৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৮৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৮২১
আসর সালাতের পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পঠিত দু' রাক'আত সালাত সম্পর্কে জ্ঞাতব্য পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার ঘরে অবস্থানকালে দুই সালাত প্রকাশ্যে বা গোপনে কখনো ত্যাগ করেননি: ফজরের সালাতের পূর্বে দুই রাকাত এবং আসরের সালাতের পর দুই রাকাত।
১৮২২
আসর সালাতের পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পঠিত দু' রাক'আত সালাত সম্পর্কে জ্ঞাতব্য পরিচ্ছেদ নাই
আসওয়াদ ও মাসরূক্ব (রহঃ)
আমরা আয়িশা (রাঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার পালার দিন আমার ঘরে অবস্থানকালে আসর সালাতের পর দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন।
১৮২৩
মাগরিবের (ফরজ) সালাতের পূর্বক্ষণে দু' রাক'আত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
মুখতার ইবনু ফুলফুল (রহঃ)
আমি আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-এর নিকট আসরের সালাতের পর দুই রাকাত সালাত আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। উমর (রাঃ) আসরের সালাতের পর সালাত আদায় করার অপরাধে লোকদের হাতে আঘাত করতেন। আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে সূর্যাস্তের পর মাগরিবের সালাতের পূর্বে দুই রাকাত সালাত আদায় করতাম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি তা আদায় করতেন? তিনি বলেন, তিনি আমাদেরকে এ সালাত আদায় করতে দেখতেন, কিন্তু তিনি তা আদায় করতে আমাদের নির্দেশও দিতেন না এবং নিষেধও করতেন না।
১৮২৪
মাগরিবের (ফরজ) সালাতের পূর্বক্ষণে দু' রাক'আত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ)
আমরা মাদীনায় ছিলাম। মুয়ায্‌যিন মাগরিবের সালাতের আযান দিলে তারা তাড়াহুড়া করে স্তম্ভের নিকট গিয়ে দুই রাকাত দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন। এমনকি কোনো আগন্তুক মসজিদে প্রবেশ করলে অধিক সংখ্যক সালাত আদায়কারীর কারণে মনে হতো যে, (ফরজ) সালাত শেষ হয়ে গেছে।
১৮২৫
প্রত্যেক দু'আযানের (আযান ও ইক্বামাত) মাঝে রয়েছে সালাত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফ্‌ফাল আল মুযানী (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: প্রতি দুই আযানের মাঝখানে সালাত আছে। তিনি কথাটি তিনবার বলেন। তৃতীয়বারে তিনি বলেন: যে তা আদায় করতে চায় তার জন্য।
১৮২৬
প্রত্যেক দু'আযানের (আযান ও ইক্বামাত) মাঝে রয়েছে সালাত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফ্ফাল (রাযিঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি চতুর্থবারে বলেছেনঃ যার ইচ্ছা হয়।
১৮২৭
শঙ্কার (ভয়ের) সময় সালাত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুইটি দলের এক দলের সাথে এক রাকাত সালাতুল খাওফ আদায় করেন, তখন অপর দলটি শত্রুবাহিনীর মুকাবিলায় রত ছিলেন। অতঃপর প্রথম দলটি দ্বিতীয় দলের স্থানে গিয়ে শত্রুর মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণ করে এবং শেষোক্ত দলটি আসলে নবী (ﷺ) তাদের সাথে এক রাকাত সালাত আদায় করে সালাম ফিরান। অতঃপর উভয় দল পৃথক পৃথকভাবে এক রাকাত করে সালাত আদায় করে।
১৮২৮
শঙ্কার (ভয়ের) সময় সালাত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাযিঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সালাতুল খাওফ সম্পর্কে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে এ সালাত আদায় করেছি ..... পূর্বোক্ত হাদিসের সমার্থবোধক।
১৮২৯
শঙ্কার (ভয়ের) সময় সালাত পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু 'উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন এক যুদ্ধে সালাতুল খাওফ (শঙ্কাকালীন সালাত) আদায় করলেন। সামরিক বাহিনীর একাংশ তাঁর সাথে সালাতে দাঁড়াল এবং অপরাংশ শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে অবস্থানে ছিল। তিনি তাঁর সঙ্গের দলটিকে নিয়ে এক রাকাত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তারা চলে গেল এবং অপর দলটি আসার পর তিনি তাদের নিয়ে আর এক রাকাত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর উভয় দল স্বতন্ত্রভাবে এক রাকাত করে সালাত আদায় করে নিল। ইবন উমর (রাঃ) বলেন, ভয়-ভীতি বা বিপদাশঙ্কা অধিক বৃদ্ধি পেলে আরোহী অবস্থায় বা দাঁড়ানো অবস্থায় ইশারায় সালাত আদায় করবে।
১৮৩০
শঙ্কার (ভয়ের) সময় সালাত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে সালাতুল খাওফ আদায় করেছি। তিনি আমাদেরকে দু'দলে বিভক্ত করলেন। একদল ছিল রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পিছনে আর শত্রুবাহিনী ছিল আমাদের ও কেবলার মাঝখানে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকবিরে তাহরিমা বললে আমরাও সকলে তাকবিরে তাহরিমা বললাম। তিনি রুকু করলে আমরা সকলেই রুকু করলাম অতঃপর তিনি রুকু থেকে মাথা উঠালে আমরাও সকলেই মাথা উঠালাম।অতঃপর তিনি সিজদায় গেলেন এবং তাঁর নিকটস্থ কাতারের লোকজনও, আর খানিক দূরের কাতারটি শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকল। নবী (ﷺ) যখন সিজদা সমাপ্ত করলেন এবং তাঁর নিকটস্থ কাতারও দাঁড়িয়ে গেল, তখন খানিক দূরের কাতারটি সিজদায় গেল। আর এরা দাঁড়িয়ে থাকল। অতঃপর পিছনের দলটি সামনে আসল এবং সামনের দলটি পিছনে সরে গেল।অতঃপর নবী (ﷺ) রুকু করলে আমরাও সকলে রুকু করলাম। অতঃপর তিনি রুকু থেকে মাথা উঠালে আমরাও সকলেই মাথা উঠালাম। অতঃপর তিনি সিজদায় গেলেন এবং তাঁর নিকটবর্তী দলটি যারা প্রথম রাকাতে পিছনে ছিল, তারাও। আর খানিক দূরের দলটি শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকল। নবী (ﷺ) তাঁর নিকটবর্তী দলটিসহ সিজদা সমাপ্ত করার পর খানিক দূরের দলটি সিজদায় গেল। এবং এভাবে সালাত আদায় করল। অতঃপর নবী (ﷺ) সালাম ফিরালে আমরাও সালাম ফিরালাম। জাবির (রাঃ) বলেন, যেমন তোমাদের প্রহরীগণ তাদের আমীরগণকে পাহারা দেয়।