৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৭৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৭৭১
সূরাহ্‌ ইখলাস পাঠের ফাযীলাত (মর্যাদা) পরিচ্ছেদ নাই
আবূদ্‌ দারদা (রাযিঃ)
একদিন নবী (ﷺ) বললেনঃ তোমাদের কেউ কি এক রাতে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পাঠ করতে অক্ষম? তাঁরা বললেন, কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ কিভাবে পড়ব? তিনি বললেনঃ “কুল হুয়াল্লাহু আহাদ” সূরাটি কুরআন মাজিদের এক-তৃতীয়াংশের সমান।
১৭৭২
সূরাহ্‌ ইখলাস পাঠের ফাযীলাত (মর্যাদা) পরিচ্ছেদ নাই
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ)
একই সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তাদের উভয়ের বর্ণিত হাদিসে নবী (ﷺ)-এর কথার এ অংশটুকু উল্লেখ আছে যে, তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা সমগ্র কুরআন মাজিদকে তিনটি অংশে ভাগ করেছেন আর "কুল হওয়াল্ল-হু আহাদ" (সূরাহ আল ইখলাস)-কে একটি অংশ বলে নির্দিষ্ট করেছেন।
১৭৭৩
সূরাহ্‌ ইখলাস পাঠের ফযীলাত (মর্যাদা) পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাযিঃ)
(একদিন) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (সবাইকে লক্ষ্য করে) বললেনঃ তোমরা এক জায়গায় জমায়েত হও। কারণ আমি কিছুক্ষণের মধ্যেই তোমাদেরকে কুরআন মাজীদের এক-তৃতীয়াংশ পড়ে শুনাব। সুতরাং যাদের জমায়েত হওয়ার তারা জমায়েত হলে নবী (ﷺ) তাদের কাছে আসলেন এবং “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ” সূরাটি পড়লেন।তারপর তিনি গৃহাভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন। তখন আমরা একে অপরকে বলতে থাকলাম, আমার মনে হয় আসমান থেকে কোন খবর এসেছে আর সে জন্যই তিনি ভিতরে প্রবেশ করেছেন। পরে নবী (ﷺ) বেরিয়ে এসে বললেনঃ আমি তোমাদের বলেছিলাম যে, কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি তোমাদেরকে কুরআন মাজীদের এক-তৃতীয়াংশ পাঠ করে শোনাব। জেনে রাখ এটি (সূরা ইখলাস) কুরআন মাজীদের এক-তৃতীয়াংশের সমান।
আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ)
সূরাহ্‌ ইখলাস পাঠের ফযীলাত (মর্যাদা) পরিচ্ছেদ নাই
১৭৭৪
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এসে বললেন: "আমি তোমাদেরকে এক-তৃতীয়াংশ কুরআন পড়ে শুনাচ্ছি।" তারপর তিনি "কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস সামাদ" সূরাটি শেষ পর্যন্ত পড়ে শোনালেন।
১৭৭৫
সূরাহ্‌ ইখলাস পাঠের ফযীলাত (মর্যাদা) পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাযিঃ)
এক সময় নবী (ﷺ) কোন এক যুদ্ধে জনৈক ব্যক্তিকে সেনাদলের নেতা করে পাঠালেন। সে সালাতে তার অনুসারীদের ইমামত করতে গিয়ে কুরআন পড়ত এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রেই “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ” (সূরা ইখলাস) পড়ে শেষ করত। সেনাদল ফিরে আসলে তারা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বিষয়টি বললেন। তিনি বললেনঃ জিজ্ঞেস কর যে, সে কেন এরূপ করে থাকে। তারা তাকে জিজ্ঞেস করলে সে বলল, যেহেতু এ সূরাতে মহান দয়ালু আল্লাহর গুণাবলী উল্লেখ আছে, তাই ঐ সূরাটি পাঠ করতে ভালবাসি। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তাকে জানিয়ে দাও যে, আল্লাহ তাকে ভালবাসেন।
