৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৮৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৮৬১
জুমু‘আর দিবসের মর্যাদা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এ দিন আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিন তাঁকে জান্নাতে দাখিল করা হয়েছে এবং এ দিন তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেয়া হয়।
১৮৬২
জুমু‘আর দিবসের মর্যাদা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেনঃ সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এ দিন আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিন তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিন সেখান থেকে তাঁকে বের করে দেয়া হয়েছে, জুমার দিনই কেয়ামত সংঘটিত হবে।
১৮৬৩
জুমু‘আর দিবসে এ উম্মাতের একটি উপঢৌকন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমরা সর্বশেষ উম্মত কিন্তু কেয়ামতের দিন আমরা হব অগ্রগামী। যদিও সকল উম্মতকে কিতাব দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আর আমাদের কিতাব দেয়া হয়েছে সকল উম্মতের পরে। অতঃপর যে দিনটি আল্লাহ আমাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন, সেদিন সম্পর্কে তিনি আমাদের হিদায়াতও দান করেছেন। সেদিনের ব্যাপারে অন্যান্যরা আমাদের পিছনে রয়েছে, (যেমন) ইয়াহুদিরা (আমাদের) পরের দিন এবং খ্রিস্টানরা তাদেরও পরের দিন।
১৮৬৪
জুমু‘আর দিবসে এ উম্মাতের একটি উপঢৌকন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমরা সবশেষে আগত উম্মত এবং আমরা কেয়ামতের দিন হব অগ্রবর্তী ..... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
১৮৬৫
জুমু‘আর দিবসে এ উম্মাতের একটি উপঢৌকন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমরা সবশেষে আগত উম্মত, কিন্তু কেয়ামতের দিন আমরা হব সর্বাগ্রবর্তী, আমরাই প্রথম জান্নাতে প্রবেশ করব। অথচ তাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে এবং আমাদেরকে তা দেয়া হয়েছে তাদের পরে। তারা বিরোধে লিপ্ত হয়ে পড়ল, কিন্তু তারা যে সত্য দ্বীনের ব্যাপারে বিরোধে লিপ্ত হয়েছিল, আল্লাহ আমাদেরকে সে দিন সম্পর্কে হিদায়াত দান করেছেন। আমাদের জন্য আজকে জুমার দিন আর ইহুদীদের জন্য পরের দিন এবং খ্রিস্টানদের জন্য তারও পরের দিন।
১৮৬৬
জুমু‘আর দিবসে এ উম্মাতের একটি উপঢৌকন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: আমরা সবশেষে আগত উম্মত কিন্তু কেয়ামতের দিন সবার অগ্রবর্তী থাকব। অথচ তাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে আমাদের আগে এবং আমাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের পরে। এটি তাদের সেই দিন যা তাদের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছিল, কিন্তু তারা এ দিনটি সম্পর্কে মতভেদে লিপ্ত হল। আল্লাহ আমাদেরকে দিনটির ব্যাপারে হিদায়াত দান করেছেন। অতএব, তারা আমাদের পশ্চাদগামী, ইয়াহুদীরা পরের দিন (শনিবার) এবং খ্রিষ্টানরা তারও পরের দিন (রবিবার)।
১৮৬৭
জুমু‘আর দিবসে এ উম্মাতের একটি উপঢৌকন পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ আমাদের পূর্ববর্তীদেরকে জুমার দিন সম্পর্কে সঠিক পথের সন্ধান দেননি বিরোধে লিপ্ত হওয়ার কারণে। তাই ইহুদীদের জন্য শনিবার এবং খ্রিস্টানদের জন্য রবিবার জুমা নির্ধারিত হয়েছে। আল্লাহ আমাদেরকে (পৃথিবীতে) আনলেন এবং আমাদেরকে জুমার দিনের সঠিক সন্ধান দিলেন। অতএব তিনি জুমার দিন, শনিবার ও রবিবার এভাবে (বিন্যাস) করলেন, এভাবে তারা কেয়ামতের দিন আমাদের পশ্চাদবর্তী হবে। আমরা পৃথিবীবাসীর মধ্যে শেষে আগমনকারী উম্মত এবং কেয়ামতের দিন হব সর্বপ্রথম, যাদের সমগ্র সৃষ্টির সর্বপ্রথম বিচার অনুষ্ঠিত হবে। অধস্তন বর্ণনাকারী ওয়াসিল (রাঃ)-এর বর্ণনায় আছে “সকলের মধ্যে”।
১৮৬৮
জুমু‘আর দিবসে এ উম্মাতের একটি উপঢৌকন পরিচ্ছেদ নাই
হুযায়ফাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমাদেরকে জুমার দিন সম্পর্কে সঠিক পথের সন্ধান দেয়া হয়েছে এবং আল্লাহ আমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দেননি। হাদিসের অবশিষ্ট বর্ণনা বর্ণনাকারী ইবনু ফুযাইল (রাঃ)-এর বর্ণনার অনুরূপ।
১৮৬৯
জুমু‘আর দিনে (সালাত) প্রস্তুতির ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: জুমার দিন এলে মসজিদে যতগুলো দরজা আছে তার প্রতিটিতে ফেরেশতারা নিযুক্ত হন এবং তারা আগমনকারীদের নাম ক্রমানুসারে নথিবদ্ধ করেন। ইমাম যখন (মিম্বারে) বসেন তখন তারা নথিপত্র গুটিয়ে আলোচনা শোনায় চলে আসেন। মসজিদে সর্বপ্রথম আগমনকারী মুসল্লি উট কুরবানিকারীর সমতুল্য, তৎপরবর্তী আগমনকারী গরু কুরবানিকারীর সমতুল্য, এরপর আগমনকারী মেষ কুরবানিকারীর সমতুল্য, তারপর আগমনকারী মুরগি কুরবানিকারীর সমতুল্য, পরে আগমনকারী ডিম দানকারীর সমতুল্য নেকি পাবে।
১৮৭০
জুমু‘আর দিনে (সালাত) প্রস্তুতির ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।