৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৯৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৯৫১
ঈদের দিনগুলোতে আল্লাহর নাফরমানী হয় না এমন ক্রীড়া-কৌতুক করার অবকাশ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
কিছু সংখ্যক আবিসিনীয় লোক মদীনায় পৌঁছে ঈদের দিন মসজিদে (অস্ত্র নিয়ে) খেলা করছিল। নবী (ﷺ) আমাকে ডাকলেন। আমি তাঁর কাঁধের উপর মাথা রেখে তাদের খেলা দেখতে লাগলাম। অনেকক্ষণ এ দৃশ্য উপভোগ করে শেষ পর্যন্ত আমি নিজেই তাদের দিক থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিলাম।
১৯৫২
ঈদের দিনগুলোতে আল্লাহর নাফরমানী হয় না এমন ক্রীড়া-কৌতুক করার অবকাশ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... উভয়ে হিশাম (রহঃ)
উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তাঁরা "মসজিদের" কথাটি উল্লেখ করেননি।
১৯৫৩
ঈদের দিনগুলোতে আল্লাহর নাফরমানী হয় না এমন ক্রীড়া-কৌতুক করার অবকাশ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
উবায়দ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ)
আমাকে আয়িশা (রাঃ) জানিয়েছেন, তিনি ক্রীড়া প্রদর্শনকারীদের বলে পাঠালেন যে, তিনি তাদেরকে দেখতে আগ্রহী। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও আমি উভয়ে দরজার উপর দাঁড়ালাম। আমি তাঁর দুই কানের মাঝে ও কাঁধ সংলগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখেছিলাম, তারা মসজিদে (হাতিয়ার নিয়ে) খেলছিল। আতা বলেন, তারা পারস্যের অথবা আবিসিনিয়ার অধিবাসী ছিল। আর ইবনু আতীক আমাকে বলেন: বরং তারা আবিসিনিয়ার অধিবাসী ছিল।
১৯৫৪
ঈদের দিনগুলোতে আল্লাহর নাফরমানী হয় না এমন ক্রীড়া-কৌতুক করার অবকাশ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
এক সময় আবিসিনিয়া লোকেরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সামনে যুদ্ধাস্ত্রের সাহায্যে খেলাধুলা করছিল। এমন সময় উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) সেখানে আসলেন। তিনি (এ দৃশ্য দেখে) প্রস্তর খণ্ড তুলে তাদের প্রতি নিক্ষেপ করতে উদ্যত হলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, এদেরকে খেলতে দাও হে উমর!
১৯৫৫
পানি প্রার্থনার দু‘আয় হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আব্বাদ ইবনু তামীম (রহঃ)
আবদুল্লাহ ইবন যায়দ আল-মাযিনী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাতের নির্ধারিত স্থানে চলে গেলেন এবং তথায় পৌঁছে ইসতিসকার সালাত আদায় করলেন। যখন কিবলামুখী হলেন, তিনি তাঁর চাদরটা উল্টিয়ে নিলেন।
১৯৫৬
নবী (ﷺ) সালাতের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ইসতিসকার দোয়া করলেন এবং কিবলামুখী হয়ে তাঁর চাদরটা উল্টে দিলেন। অতঃপর দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। পরিচ্ছেদ নাই
আব্বাদ ইবনু তামীম (রাঃ) থেকে তাঁর চাচার সূত্রে
নবী (ﷺ) সালাতের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ইসতিসকার দোয়া করলেন এবং কিবলামুখী হয়ে তাঁর চাদরটা উল্টে দিলেন। অতঃপর দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন।
১৯৫৭
পানি প্রার্থনার দু‘আয় হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ আল আনসারী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইস্তিস্কার উদ্দেশ্যে মাঠের দিকে বের হয়ে গেলেন। যখন তিনি (ﷺ) দোয়া করার ইচ্ছা করলেন, কিবলামুখী হলেন এবং নিজের চাদর উল্টিয়ে দিলেন।
১৯৫৮
পানি প্রার্থনার দু‘আয় হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আব্বাদ ইবনু তামীম আল মাযিনী (রহঃ) থেকে তাঁর চাচার সূত্রে
যিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদিন ইসতিস্কার উদ্দেশে বের হলেন। তিনি লোকদের দিকে পিঠ রেখে আল্লাহর নিকট দোয়া করতে লাগলেন এবং কিবলার দিকে মুখ করে তাঁর চাদরটা উল্টিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন।
১৯৫৯
পানি প্রার্থনার দু‘আয় হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দোয়া করার সময় উভয় হাত উপরে তুলতে দেখেছি। এতে তাঁর বগলের শুভ্রতা পরিদৃষ্ট হচ্ছিল।
১৯৬০
পানি প্রার্থনার দু‘আয় হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
নবী (ﷺ) ইস্তিসকার দোয়া করেছেন এবং দোয়ার সময় তিনি উভয় হাতের পিঠ দ্বারা আকাশের দিকে ইশারা করেছেন।