৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২০৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২০৫১
বিলাপ করে কান্নাকাটি করার ব্যাপারে হুঁশিয়ারী পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, আবুত্ ত্বহির, আহমাদ ইবনু ইব্রাহীম আদ্ দাওরাক্বী (রহঃ) ..... সকলেই ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ)
একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবদুল আজিজ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে এরূপ বর্ণিত হয়েছে: তুমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে পরিশ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকছ না।
২০৫২
বিলাপ করে কান্নাকাটি করার ব্যাপারে হুঁশিয়ারী পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের বায়আতের সঙ্গে এ ওয়াদা নিয়েছেন যে, আমরা যেন মৃতের জন্যে বিলাপ করে কান্নাকাটি না করি। কিন্তু পরে মাত্র পাঁচজন মহিলা ছাড়া আমাদের কোন মহিলাই তা পালন করেননি। তাঁরা হচ্ছেন- উম্মু সুলাইম, উম্মুল ‘আলা, আবু সাবরার কন্যা ও মুআয -এর স্ত্রী প্রমুখ।
২০৫৩
বিলাপ করে কান্নাকাটি করার ব্যাপারে হুঁশিয়ারী পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বায়আতের সময় আমাদের নিকট থেকে এ ওয়াদা নিয়েছেন- যেন আমরা বিলাপ করে কান্নাকাটি না করি। কিন্তু আমাদের মধ্যে পাঁচজন মহিলা ব্যতীত আর কেউই এ ওয়াদা পালন করতে পারেনি। উম্মু সুলাইম (রাঃ) এদের অন্যতম।
২০৫৪
বিলাপ করে কান্নাকাটি করার ব্যাপারে হুঁশিয়ারী পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল- “সে মহিলারা আপনার নিকট এ কথার উপর বাইয়াত করছে যে, আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করবে না এবং কোন ভাল কাজে তারা নাফরমানী করবে না- (সূরা আল মুমতাহিনা ৬০:১২)।”উম্মু আতিয়্যা (রাঃ) বলেন, মৃতের জন্য বিলাপ করে কান্নাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তবে অমুকের পরিবার, তারা জাহিলিয়াত যুগে আমার সহায়তা করেছিল অতএব আমার উপর তাদের সহায়তা করা জরুরি। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (তাকে অনুমতি দিয়ে) বললেন, আচ্ছা! অমুকের পরিবার ছাড়া।
২০৫৫
জানাযার পিছনে যেতে নারীদের নিষেধ প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
আমাদেরকে (মহিলাদেরকে) জানাজার অনুসরণ করতে (পিছনে যেতে) নিষেধ করা হত। কিন্তু আমাদেরকে কঠোরভাবে নিষেধ করা হত না।
২০৫৬
জানাযার পিছনে যেতে নারীদের নিষেধ প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
আমাদেরকে জানাজায় অনুগমনে নিষেধ করা হয়েছে। তবে আমাদেরকে কঠোরতা আরোপ করা হয়নি।
২০৫৭
মৃতকে গোসল করানো প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-এর কন্যা (জয়নব)-কে গোসল দেয়ার সময় তিনি আমাদের কাছে এসে বললেন, “তাকে তিনবার, পাঁচবার অথবা প্রয়োজনবোধে এর চেয়ে অধিক বড়ইপাতা মিশ্রিত পানি দিয়ে গোসল করাও এবং শেষে কিছুটা কর্পূর দিয়ে দাও।” তোমরা গোসল শেষ করলে আমাকে খবর দিও। আমরা গোসল শেষ করে তাঁকে খবর দিলাম। তিনি (ﷺ) তাঁর নিজ লুঙ্গি আমাদের কাছে দিয়ে বললেন, এ কাপড় তার গায়ে জড়িয়ে দাও।
২০৫৮
মৃতকে গোসল করানো প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
আমরা তাঁর (যায়নাব) মাথার চুল আঁচড়িয়ে তিন ভাগে ভাগ করে দিয়েছি।
২০৫৯
মৃতকে গোসল করানো প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) এর কোন কন্যা ইন্তিকাল করেন। ইবনু উলাইয়্যাহ-এর বর্ণনায় আছে, উম্মু ‘আতিয়্যাহ্ (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কন্যাকে গোসল দেয়ার সময় তিনি আমাদের নিকট আসলেন। মালিক-এর হাদিসে এভাবে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কন্যা ইন্তিকাল করলে তিনি আমাদের কাছে আসলেন, অনুরূপ ইয়াযীদ ইবনু যুরাই (রহঃ) এর হাদিস যা উম্মু ‘আতিয়্যাহ্ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
২০৬০
মৃতকে গোসল করানো প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ)
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে, কেবল ব্যতিক্রম এই যে, তিনি (ﷺ) বলেছেনঃ তিনবার, পাঁচবার, সাতবার বা এর চেয়েও অধিকবার গোসল দেওয়া, যদি তোমরা প্রয়োজনবোধ কর তাই করবে। এরপর হাফসা (রাঃ) উম্মু আত্বিয়্যাহ (রাঃ) সূত্রে বলেন, আমরা তার মাথার চুলকে তিন গোছায় ভাগ করে দিয়েছি।