৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৯৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৯৮১
সূর্যগ্রহণের সালাতে প্রতি রাক‘আতে তিনটি রুকূ’র বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সময় সূর্যগ্রহণ লাগলে তিনি সালাতের উদ্দেশে দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘ কিয়াম করলেন। অতঃপর রুকু করেন। রুকুর পর আবার দাঁড়ালেন আবার রুকু করলেন। আবার দাঁড়ালেন, আবার রুকু করলেন। এভাবে দুই রাকাতে তিন রুকু ও চার সিজদায় আদায় করলেন। সালাত শেষ হতে হতে সূর্যও পরিষ্কার হয়ে গেল। তিনি রুকুতে যাওয়ার সময় “আল্লাহু আকবার” বলতেন, অতঃপর রুকু করতেন। রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে “সামি’আল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলতেন।অতঃপর দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন এবং বললেনঃ চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণ কারো জন্ম বা মৃত্যুর কারণে লাগে না বরং এ দু’টি আল্লাহর নিদর্শন, যা দ্বারা আল্লাহ তাঁর বান্দাকে সতর্ক করেন। অতএব তোমরা যখন সূর্যগ্রহণ লাগতে দেখ, আল্লাহর যিকরে মশগুল হও যতক্ষণ তা আলোকিত হয়ে না যায়।
১৯৮২
সূর্যগ্রহণের সালাতে প্রতি রাক‘আতে তিনটি রুকূ’র বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) ছয় রুকু ও চার সিজদা সহকারে দুই রাকাত সালাত আদায় করেছেন।
১৯৮৩
সূর্যগ্রহণের সালাতে ক্ববরের শাস্তির উল্লেখ পরিচ্ছেদ নাই
আম্‌রাহ্‌ (রহঃ)
এক ইহুদি মহিলা আয়িশা (রাঃ)-কে কিছু জিজ্ঞেস করার উদ্দেশ্যে তাঁর নিকট আসল। এসে বলল, আল্লাহ আপনাকে কবর আযাব থেকে মুক্তি দিন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, এরপর আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহর রাসূল! মানুষকে কবরেও কি আযাব দেওয়া হবে? আমরাহ (রহঃ)-এর বর্ণনা অনুযায়ী আয়িশা (রাঃ) বলেন, নাঊযুবিল্লাহ।অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদিন সকালবেলা সওয়ারিতে আরোহণ করলেন, তখন সূর্যগ্রহণ লাগছিল। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি কতিপয় মহিলা লোকদের সাথে নিয়ে হুজরাগুলোর পিছন দিয়ে বের হলাম। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সওয়ারি থেকে নেমে যেখানে সালাত আদায় করতেন সোজা সেখানে পৌঁছলে তিনি সালাতে দাঁড়িয়ে গেলেন। লোকেরাও সঙ্গে সঙ্গে তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে গেল।আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লম্বা কিয়াম করলেন। অতঃপর রুকু করলেন এবং রুকুও লম্বা করলেন। তারপর মাথা উঠিয়ে আবার বেশ কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকলেন যা পূর্বের কিয়াম অপেক্ষা কিছু কম। অতঃপর রুকুতে গেলেন তবে তা প্রথম রুকু অপেক্ষা কম ছিল। তারপর মাথা উত্তোলন করলেন। এতক্ষণে সূর্য একেবারে উজ্জ্বল হয়ে গেল। তিনি বললেন, আমি দেখতে পেলাম তোমরা কবরেও দাজ্জালের ফিতনার ন্যায় ভয়ানক পরীক্ষার সম্মুখীন হবে।আমরাহ (রহঃ) বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, এরপর থেকে আমি শুনতে পেতাম যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জাহান্নামের আযাব থেকে ও কবর আযাব থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন।
