৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৮২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৮১১
যে সকল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সূর্যের কিনারা যখন প্রকাশিত হয় তখন সম্পূর্ণ প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত তোমরা সালাত বিলম্বিত কর। আবার সূর্যের কিনারা যখন অদৃশ্য হয়ে যায় তখন সম্পূর্ণ অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত তোমরা সালাত বিলম্বিত কর।
১৮১২
যে সকল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাস্‌রাহ্‌ আল গিফারী (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) 'মুখাম্মাস' নামক স্থানে আমাদের নিয়ে আসরের সালাত আদায় করলেন। তিনি বললেনঃ এ সালাত তোমাদের পূর্ববর্তীদের নিকট পেশ করা হয়েছিল, কিন্তু তারা এ সালাত ধ্বংস করে দিল। যে ব্যক্তি এ সালাতের প্রতি যত্নবান হবে তাকে দ্বিগুণ সওয়াব দেয়া হবে। এ সালাতের পর শাহিদ অর্থাৎ তারকা উদিত না হওয়া পর্যন্ত কোনও সালাত নেই।
১৮১৩
যে সকল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাস্‌রাহ্‌ আল গিফারী (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের সাথে আসরের সালাত আদায় করলেন... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
১৮১৪
যে সকল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
উলাইয়্যি (রহঃ)
আমি উকবা ইবন আমির আল জুহানি (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তিনটি সময়ে আমাদেরকে সালাত আদায় করতে এবং আমাদের মৃতদেরকে দাফন করতে নিষেধ করেছেন :(১) সূর্য যখন আলোকোদ্ভাসিত হয়ে উদয় হতে থাকে তখন থেকে তা পরিষ্কারভাবে উপরে উঠা পর্যন্ত,(২) সূর্য যখন ঠিক দ্বিপ্রহরের সময় থেকে হেলে যাওয়া পর্যন্ত,(৩) সূর্য ক্ষীণ আলোক হওয়া থেকে তা সম্পূর্ণ অস্ত যাওয়া পর্যন্ত।
১৮১৫
আমর ইবনু ‘আবাসাহ্ (রাযিঃ)-এর ইসলাম গ্রহণ পরিচ্ছেদ নাই
ইকরামাহ (রহঃ)
শাদ্দাদ (রহঃ), আবু উমামা ও ওয়াসিলা (রাঃ)–এর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং সিরিয়ায় আনাস (রাঃ)-এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং তাঁর উচ্ছসিত প্রশংসা ও গুণগান করেছেন। আবু উসামা (রাঃ) বলেন, আম্‌র ইবন আবাসা আস সুলামী (রাঃ) বলেছেন, আমি জাহিলী যুগে ধারণা করতাম যে, সব লোকই পথভ্রষ্ট ও তাদের কোনো ধর্ম নেই। তারা দেব-দেবীর পূজা করত। এ অবস্থায় আমি শুনতে পেলাম যে, মক্কায় জনৈক ব্যক্তি বিভিন্ন বিষয় বর্ণনা করেছেন। আমি আমার বাহনে উপবিষ্ট হয়ে তাঁর নিকট এসে পৌঁছে দেখলাম যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেকে জনসমাগম থেকে সরিয়ে রাখেন, তাঁর সম্প্রদায় তাঁকে অত্যাচার-নির্যাতন করে। আমি কৌশলে মক্কায় তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম।আমি তাঁকে বললাম, আপনি কে? তিনি বলেনঃ আমি একজন নবী। আমি বললাম, নবী কি? তিনি বললেনঃ আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন। আমি বললাম, তিনি আপনাকে কোন জিনিস দিয়ে পাঠিয়েছেন? তিনি বলেন, তিনি আমাকে আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখতে, মূর্তিসমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে, আল্লাহ এক বলে ঘোষণা করতে এবং তাঁর সাথে কোনো কিছু শরীক না করতে পাঠিয়েছেন। আমি তাঁকে বললাম, এ ব্যাপারে আপনার সাথে কারা আছে? তিনি বলেনঃ স্বাধীন ও দাসেরা। বর্ণনাকারী বলেন, সেকালে তাঁর সাথে ছিলেন তাঁর ওপর ঈমান আনয়নকারী আবু বকর (রাঃ), বিলাল (রাঃ) প্রমুখ। আমি বললাম, আমিও আপনার অনুসারী হতে চাই। বর্তমান পরিস্থিতিতে তুমি তাতে সক্ষম হবে না। তুমি কি আমার অবস্থা এবং (ঈমান আনয়নকারী) অন্যদের অবস্থা দেখছ না? বরং তুমি তোমার পরিবারে ফিরে যাও, যখন তুমি শুনতে পাবে যে, আমি বিজয়ী হয়েছি তখন আমার নিকট এসো। বর্ণনাকারী বলেন, তাই আমি আমার পরিবারে ফিরে এলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় আগমন করলেন, আমি তখন আমার পরিবারের সাথে ছিলাম। তিনি মদীনায় আসার পর থেকে আমি খবরাখবর নিতে থাকলাম এবং লোকজনের নিকট জিজ্ঞেস করতে থাকলাম। শেষে আমার নিকট ইয়াসরিব-এর একদল লোক অর্থাৎ একদল মদীনার অধিবাসী এলে আমি জিজ্ঞেস করলাম, যে ব্যক্তি মদীনায় এসেছেন তিনি কি করেন? তারা বলেন, লোকজন অতি দ্রুত তাঁর অনুসারী হচ্ছে, অথচ তাঁর জাতি তাঁকে হত্যা করতে বদ্ধ পরিকর, কিন্তু তারা তাতে সক্ষম হয়নি।