৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৮১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৮০১
ক্বিরাআত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ নাই
আলক্বামাহ্ (রহঃ)
আমরা সিরিয়ায় পৌঁছলাম, আবু দারদা (রাঃ) আমাদের কাছে আগমন করলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি, যে আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর কিরাআত পড়ে? আমি বললাম, হ্যাঁ আমি। তুমি আব্দুল্লাহ (রাঃ)-কে এই আয়াত কীভাবে পড়তে শুনেছ? তিনি বললেন, আমি তাকে উক্ত আয়াত এভাবে পড়তে শুনেছি : وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى * وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى‏। আবু দারদা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আয়াতটি এভাবে পড়তে শুনেছি। কিন্তু এরা চায়, আমি যেন وَمَا خَلَقَ সহযোগে পড়ি। আমি তাদের অনুসরণ করব না।
১৮০২
ক্বিরাআত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ নাই
ইব্রাহীম (রহঃ)
আলকামা (রহঃ) সিরিয়ায় এলেন। তিনি মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করলেন, অতঃপর উঠে দাঁড়িয়ে একটি পাঠচক্রে গিয়ে বসলেন। আলকামা (রহঃ) বলেন, জনৈক ব্যক্তি এলে আমি লোকদের মধ্যে তার প্রতি সপ্রতিভ সঙ্কোচবোধ লক্ষ্য করলাম। তিনি আমার পাশে বসলেন, অতঃপর (আমাকে) বললেন, আব্দুল্লাহ (রাঃ) যেভাবে পড়তেন, তুমি কি সেভাবে সংরক্ষণ করেছ…পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
১৮০৩
ক্বিরাআত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ নাই
আলক্বামাহ্ (রহঃ)
আমি আবু দারদা (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি আমাকে বলেন, তুমি কোথা থেকে এসেছ? আমি বললাম, ইরাকবাসী। কোন এলাকার? আমি বললাম, কুফা এলাকার, তিনি জিজ্ঞেস করেন, তুমি আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর কিরাআত পড়তে পার? আমি বললাম, হ্যাঁ। তাহলে وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى‏ সূরাটি পড়। আমি পড়লাম وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى * وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّى * وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى তিনি বলেন, আবু দারদা (রাঃ) হেসে দিয়ে বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সূরাটি এভাবে পড়তে শুনেছি।
১৮০৪
ক্বিরাআত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ নাই
আলক্বামাহ্ (রহঃ)
আমি সিরিয়ায় পৌঁছে আবু দরদা (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা ইবন উলাইয়্যাহ (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।
১৮০৫
যে সকল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)
আসরের সালাতের পর থেকে সূর্যাস্ত না হওয়া পর্যন্ত এবং ফজরের সালাতের পর থেকে সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।
১৮০৬
যে সকল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাযিঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর একাধিক সাহাবীর নিকট শুনেছি, যাদের মধ্যে আমার প্রিয়তম উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-ও অন্তর্ভুক্ত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের সালাতের পর থেকে সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের সালাতের পর থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।
১৮০৭
যে সকল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
যুহায়র ইবনু হারব, আবূ গাস্সান মিসমা‘ঈ, ইসহাক্ব ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ)…সকলে ক্বাতাদাহ্ (রহঃ)
এ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে সাঈদ ও হিশাম (রাঃ)-এর বর্ণনায় আছে : ‘ফজরের সালাতের পর সূর্য আলোকোজ্জ্বল না হওয়া পর্যন্ত।’
১৮০৮
যে সকল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আসরের সালাতের পর থেকে সূর্য অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত কোন সালাত নেই এবং ফজরের সালাতের পর থেকে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত।
১৮০৯
যে সকল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কেউ যেন সূর্যোদয়কালে এবং সূর্যাস্তের সময় সালাত আদায় করার সংকল্প না করে।
১৮১০
যে সকল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় তোমাদের সালাতের সংকল্প করো না। কারণ সূর্য শয়তানের দুই শিং-এর মাঝখান দিয়ে উদিত হয়।