৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৮৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৮৪১
জুমু‘আর দিনে প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত পুরুষের ওপর গোসল করা ওয়াজিব প্রসঙ্গে এবং এ সম্পর্কে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
একদা জুমার দিন উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তখন উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) প্রবেশ করেন। উমর (রাঃ) তার প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, লোকদের কি হল যে, তারা আযানের পরও (মসজিদে আসতে) বিলম্ব করে।উসমান (রাঃ) বলেন, হে আমীরুল মু'মিনীন! আমি আযান শোনার পর ওজু করা ছাড়া অতিরিক্ত আর কিছু করিনি, অতঃপর এসে পৌঁছেছি।উমর (রাঃ) বলেন, ওজুও চলে তবে আপনারা কি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেননি, তোমাদের কেউ যখন জুমার সালাতে আসে সে যেন গোসল করে
১৮৪২
জুমু‘আর দিনে প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত পুরুষের ওপর গোসল করা ওয়াজিব প্রসঙ্গে এবং এ সম্পর্কে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জুমার দিনে গোসল করা অপরিহার্য।
১৮৪৩
জুমু‘আর দিনে প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত পুরুষের ওপর গোসল করা ওয়াজিব প্রসঙ্গে এবং এ সম্পর্কে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
লোকজন তাদের বাড়ি-ঘর থেকে এবং মদিনার উপকণ্ঠ থেকে জুমার সালাত আদায় করতে আসত। তারা আবা (এক প্রকার ঢিলা পোশাক) পরিধান করে আসত এবং তাতে ময়লা লেগে যেত। এতে তাদের দেহ নির্গত ঘাম থেকে দুর্গন্ধ ছড়াত। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তোমরা যদি তোমাদের দিনটিতে অধিক পবিত্রতা অর্জন করতে, তোমরা যদি এ দিনে পবিত্রতা অর্জন করতে!
১৮৪৪
জুমু‘আর দিনে প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত পুরুষের ওপর গোসল করা ওয়াজিব প্রসঙ্গে এবং এ সম্পর্কে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
লোকজন ছিল শ্রমজীবী। তাদের কাজের জন্য বিকল্প লোক ছিল না। তাদের (ঘর্মাক্ত) দেহে দুর্গন্ধ ছড়াত। তাই তাদের বলা হল, তোমরা যদি জুমার দিন গোসল করতে!
১৮৪৫
জুমু‘আর দিনে সুগন্ধি ও মিসওয়াক ব্যবহার প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ জুমু‘আর দিন প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির গোসল ও মিসওয়াক করা কর্তব্য এবং সামর্থ্য থাকলে সে যেন সুগন্ধি ব্যবহার করে। অধস্তন বর্ণনাকারী বুকাইর আবদুর রহমান-এর উল্লেখ করেননি এবং সুগন্ধির ব্যাপারে তার বর্ণনায় আছেঃ “এমনকি স্ত্রীর সুগন্ধি থেকে হলেও।”
১৮৪৬
জুমু‘আর দিনে সুগন্ধি ও মিসওয়াক ব্যবহার প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
তিনি জুমু‘আর দিন গোসল সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বাণী উল্লেখ করেছেন। ত্বাউস (রহঃ) বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে বললাম, সে সুগন্ধি ব্যবহার করবে, না তেল ব্যবহার করবে, যদি তা তার পরিবারের মওজুদ থাকে? তিনি বলেন, আমি তা জানি না।
১৮৪৭
জুমু‘আর দিনে সুগন্ধি ও মিসওয়াক ব্যবহার প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
ইসহাক্ব ইবনু ইব্রাহীম, হারূন ইবনু ‘আবদুল্লাহ(রহঃ) ..... উভয়ে একই সানাদে ইবনু জুরায়জ (রাঃ)
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
১৮৪৮
জুমু‘আর দিনে সুগন্ধি ও মিসওয়াক ব্যবহার প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেনঃ প্রত্যেক মুসলিমের উপর আল্লাহর অধিকার এই যে, সে প্রতি সাতদিন অন্তর গোসল করবে, মাথা ও দেহ ধৌত করবে।
১৮৪৯
জুমু‘আর দিনে সুগন্ধি ও মিসওয়াক ব্যবহার প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: যে ব্যক্তি জুমুয়ার দিন জানাবাতের (ফরজ গোসল) গোসলের মত গোসল করল, অতঃপর দিনের প্রথমভাগে মসজিদে এল, সে যেন একটি উট কোরবানি করল। অতঃপর যে ব্যক্তি আসলো সে যেন একটি গরু কোরবানি করল; অতঃপর যে ব্যক্তি আসলো সে যেন একটি ভেড়া কোরবানি করল, অতঃপর যে ব্যক্তি আসলো সে যেন একটি মুরগী কোরবানি করল, অতঃপর যে ব্যক্তি আসলো সে যেন একটি ডিম কোরবানি করল। অতঃপর ইমাম যখন খুতবা দিতে (দাঁড়ালেন) তখন ফেরেশতাগণ খুতবা শোনার জন্য উপস্থিত হন।
১৮৫০
জুমু‘আর দিন খুত্‌বাহ্‌ চলাকালীন সময় চুপ থাকা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: ইমামের খুতবা দানরত অবস্থায় তুমি যদি তোমার সাথীকে বল, 'চুপ কর' তবে তুমি অনর্থক কাজ করলে।