৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২০১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২০০১
সূর্যগ্রহণের সালাতের জন্য আহবান করা এবং “আস্‌সলা-তু জা-মি‘আহ্‌” (সালাতের জামা‘আত) বলা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব ইবনু ইব্রাহীম, ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ..... সকলেই ইসমা‘ঈল (রহঃ)
তবে সুফইয়ান ও ওয়াকী-এর হাদীসে এভাবে বর্ণিত হয়েছে: যেদিন ইব্রাহীম (ইবনু মুহাম্মাদ (ﷺ)) ইন্তিকাল করেন, সেদিন সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। তখন লোকেরা বলতে লাগল, ইব্রাহীম-এর মৃত্যুর কারণে সূর্যগ্রহণ লেগেছে।
২০০২
সূর্যগ্রহণের সালাতের জন্য আহবান করা এবং “আস্‌সলা-তু জা-মি‘আহ্‌” (সালাতের জামা‘আত) বলা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
নবী (ﷺ) এর যামানায় একবার সূর্যগ্রহণ হল। তিনি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে দাঁড়ালেন। (রাবীর ধারণা) তিনি কেয়ামত হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন। অবশেষে তিনি মসজিদে এসে সালাতে দাঁড়ালেন এবং সবচেয়ে লম্বা কিয়াম, লম্বা রুকু, লম্বা সিজদা সহকারে সালাত আদায় করতে লাগলেন। আমি কখনও কোন সালাত তাঁকে (ﷺ)-কে এত লম্বা করতে দেখিনি। সালাত শেষ করে তিনি (ﷺ) বললেন, এসব নিদর্শনাবলী যা আল্লাহ জগতে পাঠান, কোন ব্যক্তির মৃত্যু বা জীবনের কারণেই অবশ্যই তা হয় না। বরং আল্লাহ এগুলো পাঠিয়ে বান্দাদের সতর্ক করেন। অতএব তোমরা যখন এমন কিছু দেখতে পাও, তখন তোমরা ভীত হয়ে আল্লাহর জিকর, দোয়া ও ইস্‌তিগফারে মশগুল হও। ইবনু আলা এর বর্ণনায় রয়েছেঃ সূর্যগ্রহণের সময় এবং তিনি বলেন, বান্দাদের সতর্ক করার জন্য।
২০০৩
সূর্যগ্রহণের সালাতের জন্য আহবান করা এবং “আস্‌সলা-তু জা-মি‘আহ্‌” (সালাতের জামা‘আত) বলা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবদ্দশায় আমি তীর নিক্ষেপ করছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ লাগল। তখন আমি এগুলো ফেলে রেখে মনে মনে ভাবলাম, আজ সূর্যগ্রহণে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে নতুন কিছু প্রকাশ পায় কিনা তা অবশ্যই দেখব। আমি তাঁর কাছে পৌঁছে গেলাম। এ সময় তিনি দুই হাত উঠিয়ে দোয়া করছিলেন এবং তাকবির (আল্লাহু আকবার), তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ) ও তাহলিলে (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ) মশগুল ছিলেন। অবশেষে সূর্য পরিষ্কার হয়ে গেল। এরপর তিনি দুইটি সূরা পাঠ করলেন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন।
২০০৪
সূর্যগ্রহণের সালাতের জন্য আহবান করা এবং “আস্‌সলা-তু জা-মি‘আহ্‌” (সালাতের জামা‘আত) বলা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
যিনি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সময়ে আমি একবার মদীনায় তীর নিক্ষেপ করছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ আরম্ভ হলো। তখন আমি এগুলো ফেলে রেখে মনে মনে বললাম, আল্লাহর কসম! সূর্যগ্রহণকালে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে যা কিছু প্রকাশ পায়, তা অবশ্যই দেখব।আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে দেখি তিনি সালাতে দণ্ডায়মান এবং দুই হাত উঠিয়ে তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ), তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ), তাকবির (আল্লাহু আকবার) ও দোয়া করছেন, অবশেষে সূর্য গ্রাসমুক্ত হলো এবং তিনি দুইটি সূরা পাঠ করলেন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন।
২০০৫
সূর্যগ্রহণের সালাতের জন্য আহবান করা এবং “আস্‌সলা-তু জা-মি‘আহ্‌” (সালাতের জামা‘আত) বলা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সময় একবার আমি আমার তীর ছুঁড়ছিলাম, এমন সময় সূর্যগ্রহণ লাগল। অতঃপর পূর্বোক্ত বর্ণনাকারীর মতো বর্ণনা করেন।
২০০৬
সূর্যগ্রহণের সালাতের জন্য আহবান করা এবং “আস্‌সলা-তু জা-মি‘আহ্‌” (সালাতের জামা‘আত) বলা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ কারো জীবন ও মৃত্যুর কারণে লাগে না। বরং এ দুইটি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব তোমরা যখন এই দুইটি (গ্রহণ লাগতে) দেখ, তখন সালাতে মশগুল হও।
২০০৭
সূর্যগ্রহণের সালাতের জন্য আহবান করা এবং “আস্‌সলা-তু জা-মি‘আহ্‌” (সালাতের জামা‘আত) বলা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
যিয়াদ ইবনু ‘ইলাক্বাহ (রহঃ)
আমি মুগীরা ইবনু শু'বা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যামানায় অর্থাৎ যেদিন ইব্রাহিম ইবনু মুহাম্মাদ (ﷺ) ইনতিকাল করেন, সূর্যগ্রহণ লেগেছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর দু’টি নিদর্শন। এগুলো কারো জীবন ও মরণের কারণে গ্রাসপ্রাপ্ত হয় না। অতএব যখন তোমরা তা দেখতে পাও, আল্লাহর কাছে দোয়া কর ও সালাত আদায় করতে থাক যে পর্যন্ত গ্রাসমুক্ত না হয়।
২০০৮
‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলে মাইয়্যিতকে ‘তালক্বীন’ দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ‘উমারাহ (রহঃ)
আমি আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা মুমূর্ষু ব্যক্তিকে “লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ” (আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই) তালকীন দাও (পড়াও)।
২০০৯
‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলে মাইয়্যিতকে ‘তালক্বীন’ দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
কুতায়বাহ্ ইবনু সা‘ঈদ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... সুলায়মান ইবনু বিলাল (রহঃ)
সকলেই এই সনদে বর্ণনা করেছেন।
২০১০
‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলে মাইয়্যিতকে ‘তালক্বীন’ দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
তোমরা মুমূর্ষু ব্যক্তিকে “লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ” (আল্লাহ ছাড়া কোন মা-বূদ নেই) তালকীন করো।