৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৮১
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিঃ “যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়” পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করবে সে আমাদের (মুসলিমের) দলভুক্ত নয়।
১৮২
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিঃ “যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়” পরিচ্ছেদ নাই
সালামাহ ইবনু আকওয়া (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে তলোয়ার উত্তোলন করবে সে আমাদের (মুসলিমের) দলভুক্ত নয়।
১৮৩
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিঃ “যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়” পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র উত্তোলন করবে, সে আমাদের (মুসলিমের) দলভুক্ত নয়।
১৮৪
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিঃ “যে ব্যক্তি আমাদের ধোঁকা দেয় সে আমাদের দলভুক্ত নয়” পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়, আর যে ব্যক্তি আমাদের ধোঁকা দেবে সেও আমাদের দলভুক্ত নয়।”
১৮৫
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিঃ “যে ব্যক্তি আমাদের ধোঁকা দেয় সে আমাদের দলভুক্ত নয়” পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
একদা রসূলুল্লাহ (ﷺ) খাদ্যশস্যের একটি স্তূপের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন। তিনি স্তূপের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দিলেন, ফলে হাতের আঙুলগুলো ভিজে গেল। তিনি বললেন: হে স্তূপের মালিক! এ কি ব্যাপার?লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! এতে বৃষ্টির পানি লেগেছে। তিনি বললেন, সেগুলো তুমি স্তূপের ওপরে রাখলে না কেন? তাহলে লোকেরা দেখে নিতে পারতো। জেনে রাখো, যে ব্যক্তি ধোঁকাবাজি করে, আমার সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই।
১৮৬
(মৃতের শোকে) গাল থাপড়ানো, জামা ছিঁড়ে ফেলা এবং জাহিলী যুগের ন্যায় উচ্চৈঃস্বরে বিলাপ করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি গাল থাপড়াবে, জামা কাপড় ছিঁড়ে ফেলবে অথবা জাহিলী যুগের ন্যায় বিলাপ করবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। ইবনু নুমাইর ও আবু বকর বলেছেন, “আলিফ” ছাড়াই হবে। অর্থাৎ أو شق ودعا পরিবর্তে وَشَقَّ وَدَعَا বলেছেন।
১৮৭
(মৃতের শোকে) গাল থাপড়ানো, জামা ছিঁড়ে ফেলা এবং জাহিলী যুগের ন্যায় উচ্চৈঃস্বরে বিলাপ করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ (রহঃ)
উপরোক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা وَشَقَّ وَدَعَا বলেছেন "এবং বুক চিরলেন ও দোয়া করলেন।"
১৮৮
(মৃতের শোকে) গাল থাপড়ানো, জামা ছিঁড়ে ফেলা এবং জাহিলী যুগের ন্যায় উচ্চৈঃস্বরে বিলাপ করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বুরদাহ্‌ ইবনু আবূ মূসা (রহঃ)
আবু মূসা (রাঃ) কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তাঁর মাথা তাঁর পরিবারের এক মহিলার কোলে ছিল। সে মহিলা চিৎকার করে উঠলো। তিনি তাকে তা থেকে বাধা দিতে পারেননি। যখন তাঁর জ্ঞান ফিরলো তখন বললেন, “আমি তার থেকে সম্পর্কহীন, যার থেকে রসূলুল্লাহ (ﷺ) সম্পর্কচ্ছেদ করেছেন। যে ব্যক্তি (মৃতের শোকে) উচ্চৈঃস্বরে কান্নাকাটি করে, মাথার চুল ছিঁড়ে ফেলে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) তার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন।”
১৮৯
(মৃতের শোকে) গাল থাপড়ানো, জামা ছিঁড়ে ফেলা এবং জাহিলী যুগের ন্যায় উচ্চৈঃস্বরে বিলাপ করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ ও আবূ বুরদাহ্‌ ইবনু আবূ মূসা (রহঃ)
আবু মূসা আশআরী (রাঃ) বেহুশ হয়ে পড়েন। তাঁর স্ত্রী উম্মু আবদুল্লাহ চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে তাঁর নিকট আসলেন। তাঁরা বলেন, অতঃপর তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন এবং বললেন, তুমি কি জান না? তারপর তিনি তাঁকে এ হাদিস শোনান যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “আমি সে ব্যক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন যে ব্যক্তি মাথার কেশ মুণ্ডন করে, চিৎকার করে কান্নাকাটি করে এবং জামা-কাপড় ছিঁড়ে ফেলে।”
১৯০
(মৃতের শোকে) গাল থাপড়ানো, জামা ছিঁড়ে ফেলা এবং জাহিলী যুগের ন্যায় উচ্চৈঃস্বরে বিলাপ করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ)
এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে রাবী ইয়ায আল আশ‘আরীর হাদীসে لَيْسَ مِنَّا (সে আমার দলভুক্ত নয়) কথাটি রয়েছে। তিনি بَرِيءٌ (বিচ্ছিন্ন) শব্দ বলেননি।