৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৬১
কাবীরাহ গুনাহ এবং এর মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে কবীরা গুনাহ সম্পর্কে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ তা হলো আল্লাহর সাথে শরীক করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা কথা বলা।
১৬২
কাবীরাহ গুনাহ এবং এর মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) কবীরা গুনাহের বর্ণনা করেন অথবা তাকে কবীরা গুনাহের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়। তখন তিনি বলেন, আল্লাহর সাথে শরীক করা, অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া। অতঃপর তিনি বললেন, আমি কি তোমাদের সবচাইতে বড় গুনাহ সম্পর্কে অবহিত করব না? তিনি বললেন, মিথ্যা কথা বলা অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। রাবী শু'বাহ বলেন, আমার প্রবল ধারণা যে, কথাটি হলো ‘মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া’।
১৬৩
কাবীরাহ গুনাহ এবং এর মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: ধ্বংসকারী সাতটি কাজ থেকে তোমরা বেঁচে থাকো। প্রশ্ন করা হলো-হে আল্লাহর রসূল, সেগুলো কি?তিনি বললেন:(১) আল্লাহর সাথে শরীক করা;(২) যাদু করা;(৩) আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করা;(৪) ইয়াতিমের মাল অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করা;(৫) সুদ খাওয়া;(৬) যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করা এবং(৭) সাধ্বী, সরলমনা ও ঈমানদার নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করা।
১৬৪
কাবীরাহ গুনাহ এবং এর মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: পিতা-মাতাকে গালি দেয়া কবীরা গুনাহ। সাহাবা কিরাম প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রসূল! কেউ কি তার পিতা-মাতাকে গালি দিতে পারে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। কোন ব্যক্তি অন্যের পিতাকে গালি দেয়, প্রত্যুত্তরে সেও তার পিতাকে গালি দেয়। কেউ অন্যের মাকে গালি দেয়, জবাবে সেও তার মাকে গালি দেয়।
১৬৫
কাবীরাহ গুনাহ এবং এর মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু ইবরাহীম (রাঃ)
অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
১৬৬
অহংকারের পরিচয় ও তা হারাম হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলো, মানুষ চায় যে, তার পোশাক সুন্দর হোক, তার জুতা সুন্দর হোক, এ-ও কি অহংকার? রসূল (ﷺ) বললেন: ‘আল্লাহ সুন্দর, তিনি সুন্দরকে ভালোবাসেন। প্রকৃতপক্ষে অহংকার হচ্ছে দম্ভভরে সত্য ও ন্যায় অস্বীকার করা এবং মানুষকে ঘৃণা করা।’
১৬৭
অহংকারের পরিচয় ও তা হারাম হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। আর যে ব্যক্তির অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ অহংকার থাকবে সেও জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
১৬৮
অহংকারের পরিচয় ও তা হারাম হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
১৬৯
শিরক না করা অবস্থায় যার মৃত্যু হয় সে জান্নাতী, মুশরিক অবস্থায় যার মৃত্যু হয় সে জাহান্নামী পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, অন্য বর্ণনায় রসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি- যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করে মারা যাবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আমি বলি, যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরীক না করা অবস্থায় মারা যায় সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
১৭০
শিরক না করা অবস্থায় যার মৃত্যু হয় সে জান্নাতী, মুশরিক অবস্থায় যার মৃত্যু হয় সে জাহান্নামী পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ) এর সামনে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করল- ইয়া রসূলুল্লাহ! ওয়াজিবকারী (অবশ্যম্ভাবী) দুইটি বিষয় কি? তিনি বললেন, আল্লাহর সাথে কোন কিছু শরীক না করে যে ব্যক্তি মারা যাবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন কিছু শরীক করা অবস্থায় মারা যাবে সে জাহান্নামে যাবে।