৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২০৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২০২১
মৃতের নিকট কাঁদা পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... সকলেই ‘আসিম আল আহ্ওয়াল (রহঃ)
একই সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে হাম্মাদের বর্ণিত হাদিসটি অপেক্ষাকৃত পূর্ণাঙ্গ ও লম্বা।
২০২২
মৃতের নিকট কাঁদা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
সাদ ইবন উবাদা (রাঃ) কঠিন পীড়ায় আক্রান্ত হলে রসূলুল্লাহ (ﷺ) আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ), সাদ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) ও আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ)-কে সঙ্গে নিয়ে তাঁকে দেখতে গেলেন। তিনি সেখানে পৌঁছে তাঁকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, অবস্থা কি শেষ? লোকেরা বলল, না, হে আল্লাহর রসূল! অবস্থা দেখে রসূলুল্লাহ (ﷺ) কাঁদতে লাগলেন। উপস্থিত লোকেরা তাঁর কান্না দেখে কাঁদতে শুরু করল। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমরা কি শোননি যে, আল্লাহ তা'আলা চোখের অশ্রুর কারণে ও হৃদয়ের অস্থিরতার জন্যে বান্দাকে শাস্তি দিবেন না? বরং তিনি এ কারণে আযাব করবেন বা করুণা প্রদর্শন করবেন, তিনি জিহবার দিকে ইঙ্গিত করলেন।
২০২৩
রোগীকে দেখতে যাওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে বসা ছিলাম। এমন সময় আনসারদের জনৈক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে তাঁকে সালাম করল। অতঃপর সে ফিরে যাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “হে আনসারদের ভাই! আমার ভাই সাদ ইবন উবাদা কেমন আছে?” সে বলল, “ভাল।”রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, “তোমাদের মধ্যে কে কে তাঁকে দেখতে যাবে?” এই বলে তিনি উঠলেন। আমরাও তাঁর সাথে উঠে রওয়ানা হলাম। আমাদের সংখ্যা দশের অধিক ছিল। আমাদের পায়ে জুতা-মোজা ছিল না। গায়ে জামাও ছিল না। মাথায় টুপিও ছিল না। আমরা পায়ে হেঁটে কঙ্করময় পথ অতিক্রম করে সেখানে গিয়ে পৌঁছলাম। তার পাশে উপস্থিত লোকেরা সরে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সাথী সাহাবীগণ সাদের কাছে গেলেন।
২০২৪
প্রথম আঘাতেই ধৈর্যধারণ হচ্ছে প্রকৃত ধৈর্যধারণ পরিচ্ছেদ নাই
সাবিত (রহঃ)
আমি আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ প্রথম আঘাতেই ধৈর্য ধারণ করা হচ্ছে প্রকৃত ধৈর্য।
২০২৫
রোগীকে দেখতে যাওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
একবার রসূলুল্লাহ (ﷺ) এক মহিলার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তার পুত্রের মৃত্যু শোকে কাঁদছিল। রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, “আল্লাহকে ভয় কর এবং ধৈর্য ধারণ কর।” স্ত্রীলোকটি বলল, “আপনি তো আমার মতো মুসিবতে পড়েননি।” যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চলে গেলেন, কেউ তাকে বলল, “ইনিই তো রাসূলুল্লাহ (ﷺ)।” এ কথা শুনে মহিলার অবস্থা মৃতবৎ হয়ে গেল। সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর দরজায় এসে দেখল তাঁর দরজায় কোন দ্বাররক্ষী নেই। সে বলল, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনাকে চিনতে পারিনি।” রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “প্রকৃত সবর হচ্ছে প্রথম আঘাতের সময় ধৈর্য ধারণ করা” অথবা বলেছেন, “বিপদের প্রথম লগ্নে।”
২০২৬
রোগীকে দেখতে যাওয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্ইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী, ‘উক্ববাহ্ ইবনু মুকরিম আল ‘আম্মী, আহমাদ ইবনু ইব্রাহীম আদ দাওরাক্বী (রহঃ) …. সকলে শু‘বাহ (রহঃ)
উসমান ইবন উমর (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। আবদুস সামাদ-এর হাদীসে আছে, নবী (ﷺ) কবরের নিকট ক্রন্দনরত এক মহিলার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন।
২০২৭
মাইয়্যিতের পরিজনের কান্নাকাটির দরুন মাইয়্যিতকে ক্ববরে শাস্তি দেয়া হয় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
হাফসা (রাঃ) উমরের জন্য (ঘাতক কর্তৃক আহত হলে) কাঁদছিলেন। তখন উমর (রাঃ) বললেন, “হে স্নেহের কন্যা! তুমি কি জানো না রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার স্বজনদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেওয়া হয়।”
২০২৮
মাইয়্যিতের পরিজনের কান্নাকাটির দরুন মাইয়্যিতকে ক্ববরে শাস্তি দেয়া হয় পরিচ্ছেদ নাই
উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার প্রতি অধিক কান্নাকাটি করার দরুন কবরে আজাব দেয়া হয়।
২০২৯
মাইয়্যিতের পরিজনের কান্নাকাটির দরুন মাইয়্যিতকে ক্ববরে শাস্তি দেয়া হয় পরিচ্ছেদ নাই
উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার জন্য অধিক কান্নাকাটি করার কারণে কবরে আজাব দেয়া হয়।
২০৩০
মাইয়্যিতের পরিজনের কান্নাকাটির দরুন মাইয়্যিতকে ক্ববরে শাস্তি দেয়া হয় পরিচ্ছেদ নাই
আলী ইবনু হুজ্‌র আস্‌ সা‘দী (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
যখন উমর (রাঃ) (আততায়ীর আঘাতে) আহত হন এবং সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন। লোকেরা চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করল। যখন তাঁর জ্ঞান ফিরে এল, তিনি বললেন, তোমরা কি জান না রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে জীবিতদের কান্নার দরুন শাস্তি দেয়া হয়?