঈদের বর্ণিত হাদীসে আছে, সে ব্যক্তি দুনিয়ার ক্লেশ থেকে মুক্তি পেয়ে আল্লাহর রহমত লাভ করবে।
২০৯৩
জানাযার তাকবীর সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জনসাধারণকে নাজ্জাশি ইনতিকালের সংবাদ শুনালেন, যেদিন তিনি ইনতিকাল করেন। অতঃপর তিনি তাদেরকে নিয়ে সালাতের স্থানে গিয়ে চার তাকবিরে সালাতুল জানাজা আদায় করেন।
২০৯৪
জানাযার তাকবীর সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
আবিসিনিয়ার অধিপতি নাজ্জাশীর যে দিন মৃত্যু হয়, সে দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে তার মৃত্যুর খবর দিলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তোমাদের ভাইয়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর।” ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ) আমাকে বলেছেন যে, আবু হুরায়রা (রাঃ) তাঁর কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁদের নিয়ে সালাতের স্থানে কাতার করলেন। এরপর তিনি (ﷺ) সালাত আদায় করলেন এবং এতে (অতিরিক্ত) চারটি তাকবির বললেন।
২০৯৫
জানাযার তাকবীর সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
আমর আন্ নাক্বিদ, হাসান আল হুলওয়ানী ও ‘আব্‌দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... উভয় সূত্রেই ইবনু শিহাব (রহঃ)
আমর আন নাকিদ, হাসান হলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমাইদ (রহঃ) [অন্য সনদে] উক্বায়ল (রহঃ)-এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
২০৯৬
জানাযার তাকবীর সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নাজাশির জন্য গায়েবানা জানাজা আদায় করেছেন এবং চার তাকবিরে সালাতুল জানাজা আদায় করেন।
২০৯৭
জানাযার তাকবীর সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
(নাজ্জাশী ইন্তিকাল করলে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “আজ আল্লাহর এক নেক বান্দা আসহামা ইন্তিকাল করেছেন।” এরপর তিনি উঠে গিয়ে আমাদের সামনে ইমাম হয়ে তার জন্য সালাতুল জানাযা আদায় করলেন।
২০৯৮
জানাযার তাকবীর সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
নাজ্জাশী ইন্তিকাল করলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমাদের এক ভাই ইন্তিকাল করেছেন। অতএব তোমরা উঠ এবং তাঁর জন্য সালাত আদায় কর। জাবির (রাঃ) বলেন, আমরা উঠে গিয়ে দুইটি সারি বাঁধলাম।
২০৯৯
জানাযার তাকবীর সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ)
তিনি (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের এক (নাজ্জাশি) ইন্তিকাল করেছেন। অতএব, তোমরা উঠে তাঁর জন্য সালাত আদায় কর। যুহাইরের বর্ণনায় “তোমাদের ভাই” বর্ণিত হয়েছে।
২১০০
কবরের উপর জানাযার সালাত আদায় করা পরিচ্ছেদ নাই
শাবী’ (রহঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মৃতকে দাফন করার পর একটা কবরের উপর জানাজা সালাত আদায় করেছেন এবং চার তাকবির উচ্চারণ করেছেন। শায়বানি বলেন, আমি শা'বীকে জিজ্ঞেস করলাম, এটা আপনার কাছে কে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন, নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)। এটা হাসান-এর বর্ণিত হাদিসের শব্দ।আর ইবন নুমাইর-এর বর্ণনাতে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটা তাজা কবরের নিকট পৌঁছে এর উপর সালাত আরম্ভ করলে সবাই তাঁর পিছনে সারিবদ্ধ হল। তিনি চার তাকবির উচ্চারণ করলেন। আমি আমিরকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনার কাছে কে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন, নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি যার কাছে ইবন আব্বাস (রাঃ) এসেছিলেন।