৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৯০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৮৯১
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) জুমু‘আর দিন আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর গুণগান করে তাঁর খুতবা (ভাষণ) শুরু করতেন, অতঃপর প্রয়োজনীয় কথা বলতেন। (ভাষণে) তাঁর কণ্ঠস্বর জোরালো হত... হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্ববৎ।
১৮৯২
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লোকদের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত খুতবায় আল্লাহর যথোপযুক্ত প্রশংসা ও গুণগান করতেন, অতঃপর বলতেন: আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে কেউ বিপথগামী করতে পারে না এবং তিনি যাকে বিপথগামী করেন তাকে কেউ হিদায়াত করতে পারে না। সর্বোত্তম বাণী হল আল্লাহর কিতাব, ... অতঃপর হাদিসের অবশিষ্ট বর্ণনা সাকাফি বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ।
১৮৯৩
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
যিমাদ মক্কায় আগমন করেন। তিনি আযদ শানুআহ গোত্রের সদস্য। তিনি বাতাস লাগার ঝাড়ফুঁক করতেন। তিনি মক্কার কতক নির্বোধকে বলতে শুনলেন, মুহাম্মাদ নিশ্চয়ই উন্মাদ। যিমাদ বলেন, আমি যদি লোকটিকে দেখতাম তাহলে আল্লাহ হয়ত আমার হাতে তাঁকে আরোগ্য দান করতেন।বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করে বলেন, হে মুহাম্মাদ! আমি এসব বাতাস লাগার ঝাড়ফুঁক করি। আল্লাহ যাকে চান তাঁকে আমার হাতে আরোগ্য দান করেন। আপনি কি ঝাড়ফুঁক করাতে চান?রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আমি তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন, কেউ তাকে বিপথগামী করতে পারে না এবং তিনি যাকে বিপথগামী করেন, কেউ তাকে হিদায়াত দান করতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রসূল। অতঃপর বর্ণনাকারী বলেন, যিমাদ বললেন, আপনি এ কথাগুলি আমাকে পুনরায় শুনান। অতএব, রসূলুল্লাহ (ﷺ) সে কথাগুলো তাঁকে তিনবার পুনরাবৃত্তি করে শুনান।বর্ণনাকারী বলেন, যিমাদ বলল, আমি অনেক গণক, যাদুকর ও কবির কথা শুনেছি, কিন্তু আপনার এ কথাগুলোর অনুরূপ কথা আমি শুনিনি। এ কথাগুলো সমুদ্রের গভীরে পৌঁছে গেছে।বর্ণনাকারী বলেন, যিমাদ বলেন, আপনার হাত প্রসারিত করুন, আমি আপনার নিকট ইসলামের বায়‘আত গ্রহণ করব। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাঁকে বায়আত করালেন (ইসলাম গ্রহণ করালেন)। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমার সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও কি (বায়আত প্রযোজ্য)? যিমাদ বলেন, আমার সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও।বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি ক্ষুদ্র সামরিক বাহিনী (সারিয়া) প্রেরণ করলে তারা তাঁর সম্প্রদায়ের এলাকা দিয়ে অতিক্রম করে। তখন বাহিনী প্রধান সৈন্যবাহিনীকে বলেন, তোমরা কি এদের থেকে কিছু গ্রহণ করেছ? দলের একজন বলল, আমি তাদের থেকে একটি পানির পাত্র নিয়েছি। সেনা নায়ক বলেন, তোমরা সেটি ফেরত দাও। কারণ তারা যিমাদের সম্প্রদায় (তাদের কিছুই গ্রহণ করা বৈধ হবে না। কেননা যিমাদ নিজে এবং নিজের সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বায়আত গ্রহণ করেছেন)।
১৮৯৪
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ)
আম্মার (রাঃ) আমাদের উদ্দেশে সংক্ষেপে একটি সারগর্ভ ভাষণ দিলেন। তিনি মিম্বার থেকে নামলে আমরা বললাম, হে আবু ইয়াকজান! আপনি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ও সারগর্ভ ভাষণ দিয়েছেন, তবে যদি তা কিছুটা দীর্ঘ করতেন।আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: কোন ব্যক্তির দীর্ঘ সালাত ও সংক্ষিপ্ত ভাষণ তার প্রজ্ঞার পরিচায়ক। অতএব, তোমরা সালাতকে দীর্ঘ এবং ভাষণকে সংক্ষিপ্ত কর। অবশ্যই কোন কোন ভাষণে যাদুকরি প্রভাব থাকে।
১৮৯৫
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ)
জনৈক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর সামনে ভাষণ দিল। সে বলল, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে সে সঠিক পথ পেল। আর যে ব্যক্তি তাদের অবাধ্যচরণ করল, সে পথভ্রষ্ট হল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, “তুমি নিকৃষ্ট বক্তা, তুমি এভাবে বল, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর অবাধ্যতা করল ও রসূলের অবাধ্যতা করল’।” ইবনু নুমাইর বলেন, “পথভ্রষ্ট হল”।
১৮৯৬
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
সফ্‌ওয়ান ইবনু ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ্‌ (রাঃ)
তিনি নবী (ﷺ)-কে মিম্বরের উপর থেকে পাঠ করতে শুনলেন: “তারা চিৎকার করে বলবে, হে মালিক (জাহান্নামের দারোগা)”— (সূরা যুখরুফ ৪৩:৭৭)।
১৮৯৭
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আমরাহ বিনতু ‘আবদুর রহমান (রাঃ)
আমি জুমু’আর দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুখ থেকে শুনে সূরা ক্বাফ মুখস্থ করেছি। তিনি প্রতি জুমু’আর দিন মিম্বারে দাঁড়িয়ে এ সূরা পড়তেন।
১৮৯৮
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আমরাহ্ (রাঃ) তার এক বোনের সূত্রে
যিনি তার বয়োজ্যেষ্ঠা ছিলেন। সুলাইমান ইবন বিলালের হাদিসের অনুরূপ।
১৮৯৯
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
হারিস ইবনু নু’মান (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুখ থেকে শুনেই সূরা 'ক্বাফ' মুখস্থ করেছি। তিনি প্রতি জুমু'আর খুতবায় এ সূরা পড়তেন। বর্ণনাকারী আরো বলেন, আমাদের ও রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর একই রন্ধনশালা ছিল।
১৯০০
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু হিশাম বিনতু হারিসাহ্ ইবনু নু’মান (রাঃ)-এর জনৈকা কন্যার সূত্রে
দেড়-দুই বছর যাবৎ আমাদের ও রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর একই রান্নাঘর ছিল। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুখ থেকে শুনেই ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ‏ মুখস্থ করেছি। তিনি প্রতি জুমার দিন মিম্বারে দাঁড়িয়ে জনগণের উদ্দেশে প্রদত্ত খুতবায় এ সূরাটি পড়তেন।