অতএব, আমি মদীনায় এসে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, তুমি তো মক্কায় আমার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম : হ্যাঁ। আমি আরও বললাম, হে আল্লাহর নবী! আল্লাহ আপনাকে যা শিখিয়েছেন এবং যে সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ অজ্ঞ তা আমাকে শিক্ষা দিন, আমাকে সালাত সম্পর্কে অবহিত করুন। ফজরের সালাত আদায় কর, অতঃপর সূর্য উদিত হয়ে উপরে না ওঠা পর্যন্ত সালাত থেকে বিরত থাক। কারণ সূর্য উদিত হওয়ার সময় শয়তানের দুইটি শিং-এর মাঝখান দিয়ে উদিত হয় এবং তখন কাফিররা সূর্যকে সিজদা করে। অতঃপর তীরের ছায়া তার সমান না হওয়া পর্যন্ত তুমি সালাত আদায় কর, কারণ এ সালাতে ফেরেশতাগণ উপস্থিত হন। অতঃপর সালাত থেকে বিরত থাক, কারণ তখন জাহান্নামকে উত্তপ্ত করা হয়। অতঃপর সূর্য যখন ঢলে যায় তখন থেকে সালাত আদায় কর, এবং আসরের সালাত আদায় করা পর্যন্ত ফেরেশতাগণ উপস্থিত থাকেন। অতঃপর সূর্য অস্তমিত হওয়া পর্যন্ত সালাত থেকে বিরত থাক। কারণ তা শয়তানের দুইটি শিং-এর মাঝখান দিয়ে অস্ত যায় এবং তখন কাফিররা সূর্যকে সিজদা করে।বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! ওজু সম্পর্কে আমাকে বলুন। তোমাদের যে কোনো ব্যক্তির নিকট ওজুর পানি পেশ করা হলে সে যেন কুলি করে, নাকে পানি দিয়ে তা পরিষ্কার করে, এতে তার মুখমণ্ডলের ও নাক গহ্বরের সমস্ত পাপ ঝরে যায়। অতঃপর যখন সে আল্লাহর নির্দেশ মতো মুখমণ্ডল ধৌত করে, তখন পানির সাথে তার মুখমণ্ডল থেকে, এমনকি দাড়ির আশপাশের সমস্ত পাপ ঝরে যায়। অতঃপর তার দুই হাত কনুই পর্যন্ত ধোয়ার সাথে সাথে তার আঙুলসমূহ থেকে পানির সাথে গুনাহসমূহ ঝরে যায়। অতঃপর সে যখন তার পদদ্বয় ধৌত করে তখন তার আঙুলসমূহ দিয়ে তার পাপসমূহ ঝরে যায়। অতঃপর সে যদি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করে, তাঁর যথাযোগ্য মর্যাদা বর্ণনা করে এবং আল্লাহর জন্য নিজের অন্তরকে পৃথক করে নেয় তাহলে সে তার জন্মদিনের মতো গুনাহমুক্ত হয়ে যায়।আম্‌র ইবন আবাসা (রাঃ) এ হাদীস রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী আবু উমামা (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি তাঁকে বলেন, হে আম্‌র ইবন আবাসা! লক্ষ্য করুন আপনি বলেছেন, এক স্থানেই লোকটিকে এত সাওয়াব দেয়া হবে! আম্‌র (রাঃ) বলেন, হে আবু উমামা! আমি বার্ধক্যে পৌঁছে গেছি, আমার হাড়গোড় দুর্বল হয়ে গেছে এবং আমার মৃত্যু সন্নিকটে। এ অবস্থায় আল্লাহ ও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি মিথ্যারোপে আমার কি ফায়দা? আমি যদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ হাদীস একবার, দুইবার, তিনবার, এমনকি সাতবার গুণতাম তাহলে কখনো তা বর্ণনা করতাম না, কিন্তু এর অধিক সংখ্যক বার তাঁর নিকট শুনেছি।
১৮১৬
সূর্যোদয় ও অস্তকালে সালাত আদায় না করা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাযিঃ)
উমর (রাঃ) ধারণা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তকালে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।
১৮১৭
সূর্যোদয় ও অস্তকালে সালাত আদায় না করা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আসরের সালাতের পর দুই রাকাত (নফল) সালাত (আদায় করা) ত্যাগ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন, আয়িশা (রাঃ) আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপেক্ষায় থেকো না যে, তখন সালাত আদায় করবে।
১৮১৮
আসর সালাতের পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পঠিত দু' রাক'আত সালাত সম্পর্কে জ্ঞাতব্য পরিচ্ছেদ নাই
কুরায়ব (রহঃ)
আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস, আবদুর রহমান ইবন আজহার ও মিসওয়ার ইবন মাখরামা (রাঃ) প্রমুখ তাকে মহানবী (ﷺ)-এর স্ত্রী আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। তারা বললেন, "তুমি তাকে [আয়িশা (রাঃ)-কে] আমাদের পক্ষ থেকে সালাম জানাবে এবং আসরের সালাতের পর দুই রাকাত (নফল) সালাত আদায় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে এবং বলবে যে, আমাদের অবহিত করা হয়েছে যে, আপনি সে দুই রাকাত আদায় করেন, অথচ আমরা জানতে পেরেছি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা আদায় করতে নিষেধ করেছেন।"ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, "আমিও উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে লোকজনকে এ সালাত থেকে বিরত রাখতাম।"আবু কুরায়ব (রাঃ) বলেন, "তারা আমাকে যে বিষয়সহ পাঠিয়েছিলেন, আমি তাঁর ঘরে প্রবেশ করে তা তাঁকে পৌঁছে দিলাম।"তিনি বলেন, "উম্মু সালামা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস কর।"আমি বের হয়ে তাদের নিকট এসে আয়িশা (রাঃ)-এর কথা তাদেরকে অবহিত করলাম। অতঃপর তারা আমাকে যে বিষয়সহ আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট পাঠিয়েছিলেন, সেই একই বিষয়সহ উম্মু সালামা (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন।উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, "আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সে সালাত আদায় করতে নিষেধ করতে শুনেছি, তা সত্ত্বেও পরে আমি তাঁকে তা আদায় করতে দেখেছি। তিনি যখন এ সালাত আদায় করেছেন তার বিবরণ এই যে, তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন, অতঃপর আমার নিকট প্রবেশ করলেন, তখন আনসার সম্প্রদায়ভুক্ত বানু হারাম-এর কতক মহিলা আমার নিকট উপস্থিত ছিল। তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। আমি এক দাসীকে তাঁর নিকট পাঠিয়ে বললাম, তুমি গিয়ে তাঁর এক পাশে দাঁড়াবে, তারপর তাঁকে বলবে, উম্মু সালামা (রাঃ) বলেছেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! এ দুই রাকাত সালাত আদায় করতে আপনি নিষেধ করেছেন তা আমি শুনেছি, আর এখন দেখছি, আপনি তা আদায় করছেন।’ তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করলে সে তাঁর জন্য অপেক্ষা করবে।"বর্ণনাকারী বলেন, "দাসী তাই করল। তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করলে সে তাঁর জন্য অপেক্ষায় থাকে। তিনি সালাত থেকে অবসর হয়ে বলেনঃ ‘হে আবু উমাইয়া-র কন্যা! তুমি আসরের সালাতের পর দুই রাকাত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছ। তার বিবরণ এই যে, আব্দুল কায়স গোত্রের কতক লোক স্বগোত্রের পক্ষ থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের উদ্দেশে আমার নিকট আসে। (তাদের নিয়ে) ব্যস্ত থাকার কারণে আমি যুহরের সালাতের পরবর্তী দুই রাকাত সালাত আদায় করতে পারিনি। এ হল সে দুই রাকাত।’
১৮১৯
আসর সালাতের পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পঠিত দু' রাক'আত সালাত সম্পর্কে জ্ঞাতব্য পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সালামাহ্‌ (রাযিঃ)
তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে দুই রাকাত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আসরের সালাতের পর আদায় করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আসরের সালাতের আগে ওই দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন। অতঃপর ব্যস্ততার কারণে অথবা ভুলে গিয়ে তিনি তা আদায় করেননি। সে দুই রাকাতই তিনি আসরের সালাতের পর আদায় করেছেন, অতঃপর তা নিয়মিত পড়তে থাকেন। তিনি কোন সালাত আদায় করলে তা নিয়মিত আদায় করতেন।
১৮২০
আসর সালাতের পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পঠিত দু' রাক'আত সালাত সম্পর্কে জ্ঞাতব্য পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার নিকট অবস্থানকালে আসর সালাতের পরের দুইটি রাকাত কখনো ত্যাগ করেননি।