৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৮৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৮৭১
জুমু‘আর দিনে (সালাত) প্রস্তুতির ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: মসজিদের দরজাগুলোর প্রতিটিতে একজন করে ফেরেশতা নিয়োজিত থাকেন। তিনি আগমনকারীদের নাম (তাদের আগমনের) ক্রমানুসারে লিপিবদ্ধ করেন। মসজিদে সর্বপ্রথম আগমনকারী উট কুরবানীকারীর সমতুল্য ….. এভাবে পর্যায়ক্রমে তুলনা করা হয়েছে, এমনকি একটি ডিমের মতো ক্ষুদ্র বস্তু দানের তুলনা দিয়েছেন। ইমাম যখন (খুতবা দেয়ার উদ্দেশ্যে মিম্বারে) বসেন তখন নথিপত্র গুটিয়ে ফেলা হয় এবং ফেরেশতামণ্ডলী খুতবার আলোচনা শুনতে হাজির হন।
১৮৭২
জুমু‘আর দিনে যে ব্যক্তি (খুত্‌বাহ্‌) শ্রবণ করে এবং চুপ থাকে তার মর্যাদা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেন: যে ব্যক্তি গোসল করে জুমার সালাতে আসল, অতঃপর সাধ্যমত (সুন্নাত) সালাত আদায় করল, অতঃপর ইমামের খুতবা শেষ হওয়া পর্যন্ত নীরব থাকল, অতঃপর ইমামের সাথে (জুমার) সালাত আদায় করল, এতে তার দুই জুমার মধ্যকার দিনসমূহের এবং আরো তিন দিনের পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
১৮৭৩
জুমু‘আর দিনে যে ব্যক্তি (খুত্‌বাহ্‌) শ্রবণ করে এবং চুপ থাকে তার মর্যাদা পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযু করার পর জুমার সালাতে এলো, নীরবে মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনল, তার পরবর্তী জুমা পর্যন্ত এবং আরো অতিরিক্ত তিন দিনের পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি (অহেতুক) কঙ্কর স্পর্শ করল সে অনর্থক, বাতিল, ঘৃণিত ও প্রত্যাখ্যানযোগ্য কাজ করল।
১৮৭৪
পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলে পড়ার সময় জুমু‘আর সালাত প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে জুমার সালাত আদায় করতাম, অতঃপর ফিরে আসতাম এবং আমাদের উষ্ট্রীগুলোকে বিশ্রাম দিতাম। অধস্তন বর্ণনাকারী হাসান (রাঃ) বলেন, আমি উর্ধ্বতন বর্ণনাকারী জাফর (রাঃ)-কে বললাম, সেটা কোন সময় হত? তিনি বলেন, সূর্য ঢলে যাওয়ার সময়।
১৮৭৫
পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলে পড়ার সময় জুমু‘আর সালাত প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবু জা’ফার (রহঃ)
তিনি জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন মুহূর্তে জুমার সালাত আদায় করতেন? তিনি বলেন, তিনি সালাত শেষ করার পর আমরা আমাদের উটের পালের নিকট যেতাম এবং সেগুলোকে বিশ্রাম দিতাম। অধস্তন বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ (রহঃ)-এর বর্ণনায় আরো আছেঃ যখন সূর্য ঢলে যেত, অর্থাৎ- পানিবাহী উটগুলো (বিশ্রাম নিত)।
১৮৭৬
পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলে পড়ার সময় জুমু‘আর সালাত প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল (রাঃ)
আমরা জুমা সালাত আদায়ের পরই বিশ্রাম গ্রহণ করতাম এবং দুপুরের আহার করতাম। ইবনু হুজর (রহঃ)-এর বর্ণনায় আরো আছে, “রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে।
১৮৭৭
পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলে পড়ার সময় জুমু‘আর সালাত প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
সালামাহ্‌ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ)
সূর্য ঢলে যাওয়ার পর আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে জুমার সালাত আদায় করতাম, অতঃপর ছায়া অনুসরণ করতে করতে ফিরে আসতাম।
১৮৭৮
পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলে পড়ার সময় জুমু‘আর সালাত প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
সালামাহ্‌ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে জুমার সালাত আদায়ের পর যখন ফিরে আসতাম তখন আমাদের ছায়া গ্রহণের উপযোগী প্রাচীরের কোনো ছায়া পড়ত না (অর্থাৎ সূর্য ঢলে যাওয়ার পরপরই সালাত আদায় করা হত)।
১৮৭৯
(জুমু‘আর) সালাতের পূর্বে দু’টি খুতবাহ্‌ এবং এর মাঝে জালসাহ্‌ (বৈঠক) প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু উমর (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুমার দিন দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন, অতঃপর বসতেন, অতঃপর দাঁড়াতেন, যেমন আজকাল তোমরা করে থাক।
১৮৮০
(জুমু‘আর) সালাতের পূর্বে দু’টি খুতবাহ্‌ এবং এর মাঝে জালসাহ্‌ (বৈঠক) প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুইটি খুতবা দিতেন, উভয় খুতবার মাঝখানে বসতেন এবং খুতবায় কুরআন পড়তেন এবং জনগণকে উপদেশ দিতেন।