৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৭৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৭৩১
কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া, ইউনুস ইবনু ‘আবদুল আ’লা (রহঃ) ..... উভয়ে ইবনু শিহাব (রহঃ)
যেমন তিনি (আল্লাহ) কুরআন তিলাওয়াতকারী নবীর (ﷺ) সুন্দর তিলাওয়াত শুনে থাকেন।
১৭৩২
কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, মহান আল্লাহ এতটা খুশি হন না যতটা খুশি হয়ে থাকেন সুকণ্ঠের অধিকারী কোনো নবীর প্রতি, যিনি সুললিত কণ্ঠে ও সশব্দে তা তিলাওয়াত করে থাকেন।
১৭৩৩
কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনুল হাদ (রহঃ)
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি (ﷺ) বলেছেন উল্লেখ করেছেন এবং (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন উল্লেখ করেননি।
১৭৩৪
কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন নবী কর্তৃক সুমিষ্ট কণ্ঠে উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করা আল্লাহ তা’আলা যেভাবে শুনেন, অন্য কিছুই আর সেভাবে শুনেন না।
১৭৩৫
কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) থেকে ইয়াহিয়া ইবনু কাসীর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে পার্থক্য এতটুকু যে, ইয়াহিয়া ইবনু আইয়ুব তার বর্ণনাতেكَإِذْنِهِ এ শব্দটা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন।
১৭৩৬
কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
বুরায়দাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আব্দুল্লাহ ইবন কাইস অথবা বলেছেন (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) (আবু মূসা) আল আশআরীকে দাউদ (আঃ)-এর মতো মিষ্টি কণ্ঠ দান করা হয়েছে।
১৭৩৭
কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (আল আশ’আরী) (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু মূসা (রাঃ)-কে উদ্দেশ্য করে বললেনঃ গত রাতে আমি যখন তোমার কুরআন পাঠ শুনছিলাম তখন তুমি যদি আমাকে দেখতে তাহলে খুব খুশি হতে। তোমাকে তো দাউদ (আঃ)-এর মত সুমিষ্ট কণ্ঠস্বর দেয়া হয়েছে।
১৭৩৮
মক্কার বিজয়ের দিবসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সূরাহ্‌ আল ফাত্‌হ পাঠ করার উল্লেখ প্রসঙ্গে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফ্‌ফাল আল মুযানী (রাযিঃ)
মক্কা বিজয়ের বছরে সফরকালে নবী (ﷺ) তাঁর সাওয়ারিতে বসে সূরা আল ফাত্‌হ পড়ছিলেন। আর কিরাআতে তিনি ‘তারজী’ (দ্বিরুক্তি) করছিলেন। মু’আবিয়া ইবন কুররাহ বলেছেন- আমি যদি আমার পাশে অধিক মাত্রায় লোকজনের জমায়েত হওয়ার আশঙ্কা না করতাম তাহলে নবী (ﷺ) যেভাবে কিরাআত করেছিলেন সেভাবে কিরাআত করে তোমাদেরকে শুনাতাম।
১৭৩৯
মক্কার বিজয়ের দিবসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সূরাহ্‌ আল ফাত্‌হ পাঠ করার উল্লেখ প্রসঙ্গে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফ্‌ফাল (রাযিঃ)
মক্কা বিজয়ের দিন আমি দেখেছি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর উটনীর পিঠে বসে সূরা আল ফাতহ পাঠ করেছেন। মুআবিয়াহ ইবন কুররাহ বর্ণনা করেছেন, অতঃপর আবদুল্লাহ ইবন মুগাফফাল ‘তারজী’সহ (সূরা আল ফাতহ) পাঠ করে শুনালেন। মুআবিয়াহ বলেছেন, লোকজন জমায়েত হওয়ার আশঙ্কা না থাকলে আবদুল্লাহ ইবন মুগাফফাল নবী (ﷺ)-এর অনুকরণে যেভাবে (সূরাটি পাঠ করে) শুনিয়েছেন সেভাবে শুনাতাম।
১৭৪০
মক্কার বিজয়ের দিবসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সূরাহ্‌ আল ফাত্‌হ পাঠ করার উল্লেখ প্রসঙ্গে আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ্ (রহঃ)
ইয়াহিয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী ও উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... শু’আবা (রহঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে খালিদ ইবনু হারিস বর্ণিত হাদিসে তিনি বলেছেন: তিনি (ﷺ) তাঁর সাওয়ারীতে বসে সূরা আল ফাত্হ পড়তে পড়তে পথ অতিক্রম করছিলেন।