১৯৮৪
সূর্যগ্রহণের সালাতে ক্ববরের শাস্তির উল্লেখ পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ)
সুলাইমান ইবন বিলাল-এর বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
১৯৮৫
সুর্যগ্রহণের সালাতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জান্নাত ও জাহান্নামের যা কিছু উত্থাপন করা হয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যামানায় ভীষণ গরমের দিনে একবার সূর্যগ্রহণ লাগল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাহাবীগণকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। সালাতে কিয়াম এত দীর্ঘায়িত করলেন যে, লোকেরা পড়ে যেতে লাগল। অতঃপর রুকু করলেন এবং তাও খুব লম্বা করলেন। তারপর মাথা উঠালেন এবং অনেক সময় দাঁড়িয়ে থাকলেন। আবার রুকুতে গেলেন এবং লম্বা রুকু করলেন। তারপর মাথা উঠালেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর দুইটি সিজদা করলেন।এরপর দাঁড়িয়ে পূর্বের ন্যায় কিয়াম ও রুকু করলেন। এতে চারটি রুকু ও চারটি সিজদা ছিল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমরা সেসব স্থানে প্রবেশ করবে যে সব স্থান আমাকে দেখানো হয়েছে। আমার সামনে জান্নাত পেশ করা হয়েছিল। আমি সেখান থেকে একটি আঙ্গুর ধরতে চেয়েছিলাম। অথবা তিনি বলেছেন, একটি শাখা ধরতে চাইলে আমার হাত সে পর্যন্ত পৌঁছতে পারেনি এবং আমার সম্মুখে জাহান্নামও পেশ করা হয়েছিল। সেখানে বনী ইসরাঈলের একটি মহিলাকে দেখতে পেলাম। তাকে একটা বিড়ালের কারণে শাস্তি দেয়া হয়েছে। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল, খানাপানি কিছু দেয়নি। আর ছেড়ে দেয়নি যে তা জমিনের পোকামাকড় খেয়ে জীবন ধারণ করত (এভাবে অনাহারে বিড়ালটি মারা গেল)।এছাড়াও জাহান্নামে আবু সুমামা আমর ইবনু মালিককেও দেখলাম, সে তার নাড়িভুঁড়ি টানাটানি করছে। আরবরা বলত যে, চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ কোন মহান ব্যক্তির মৃত্যুর কারণেই সংঘটিত হয়ে থাকে। অথচ এ দুইটি আল্লাহর দুইটি নিদর্শন যা আল্লাহ তোমাদেরকে দেখান। অতএব যখন চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ লাগে, তোমরা সালাত আদায় কর যে পর্যন্ত তা পরিষ্কার না হয়ে যায়।
১৯৮৬
সুর্যগ্রহণের সালাতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জান্নাত ও জাহান্নামের যা কিছু উত্থাপন করা হয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রহঃ)
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কেবল ব্যতিক্রম এই যে, তিনি বলেন, আমি জাহান্নামের মধ্যে হিমইয়ারিয়া গোত্রের একটি দীর্ঘকায় কালো মেয়েলোককে দেখতে পেলাম। এতে তিনি বনী ইসরাঈলের কথা উল্লেখ করেননি।
১৯৮৭
সুর্যগ্রহণের সালাতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জান্নাত ও জাহান্নামের যা কিছু উত্থাপন করা হয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যামানায় অর্থাৎ যেদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর প্রিয় পুত্র ইব্রাহিম মৃত্যুবরণ করেন, সূর্যগ্রহণ লেগেছিল। এতে লোকেরা বলতে লাগল ইব্রাহিমের মৃত্যুর কারণে সূর্যগ্রহণ লেগেছে। নবী (ﷺ) উঠে গিয়ে উপস্থিত লোকদের নিয়ে ছয় রুকু ও চার সিজদায় সালাত