১৭৭৬
মু’আব্‌বিযাতায়ন (সূরা আল ফালাক্ব ও সূরাহ্‌ আন্‌ নাস) পাঠের ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
উক্ববাহ্‌ ইবনু 'আমির (রাযিঃ)
একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেনঃ আজ রাতে যে আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়েছে সেগুলোর মতো আর কখনো দেখা যায়নি। সেগুলো হল- “কুল আউযু বিরব্বিল ফালাক” (সূরা আল ফালাক) এবং “কুল আউযু বিরব্বিন নাস” (সূরা আন নাস)-এর আয়াত।
১৭৭৭
মু’আব্‌বিযাতায়ন (সূরা আল ফালাক্ব ও সূরাহ্‌ আন্‌ নাস) পাঠের ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
উকবাহ্‌ ইবনু 'আমির (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (একদিন) আমাকে বললেনঃ আমার প্রতি এমন কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ করা হয়েছে যার অনুরূপ আর কখনো দেখা যায়নি। আর সেগুলো হলো মু‘আব্বিযাতায়ন বা সূরা আল-ফালাক ও সূরা আন-নাস এর আয়াতসমূহ।
১৭৭৮
মু’আব্‌বিযাতায়ন (সূরা আল ফালাক্ব ও সূরাহ্‌ আন্‌ নাস) পাঠের ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ)
একই সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবু উসামা ‘উক্বা ইবন আমির আল জুহানি (রাঃ) থেকে। তিনি ছিলেন মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সম্মানিত সাহাবীদের অন্যতম।
১৭৭৯
কুরআন অধ্যয়ন ও শিক্ষায় নিমগ্ন ব্যক্তির ফযীলাত এবং যে ব্যক্তি ফিক্‌হ ইত্যাদির সূক্ষ্মজ্ঞান আহরণ করে তদনুসারে (নেক) 'আমাল করে ও শিক্ষা দেয় তার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ দুইটি ব্যাপার ছাড়া ঈর্ষা পোষণ করা যায় না। একটি হলো- এমন ব্যক্তি যাকে মহান আল্লাহ কুরআনের জ্ঞান দান করেছেন। সে তদনুযায়ী রাত-দিন আমল করে। আরেক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ তা’আলা অর্থ-সম্পদ দান করেছেন। সে রাত-দিন তা (আল্লাহর পথে) খরচ করে। (এ দুই ব্যক্তির সাথে ঈর্ষা পোষণ করা যায়। অর্থাৎ এদের সাথে আমল ও দানের ব্যাপারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অনুকূল ইলম ও মালের আকাঙ্ক্ষা করা যায়। তবে ঐ ব্যক্তির ইলম বিলুপ্ত হয়ে যাক কিংবা ঐ মালদারের মাল ধ্বংস হয়ে যাক- এরূপ কামনা করা যাবে না।)
১৭৮০
কুরআন অধ্যয়ন ও শিক্ষায় নিমগ্ন ব্যক্তির ফযীলাত এবং যে ব্যক্তি ফিক্‌হ ইত্যাদির সূক্ষ্মজ্ঞান আহরণ করে তদনুসারে (নেক) 'আমাল করে ও শিক্ষা দেয় তার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ দুইটি ব্যাপার ছাড়া ঈর্ষা পোষণ জায়িজ নয়। একটি হল- যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা’আলা এ কিতাবের (কুরআনের) জ্ঞান দিয়েছেন এবং সে তদনুযায়ী দিন-রাত আমল করে; এ ক্ষেত্রে ঈর্ষা পোষণ করার অর্থ তার চেয়ে বেশি করার (জ্ঞান আহরণের) চেষ্টা করা। আর অপরটি হল- যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা’আলা অর্থ-সম্পদ দান করেছেন আর সে রাত-দিন তা থেকে সদাকা করে (এ ব্যক্তির সাথে এ অর্থে ঈর্ষা পোষণ করা যে, তার চেয়ে বেশি দান করবে)।