৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৭১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৭০১
রাতের সালাতে ক্বিরাআত দীর্ঘ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ (রাঃ)
একই সনদে অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
১৭০২
যে ব্যক্তি রাত্র ঘুমিয়ে সকাল করল তার প্রসঙ্গে আলোচনা । পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)
জনৈক ব্যক্তি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে বলা হল যে, সে সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটায় (অর্থাৎ রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ে না)। এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ ঐ লোকটি এমন যার কানে শয়তান পেশাব করে দিয়েছে অথবা বলেছেন, দুই কানে।
১৭০৩
যে ব্যক্তি রাত্র ঘুমিয়ে সকাল করল তার প্রসঙ্গে আলোচনা । পরিচ্ছেদ নাই
আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ)
নবী (ﷺ) একদিন রাতের বেলা তাঁর ও ফাতিমা (রাঃ)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় কর না? তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সবাই তো আল্লাহর নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি ইচ্ছা করলে আমাদেরকে জাগিয়ে দিতে পারেন। [আলী (রাঃ) বলেছেন] আমি এ কথা বললে রসূলুল্লাহ (ﷺ) ফিরে গেলেন। যখন তিনি ফিরে যাচ্ছিলেন, আমি শুনলাম তখন তিনি উরুর উপরে সজোরে হাত চাপড়ে বলছেনঃ মানুষ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিতর্ক করতে অভ্যস্ত।
১৭০৪
যে ব্যক্তি রাত্র ঘুমিয়ে সকাল করল তার প্রসঙ্গে আলোচনা । পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ
তিনি এটি নবী (ﷺ) পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন। তিনি (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন নিদ্রা যায় তখন শয়তান তাঁর মাথার শেষ প্রান্তে অর্থাৎ ঘাড়ে তিনটা গিরা দেয়। প্রত্যেকটা গিরাতে সে ফুঁক দিয়ে বলে, এখনো অনেক রাত আছে (ঘুমিয়ে থাক)। তাই যখন সে ঘুম থেকে জেগে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে তখন একটি গিরা খুলে যায়। এরপর সে ওজু করলে আরো একটি গিরাসহ মোট দু’টি গিরা খুলে যায়। আর যখন সে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করে তখন সবগুলো গিরা খুলে যায়। এভাবে সে কর্মতৎপর ও প্রফুল্ল মনের অধিকারী হয়ে সকাল জেগে উঠে। অন্যথায় মানুষ বিমর্ষ ও অলস মন নিয়ে জেগে উঠে।
১৭০৫
নফল সালাত নিজ গৃহে আদায় করা মুস্তাহাব, মসজিদে আদায়ও জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা কিছু কিছু সালাত বাড়িতে আদায় করবে। (বাড়িতে কোন সালাত না আদায় করে) বাড়িকে তোমরা কবর সদৃশ করে রেখো না।
১৭০৬
নফল সালাত নিজ গৃহে আদায় করা মুস্তাহাব, মসজিদে আদায়ও জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা বাড়িতেও সালাত আদায় কর। বাড়িগুলোকে কবর সদৃশ করে রেখো না।
১৭০৭
নফল সালাত নিজ গৃহে আদায় করা মুস্তাহাব, মসজিদে আদায়ও জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন মসজিদে সালাত আদায় করবে তখন সে যেন বাড়িতে আদায় করার জন্যও তার সালাতের কিছু অংশ রেখে দেয়। কেননা তার সালাতের কারণে আল্লাহ তা'আলা তার বাড়িতে বরকত ও কল্যাণ দান করে থাকেন।
১৭০৮
নফল সালাত নিজ গৃহে আদায় করা মুস্তাহাব, মসজিদে আদায়ও জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ঘরে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় আর যে ঘরে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় না এরূপ দু’টি ঘরের তুলনা করা যায় জীবিত ও মৃতের সঙ্গে।
১৭০৯
নফল সালাত নিজ গৃহে আদায় করা মুস্তাহাব, মসজিদে আদায়ও জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের ঘরসমূহকে কবর সদৃশ করে রেখো না (অর্থাৎ নফল সালাতসমূহ বাড়িতে আদায় করবে, কারণ যে ঘরে সূরা বাকারা পাঠ করা হয়, শয়তান সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়)।
১৭১০
নফল সালাত নিজ গৃহে আদায় করা মুস্তাহাব, মসজিদে আদায়ও জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খেজুর পাতা অথবা চাটাই দিয়ে একটি ছোট কামরা তৈরি করে তাতে সালাত আদায় করতে গেলেন। এ দেখে কিছু সংখ্যক লোক এসে তাঁর সাথে সালাত আদায় করলেন। যায়েদ ইবন সাবিত (রাঃ) বলেনঃ অন্য এক রাতেও লোকজন এসে জমা হল। কিন্তু রসূলুল্লাহ (ﷺ) সে রাতে দেরি করলেন এবং তিনি সে রাতে আসেননি। তাই লোকজন উচ্চস্বরে তাঁকে ডাকাডাকি করল এবং বাড়ির দরজায় কঙ্কর ছুড়তে শুরু করল। তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) রাগান্বিত হয়ে তাদের মাঝে এসে বললেনঃ তোমরা যখন ক্রমাগত এরূপ করছিলে তখন আমার ধারণা হল যে, এ সালাত হয়তো তোমাদের জন্য ফরজ করে দেয়া হবে। অতএব তোমরা বাড়িতেই (নফল) আদায় করবে। কেননা ফরজ সালাত ছাড়া অন্যসব সালাত বাড়িতে আদায় করা মানুষের জন্য সর্বোত্তম।