আদায় করলেন। সূচনাতে তাকবির উচ্চারণ করলেন পরে কিরাআত পাঠ করলেন এবং কিরাআত বেশ লম্বা করলেন। অতঃপর রুকু করলেন। রুকুতে কিয়ামের সমপরিমাণ সময় অবস্থান করলেন। অতঃপর রুকু থেকে মাথা উঠালেন এবং কিয়ামে প্রথম কিরাআত অপেক্ষা কিছু ছোট কিরাআত পাঠ করলেন। অতঃপর কিয়ামের সমপরিমাণ সময় রুকুতে কাটালেন। তারপর রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে কিরাআত পাঠ করলেন যা পূর্বের কিরাআত অপেক্ষা ছোট ছিল। অতঃপর রুকুতে গিয়ে কিয়ামের পরিমাণ সময় অতিবাহিত করলেন। এরপর রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে সিজদায় গেলেন এবং দুইটি সিজদা করলেন।তারপর দাঁড়িয়ে আরো তিনটি রুকু করলেন যাতে কোন রাকাত ছিল না। শেষের তিন রুকু এরূপ ছিল যে, প্রত্যেক রুকু পূর্ববর্তী রুকু অপেক্ষা ছোট এবং পরবর্তী রুকু অপেক্ষা দীর্ঘ ছিল। আর প্রতিটি রুকুর সময় সিজদার সমপরিমাণ ছিল। অতঃপর তিনি একটু পিছনে সরে আসলেন আর তাঁর পিছনের সারিগুলোও পিছনে সরে গিয়ে আমরা পৌঁছে গেলাম। আবু বকর বলেন: মহিলাদের কাতার পর্যন্ত পৌঁছে গেলেন। অতঃপর তিনি সামনে এগিয়ে গেলেন এবং তাঁর সাথে সব লোক সামনে এগিয়ে গেল। অবশেষে তিনি (ﷺ) তাঁর নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়িয়ে সালাত শেষ করলেন। এদিকে সূর্য তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে এল। সালাত শেষে তিনি (ﷺ) উপস্থিত লোকদেরকে সম্বোধন করে বললেন, হে লোক সকল। চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দুইটি নিদর্শন। আর এই দুইটি কোন মানুষের মৃত্যুর কারণে গ্রাসপ্রাপ্ত হয় না। আবু বকর-এর বর্ণনায় (রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন), “কোন মানুষের মৃত্যুর কারণে” (এই দুইটি গ্রহণ হয় না)।অতএব, তোমরা যখন এরূপ কিছু ঘটতে দেখ তখন সালাত আদায় কর যে পর্যন্ত সূর্য স্পষ্ট হয়ে না যায়। তোমাদের কাছে যে সব বিষয় সম্পর্কে ওয়াদা করা হয়েছে তার প্রতিটি আমি আমার সালাতের মধ্যে দেখতে পেয়েছি। আমার কাছে জাহান্নাম তুলে ধরা হয়েছে। আর এটা তখন যখন তোমরা আমাকে দেখেছ যে, আমি পিছনে সরে এসেছি এর লেলিহান শিখা আমাকে স্পর্শ করার ভয়ে। অবশেষে আমি জাহান্নামের মধ্যে লৌহশলাকাধারীকে (‘আমর ইবনু মালিক) দেখলাম, সে জাহান্নামের মধ্যে নিজের নাড়ীভুঁড়ি টানছে। এ ব্যক্তি নিজ লাঠি দ্বারা হজ্জ যাত্রীদের মালপত্র চুরি করত। এরপর যদি ধরা পড়ে যেত তখন বলত আহ! আমার শলাকার সাথে লেগে গেছে। আর কেউ অসাবধান থাকলে তা নিয়ে যেত।এছাড়া জাহান্নামের মধ্যে ঐ মহিলাকেও দেখতে পেলাম যে, একটি বিড়ালকে বেঁধে রেখেছিল। এরপর এটাকে আহারও দেয়নি, ছেড়েও দেয়নি, যাতে জমিনের পোকামাকড় খেয়ে জীবন ধারণ করতে পারত। শেষ পর্যন্ত বিড়ালটি ক্ষুধায় ছটফট করে মারা গেল। অতঃপর আমার সামনে জান্নাত তুলে ধরা হয়েছে। আর এটা তখন দৃষ্ট হয়েছে, যখন তোমরা আমাকে দেখতে পেয়েছ যে, আমি সামনে এগিয়ে গেছি এবং নিজস্থানে দাঁড়িয়েছি। আমি আমার দুইহাত প্রসারিত করলাম এবং এর ফল তুলে নেবার ইচ্ছা করলাম যাতে তোমরা তা দেখতে পাও। অতঃপর এরূপ না করাই স্থিরকৃত হলো। যেসব বিষয় তোমাদের জানানো হয়েছিল তার প্রতিটি বিষয় আমি আমার এ সালাতে থাকাকালীন দেখতে পেয়েছি।
১৯৮৮
