৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৫১
আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সর্বোত্তম আমল পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রসূলুল্লাহ (ﷺ)! সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। আমি আবার প্রশ্ন করলাম: কোন ধরণের গোলাম আজাদ করা উত্তম? তিনি বললেন, সে গোলাম আজাদ করা উত্তম যে মুনিবের কাছে অধিক প্রিয় এবং অধিক মূল্যমান।আমি আরজ করলাম, আমি যদি তা করতে না পারি। তিনি বললেন, তাহলে অন্যের কর্মে সাহায্য করবে অথবা কর্মহীনের কাজ করে দেবে। আমি আরজ করলাম, ইয়া রসূলুল্লাহ (ﷺ)! যদি আমি এমন কোন কাজ করতে অক্ষম হই? তিনি বললেন, তোমার মন্দ আচরণ থেকে লোকদের মুক্ত রাখবে। এ হলো তোমার পক্ষ থেকে তোমার প্রতি সদাকা।
১৫২
আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সর্বোত্তম আমল পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ এবং ‘আবদ ইবনু হুমায়ন (রহঃ), আবূ যার (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে অবিকল হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে তার বর্ণনায় একটু শাব্দিক পার্থক্য রয়েছে, অর্থ একই।
১৫৩
আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সর্বোত্তম আমল পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)
আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্ন করলাম, সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেন, সময় মত সালাত আদায় করা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। তাঁর কষ্ট হবে এ ভেবে অতিরিক্ত থেকে বিরত থাকলাম।
১৫৪
আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সর্বোত্তম আমল পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর নবী! কোন আমল জান্নাতের নিকটবর্তী করে? তিনি বললেন, সঠিক ওয়াক্তে সালাত আদায় করা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আর কোনটি, হে আল্লাহর নবী? তিনি বললেন, মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আর কোনটি, হে আল্লাহর নবী? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা।
১৫৫
আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সর্বোত্তম আমল পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসু’উদ (রাঃ)
আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্ন করলাম, আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয় আমল কোনটি? তিনি বললেন, সঠিক সময়ে সালাত আদায় করা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। তিনি আমাকে এ কথাগুলো বললেন, যদি আমি আরো প্রশ্ন করতাম তাহলে তিনি আরো অতিরিক্ত বিষয়ে বলতেন।
১৫৬
আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সর্বোত্তম আমল পরিচ্ছেদ নাই
শু’বা (রহঃ)
অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। এতে وَأَشَارَ إِلَى دَارِ عَبْدِ اللَّهِ وَمَا سَمَّاهُ لَنَا তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদের গৃহের দিকে ইশারা করলেন, কিন্তু আমাদের সম্মুখে তাঁর নাম উল্লেখ করেননি—কথাগুলো বর্ধিত রয়েছে।
১৫৭
আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সর্বোত্তম আমল পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, সঠিক সময়ে সালাত আদায় করা এবং পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করা আমলসমূহের মধ্যে বা আমলের মধ্যে সর্বোত্তম আমল।
১৫৮
শিরক ঘৃণ্যতম গুনাহ এবং শিরকের পরে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ কোনটি? তিনি বললেন, “আল্লাহর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী স্থির করা অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।” আমি বললাম, এটা তো বড় গুনাহ বটে। এরপর কোনটি? তিনি বললেন, “আপন সন্তানকে এ আশঙ্কায় হত্যা করা যে, সে তোমার আহারের সঙ্গী হবে।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, “তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া।”
১৫৯
শিরক ঘৃণ্যতম গুনাহ এবং শিরকের পরে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (রাঃ)
এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ (ﷺ)! আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ কোনটি? তিনি বললেন, “তুমি আল্লাহর জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী সাব্যস্ত করবে, অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।” সে বলল, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, “তুমি তোমার সন্তানকে এ আশঙ্কায় হত্যা করবে যে, সে তোমার আহারে ভাগ বসাবে।” সে বলল, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, “তুমি তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হবে।”এ উক্তির সমর্থনে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেন, “আর তারা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহকে ডাকে না, আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যে ব্যক্তি এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে” (সূরা আল-ফুরকান ২৫ : ৬৮)।
১৬০
কাবীরাহ গুনাহ এবং এর মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকরাহ (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন তিনি বললেন, “আমি কি তোমাদের কবীরা গুনাহ সম্পর্কে বলব না?” তিনি এ কথাটি তিনবার বললেন। তারপর বললেন, “সেগুলো হলো:(১) আল্লাহর সাথে শরীক করা;(২) পিতামাতার অবাধ্য হওয়া;(৩) মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া কিংবা কথা বলা।”এ সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসলেন এবং (শেষোক্ত) কথাটি বারবার বলতে লাগলেন। এমন কি আমরা মনে মনে বলছিলাম, আহা তিনি যদি থামতেন।