৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৭৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৭২১
সালাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে অথবা কুরআন পাঠ ও যিক্‌রে জিহবা জড়িয়ে যেতে লাগলে, ঘুমিয়ে পড়া কিংবা বিশ্রাম নেয়ার আদেশ, যাতে তা কেটে যায় পরিচ্ছেদ নাই
হাম্মাম ইবনু মুনাব্‌বিহ (রহঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) আমার কাছে আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ (ﷺ) থেকে কিছু সংখ্যক হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে একটি হাদিস হল, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে থেকে কেউ যদি রাতে সালাত আদায় করতে ওঠে আর (ঘুমের প্রভাবে) তার কুরআন তিলাওয়াতে আড়ষ্টতা আসে অর্থাৎ সে কি বলছে সে সম্পর্কে তার কোন চেতনা না থাকে তাহলে যেন সে শুয়ে (ঘুমিয়ে) পড়ে।
১৭২২
কুরআন সংরক্ষণে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি বলার অপছন্দনীয়তা ও আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলার বৈধতা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) রাতের বেলা জনৈক ব্যক্তিকে কুরআন মাজিদ তিলাওয়াত করতে শুনে বললেন: আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন। সে আমাকে অমুক অমুক সূরার অমুক অমুক আয়াত স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যা আমি অমুক সূরা থেকে বাদ দেয়ার উপক্রম করেছিলাম।
১৭২৩
কুরআন সংরক্ষণে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি বলার অপছন্দনীয়তা ও আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলার বৈধতা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাযিঃ)
একদিন নবী (ﷺ) মসজিদে জনৈক ব্যক্তির কুরআন তিলাওয়াত শুনেছিলেন। (তাঁর তিলাওয়াত শুনে) তিনি বললেনঃ আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন। সে আমাকে এমন একটি আয়াত স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যা আমার স্মৃতি থেকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
১৭২৪
কুরআন সংরক্ষণে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি বলার অপছন্দনীয়তা ও আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলার বৈধতা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কুরআন হিফযকারীর দৃষ্টান্ত হল পা বাঁধা উট। যদি এর মালিক এটির প্রতি লক্ষ্য রাখে তাহলে ধরে রাখতে পারবে। আর যদি তার বাঁধন খুলে দেয় তাহলে সেটি ছাড়া পেয়ে চলে যাবে।
১৭২৫
কুরআন সংরক্ষণে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি বলার অপছন্দনীয়তা ও আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলার বৈধতা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে মূসা ইবনু উকবা বর্ণিত হাদীসে এতটুকু অধিক বর্ণনা করা হয়েছে যে, “কুরআনের হাফিয যদি রাতে ও দিনে কুরআন মাজীদ পড়ে তাহলে তা স্মরণ রাখতে পারে, অন্যথায় ভুলে যায়।”
১৭২৬
কুরআন সংরক্ষণে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি বলার অপছন্দনীয়তা ও আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলার বৈধতা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস'ঊদ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যদি কেউ এভাবে বলে যে, আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি তাহলে তা তার জন্য খুবই খারাপ। বরং তাকে তো ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। তোমরা কুরআনকে স্মরণ রাখ। কারণ কুরআন মানুষের হৃদয় থেকে পা বাঁধা পলায়নপর চতুষ্পদ জন্তুর চেয়েও অধিক পলায়নপর। ছাড়া পেলেই পালিয়ে যায় অর্থাৎ স্মরণ রাখার চেষ্টা না করলেই ভুলে যায়।
১৭২৭
কুরআন সংরক্ষণে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি বলার অপছন্দনীয়তা ও আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলার বৈধতা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
শাক্বীক্ব (রহঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেছেনঃ এই পবিত্র গ্রন্থের – আবার কখনো বলেছেন এ কুরআনের রক্ষণাবেক্ষণ কর। কেননা মানুষের মন থেকে তা এক পা বাঁধা চতুষ্পদ জন্তুর চেয়েও (অধিক বেগে) পলায়নপর।আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) আরও বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন এ কথা না বলে যে, আমি (কুরআন মাজীদের) অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি। বরং তার থেকে আয়াতগুলো বিস্মৃত হয়ে গেছে (এরূপ বলা উত্তম)।
১৭২৮
কুরআন সংরক্ষণে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি বলার অপছন্দনীয়তা ও আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলার বৈধতা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
শাক্বীক্ব ইবনু সালামাহ্‌ (রহঃ)
আমি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। তিনি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেনঃ কোন ব্যক্তির পক্ষে এরূপ কথা বলা খুবই খারাপ যে, সে অমুক অমুক সূরা বা অমুক অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছে। বরং বলবে যে ঐগুলো (সূরা বা আয়াত) তাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে।
১৭২৯
কুরআন সংরক্ষণে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি বলার অপছন্দনীয়তা ও আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলার বৈধতা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (আশ’আরী) (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: তোমরা কুরআন হিফজের প্রতি লক্ষ্য রাখ। যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ, আমি সে মহান সত্তার শপথ করে বলছি, কুরআনের মুখস্থ সূরা বা আয়াতসমূহ মানুষের মন থেকে পা বাঁধা উটের চেয়েও অধিক পলায়নপর (অর্থাৎ কুরআন মাজীদের মুখস্থ সূরা বা আয়াত তাড়াতাড়ি বিস্মৃতিতে চলে যায়)।
১৭৩০
কুরআন পাঠের আওয়াজে মাধুর্য সৃষ্টি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) পর্যন্ত এর সনদ সূত্রটি পৌঁছেছে। নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কোন নবীর উত্তম ও মিষ্টি করে কুরআন তিলাওয়াত আল্লাহ তা’আলা যেভাবে শুনে থাকেন অন্য কোন জিনিস সেভাবে শুনেন না।