৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২০৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২০৬১
মৃতকে গোসল করানো প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
তিনি (ﷺ) বলেছেনঃ তাকে (যাইনবকে) বিজোড় সংখ্যায় গোসল দাও তিনবার, পাঁচবার বা সাতবার। আর উম্মু আতিয়্যাহ (রাঃ) বলেছেন, আমরা তার চুলকে তিন গোছায় বিভক্ত করে আঁচড়ে দিয়েছি।
২০৬২
মৃতকে গোসল করানো প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কন্যা যায়নাব (রাঃ) যখন ইন্তিকাল করেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে বললেন, “তাকে বিজোড় সংখ্যায় গোসল দাও, তিনবার বা পাঁচবার। আর পঞ্চমবারের সাথে কর্পূর দাও অথবা বলেছেন কিছু কর্পূর দাও। গোসল শেষ করে আমাকে খবর দিও।” উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) বলেন, গোসল শেষ করে আমরা তাঁকে খবর দিলাম। তিনি (ﷺ) আমাদের কাছে তাঁর লুঙ্গি দিয়ে বললেন, “এটা কাফনের ভিতরে তার গায়ে জড়িয়ে দাও।
২০৬৩
মৃতকে গোসল করানো প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের কাছে আসলেন। তখন আমরা তাঁর এক মৃত কন্যাকে গোসল দিচ্ছিলাম। তিনি বললেন, তাকে বিজোড় সংখ্যায় পাঁচবার বা তার চেয়ে অধিকবার গোসল দাও। অবশিষ্ট বর্ণনায় আইয়ুব ও আসিম-এর বর্ণনার অনুরূপ। আর হাদীস বর্ণনাকালে উম্মু আতিয়্যাহ (রাঃ) বললেন, এরপর আমরা তার চুলকে তিন গোছায় ভাগ করে দুই কানের দুই দিকে ও কপালের দিকে ঝুলিয়ে দিলাম।
২০৬৪
মৃতকে গোসল করানো প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন তাকে তাঁর (রাসূলের) মৃত কন্যাকে গোসল দেয়ার আদেশ করলেন, তাকে বললেন, তার ডান দিক থেকে আরম্ভ কর এবং তার ওজূর অঙ্গগুলো আগে ধৌত করো।
২০৬৫
মৃতকে গোসল করানো প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর কন্যার গোসল দেয়ার সময় তাদেরকে বলে দিলেনঃ তোমরা তার ডান দিক থেকে আরম্ভ কর এবং তাঁর ওজুর অঙ্গগুলো আগে ধুয়ে নাও।
২০৬৬
মৃতকে কাফন পরানো পরিচ্ছেদ নাই
খাব্বাব ইবনুল আরাত (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে আল্লাহর রাস্তায় আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে হিজরত করলাম। অতএব, আল্লাহর কাছে আমাদের পুরস্কার পাওয়া অনিবার্য হয়েছে। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ এভাবে দুনিয়া থেকে চলে গেলেন যে, তাঁর পুরস্কারের কোন কিছুই তিনি ভোগ করেননি। মুসআব ইবন উমাইর (রাঃ) তাদের অন্যতম।তিনি উহুদ যুদ্ধের দিন শাহাদাত বরণ করেন। তাঁকে কাফন দেয়ার মতো একটি চাদর ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি। আমরা যখন তা দিয়ে তাঁর মাথা ঢাকলাম পা বেরিয়ে আসল। আর যখন পায়ের উপর রাখলাম, মাথা বেরিয়ে আসল।তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “তোমরা চাদরটি এভাবে পরাও যাতে তা মাথা জড়িয়ে থাকে আর তাঁর পা ‘ইযখির’ নামক (এক প্রকার) শুকনো ঘাস দিয়ে ঢেকে দাও”। এছাড়া আমাদের মধ্যে কারো কারো ফল পেকে গেছে, যা তারা আহরণ করছে।
২০৬৭
মৃতকে কাফন পরানো পরিচ্ছেদ নাই
আমাশ (রহঃ)
একই সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
২০৬৮
মৃতকে কাফন পরানো পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে (সিরিয়ার) সাহূল নগরীর তৈরি তিনটি কাপড় দ্বারা কাফন দেয়া হয়। তন্মধ্যে জামা ও পাগড়ি ছিল না। (তাঁর নিকট সংরক্ষিত) ‘জোড়া কাপড়’ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছিল যে, তা কাফনের উদ্দেশ্যে খরিদ করা হয়েছে কিনা? তাই তা রেখে দেয়া হল এবং সাহূল নগরীর তৈরি সাদা তিনটি কাপড়েই কাফন দেয়া হল।এদিকে আবদুল্লাহ ইবনু আবু বকর (রাঃ) জোড়াটা নিয়ে বললেন, আমি অবশ্যই তা সংরক্ষণ করব এবং আমি নিজেকে এর দ্বারা কাফন দিব। তিনি পুনরায় বললেন, আল্লাহ যদি এটা তাঁর নবীর জন্য পছন্দ করতেন, তবে অবশ্যই তিনি তা দিয়ে কাফনের ব্যবস্থা করতেন। অতঃপর তা বিক্রি করে তিনি তার মূল্য সদাকা করে দিলেন।
২০৬৯
মৃতকে কাফন পরানো পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রথমে ইয়ামানি জোড়া কাপড়ে রাখা হয়েছিল, যা ছিল আব্দুল্লাহ ইবনু আবু বকর-এর। অতঃপর তা তাঁর থেকে খুলে ফেলা হল এবং ইয়ামান দেশের সাহূল নগরের তৈরি কাপড়ের তিনটি কাপড় দ্বারা কাফন দেয়া হল। এতে পাগড়ি ও কামিজ ছিল না। অতঃপর আব্দুল্লাহ জোড়া চাদরটা তুলে বললেনঃ এ কাপড়ে আমার কাফন দেয়া হবে। একটু পর আবার বললেন, যে কাপড় দিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে কাফন দেয়া হয়নি তা দিয়ে আমার কাফন দেয়া হবে? অতঃপর তিনি তা সদাকা করে দিলেন।
২০৭০
মৃতকে কাফন পরানো পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) ..... সকলে হিশাম (রহঃ)
উক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের হাদিসে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবু বকর-এর ঘটনা উল্লেখ নেই।