৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৮৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৮৮১
(জুমু‘আর) সালাতের পূর্বে দু’টি খুতবাহ্‌ এবং এর মাঝে জালসাহ্‌ (বৈঠক) প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিতেন, অতঃপর বসতেন, অতঃপর দাঁড়িয়ে আবার খুতবা দিতেন। যে ব্যক্তি তোমাকে অবহিত করেছে যে, তিনি বসা অবস্থায় খুতবা দিতেন, সে মিথ্যা বলেছে। আল্লাহর শপথ! আমি নিশ্চয়ই তাঁর সাথে দুই হাজারেরও অধিকবার সালাত আদায় করেছি (জুমু‘আর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত)।
১৮৮২
আল্লাহ তা‘আলার এ উক্তি প্রসঙ্গেঃ “যখন তারা দেখল ব্যবসায় ও কৌতুক তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে তার দিকে ছুটে গেল” পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) দাঁড়ানো অবস্থায় জুমুয়ার দিন খুতবা দিতেন। একদা জুমুয়ার সালাতের খুতবা চলাকালে সিরিয়ার একটি বণিক এসে পৌঁছালে বারোজন লোক ব্যতীত সকলে তাদের নিকট ছুটে চলে গেল। তখন সূরা জুমুয়ার এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ (অর্থ) “যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয়, তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল”-(সূরা আল-জুমু’আহ ৬২:১১)।
১৮৮৩
আল্লাহ তা‘আলার এ উক্তি প্রসঙ্গেঃ “যখন তারা দেখল ব্যবসায় ও কৌতুক তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে তার দিকে ছুটে গেল” পরিচ্ছেদ নাই
হুসায়ন (রহঃ)
হুসাইন (রহঃ) থেকে একই সানাদে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খুতবা দিতেন এবং তিনি “দাঁড়ানো অবস্থায়” কথাটুকু উল্লেখ করেননি।
১৮৮৪
আল্লাহ তা‘আলার এ উক্তি প্রসঙ্গেঃ “যখন তারা দেখল ব্যবসায় ও কৌতুক তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে তার দিকে ছুটে গেল” পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ)
আমরা জুমু’আর দিন নবী (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। এমতাবস্থায় কিছু ছাতুর চালান এসে পৌঁছল। বর্ণনাকারী বলেন, লোকজন সেদিকে চলে গেল এবং বারোজন ব্যতীত আর কেউ ছিল না। আমি এদের সাথে ছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেন। (অনুবাদ) : “যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয়, তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল .....”-(সূরা আল-জুমু’আহ ৬২ : ১১) আয়াতের শেষ পর্যন্ত।
১৮৮৫
আল্লাহ তা‘আলার এ উক্তি প্রসঙ্গেঃ “যখন তারা দেখল ব্যবসায় ও কৌতুক তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে তার দিকে ছুটে গেল” পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
একদা এক জুমু’আর দিন নবী (ﷺ) দাঁড়ানো অবস্থায় ছিলেন (জুমু’আর খুতবাহ দিচ্ছিলেন)। এমতাবস্থায় একটি বণিক দল মদিনায় এসে পৌঁছল। রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীগণ সেদিকে ছুটে গেলেন। এমনকি বারোজন ব্যতীত আর কেউ অবশিষ্ট ছিলেন না। আবু বকর ও উমর (রাঃ)-ও এদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয় তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল- (সূরা জুমু‘আহ ৬২ : ১১)।”
১৮৮৬
আল্লাহ তা‘আলার এ উক্তি প্রসঙ্গেঃ “যখন তারা দেখল ব্যবসায় ও কৌতুক তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে তার দিকে ছুটে গেল” পরিচ্ছেদ নাই
কা’ব ইবনু ‘উজ্‌রাহ (রাঃ)
তিনি মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং তখন আবদুর রহমান ইবন উম্মুল হাকাম বসা অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন। কা’ব (রাঃ) বলেন, তোমরা এ নরাধমের প্রতি লক্ষ্য কর, সে বসে বসে খুতবা দিচ্ছে। অথচ আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “এবং যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয়, তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল” (সূরা আল-জুমুআ ৬২ : ১১)।
১৮৮৭
জুমু‘আর সালাত পরিতাগ করার ব্যাপারে হুঁশিয়ারী (ডাঁট) পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার ও আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর মিম্বরের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন : যারা জুমার সালাত ত্যাগ করে তাদেরকে এ অভ্যাস বর্জন করতে হবে। নতুবা আল্লাহ তাদের অন্তরে সিল মেরে দিবেন, অতঃপর তারা গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।
১৮৮৮
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করতাম। তাঁর সালাত ও খুতবা ছিল মধ্যম (দীর্ঘও নয়, অতি সংক্ষিপ্তও নয়)।
১৮৮৯
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-এর সাথে বহু ওয়াক্ত সালাত আদায় করেছি। তাঁর সালাতও ছিল সংক্ষিপ্ত এবং তাঁর খুতবাও ছিল মধ্যম। অধস্তন বর্ণনাকারী আবু বাকর যাকারিয়া-এর বর্ণনায় আছে : সিমাক থেকে।
১৮৯০
জুমু‘আর সালাত এবং খুত্‌বাহ্‌ হালকা করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন খুতবা দিতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় রক্তিম বর্ণ ধারণ করত, কণ্ঠস্বর জোরালো হত এবং তাঁর রাগ বেড়ে যেত, এমনকি মনে হত, তিনি যেন শত্রুবাহিনী সম্পর্কে সতর্ক করছেন আর বলছেন: তোমরা ভোরেই আক্রান্ত হবে, তোমরা সন্ধ্যায়ই আক্রান্ত হবে।তিনি (ﷺ) আরো বলতেন: আমি ও কেয়ামত এ দু’টির ন্যায় (স্বল্প ব্যবধান) প্রেরিত হয়েছি, তিনি মধ্যমা ও তর্জনী আঙ্গুল মিলিয়ে দেখাতেন।তিনি (ﷺ) আরো বলতেন: অতঃপর উত্তম বাণী হল– আল্লাহর কিতাব এবং উত্তম পথ হল মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রদর্শিত পথ। অতীব নিকৃষ্ট বিষয় হল (দ্বীনের মধ্যে) নতুন উদ্ভাবন (বিদআত)। প্রতিটি বিদআত ভ্রষ্ট।তিনি আরো বলতেনঃ আমি প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তির জন্য তার নিজের থেকে অধিক উত্তম (কল্যাণকামী)। কোন ব্যক্তি সম্পদ রেখে গেলে তা তার পরিবার-পরিজনের প্রাপ্য। আর কোন ব্যক্তি ঋণ অথবা অসহায় সন্তান রেখে গেলে সেগুলোর দায়িত্ব আমার।