সুর্যগ্রহণের সালাতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জান্নাত ও জাহান্নামের যা কিছু উত্থাপন করা হয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
আসমা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যামানায় একবার সূর্যগ্রহণ লাগে। তখন আমি আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে দেখি তিনি সালাত আদায় করছেন। আমি বললাম কি ব্যাপার! লোকেরা সালাত আদায় করছে? আয়িশা (রাঃ) মাথা নেড়ে আকাশের দিকে ইশারা করলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, একি বিশেষ কোন ঘটনা? তিনি বললেন, হ্যাঁ।এদিকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এত লম্বা কিয়াম করলেন যে, আমার মাথার চক্কর এসে গেল। তখন আমি আমার পাশে রাখা পানির মশক নিয়ে আমার মাথায় অথবা চেহারায় পানি ঢালতে আরম্ভ করলাম। আসমা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সালাত শেষ করার সাথে সাথে সূর্য উজ্জ্বল হয়ে গেল। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লোকদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন। আল্লাহর হামদ ও নাত আদায় করার পর তিনি বললেন, ‘আম্মাবা’দ, যে সব বস্তু আমি ইতিপূর্বে দেখিনি তা আমি আমার এ স্থানে দাঁড়িয়ে দেখতে পেলাম। এমনকি জান্নাত ও জাহান্নাম দেখলাম। আর এ মুহূর্তে আমার নিকট ওহী অবতীর্ণ করা হয়েছে যে, অচিরেই তোমরা কবরের কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হবে। অথবা বলেছেন, মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার ন্যায় ফিতনায় পতিত হবে। (রাবী বলেন,) আমার জানা নেই আসমা (রাঃ) এর কোনটা বলেছেন।এরপর তোমাদের প্রত্যেককে হাজির করে জিজ্ঞেস করা হবে “এ ব্যক্তি সম্পর্কে তোমরা কি জানা আছে?” এ সময় ঈমানদার ব্যক্তি অথবা বলেছে ‘মুমিন’ দৃঢ় বিশ্বাসী ব্যক্তি (আমার জানা নেই আসমা (রাঃ) এর কোনটা বলেছেন) বলবে, ইনি মুহাম্মাদ (ﷺ), ইনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)। তিনি (ﷺ) সুস্পষ্ট প্রমাণাদি ও হিদায়াতের বিষয়বস্তু নিয়ে এসেছেন। তাই আমরা তাঁর আহবানে সাড়া দিয়েছি এবং তাঁর অনুসরণ করেছি। তিনবার সে এ কথা উচ্চারণ করবে। তখন তাকে বলা হবে, ঘুমাও, আমরা জানতাম তুমি তাঁর প্রতি ঈমান বজায় রেখেছো। ভালরূপে ঘুমাও।কিন্তু মুনাফিক অথবা ‘মুরতাদ’ (সংশয়বাদী আমার জানা নেই আসমা (রাঃ) এর কোনটা বলেছেন) বলবে, আমি তো কিছু জানি না। লোকদের কিছু বলাবলি করতে শুনেছি আমিও তাই বলেছি।
১৯৮৯
সুর্যগ্রহণের সালাতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জান্নাত ও জাহান্নামের যা কিছু উত্থাপন করা হয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
আসমা (রাঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ) এর নিকট এসে দেখলাম, লোকেরা সালাতে দাঁড়ানো এবং আয়িশা (রাঃ)-ও সালাত আদায় করছেন। আমি বললাম, লোকদের কী অবস্থা? হাদিসটি হিশামের সূত্রে বর্ণিত। ইবনু নুমাইরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
১৯৯০
সুর্যগ্রহণের সালাতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জান্নাত ও জাহান্নামের যা কিছু উত্থাপন করা হয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
উরওয়াহ্ (রহঃ)
(আরবি শব্দ) বলবে না, বরং (আরবি শব্দ) বলো। অর্থ একই—সূর্যগ্রহণ লেগেছে।