৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৯১
চোগলখোরী জঘন্যতম হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ)
হুযাইফা (রাঃ)-এর নিকট খবর পৌঁছল যে, এক ব্যক্তি চোগলখোরী করে বেড়ায়। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, কোন চোগলখোরই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
১৯২
চোগলখোরী জঘন্যতম হারাম পরিচ্ছেদ নাই
হাম্মাম ইবনু আল হারিস (রহঃ)
এক ব্যক্তি সাধারণ লোকজনের কথাবার্তা শাসনকর্তার নিকট পৌঁছাত। একদা আমরা মসজিদে বসা ছিলাম। উপবিষ্ট লোকেরা বলল, এ সে ব্যক্তি যে লোকজনের কথাবর্তা শাসনকর্তার নিকট পৌঁছায়। রাবী বললেন, এরপর সে উপস্থিত হলো এবং আমাদের পাশে বসে পড়ল। তখন হুযাইফা (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, কোন চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
১৯৩
চোগলখোরী জঘন্যতম হারাম পরিচ্ছেদ নাই
হাম্মাম ইবনু হারিস (রহঃ)
আমরা হুযাইফা (রাঃ)-এর সাথে মসজিদে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এলো এবং আমাদের সাথে বসে পড়ল। তখন হুযাইফা (রাঃ) তাকে শোনানোর উদ্দেশ্যে বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
১৯৪
কাপড় টাখনুর নীচে নামিয়ে পরা, দান করে খোঁটা দেয়া ও (মিথ্যা) শপথের মাধ্যমে মালামাল বেচাকেনা করা হারাম এবং সে তিন ব্যক্তির বর্ণনা যাদের সাথে কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা’আলা কথা বলবেন না, রহ্‌মাতের নযরে তাকাবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেন, আল্লাহ তাআলা কেয়ামতের দিন তিন শ্রেণীর লোকের সাথে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না এবং তাদেরকে পবিত্র করবেন না; বরং তাদের জন্য রয়েছে ভয়ানক শাস্তি। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) এ কথাটি তিনবার পাঠ করলেন। আবু যার (রাঃ) বলে উঠলেন, তারা তো ধ্বংস হবে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হে আল্লাহর রসূল! এরা কারা? তিনি বললেন, যে লোক পায়ের গোছার নিচে কাপড় ঝুলিয়ে চলে, কোনো কিছু দান করে খোঁটা দেয় এবং মিথ্যা শপথ করে পণ্যদ্রব্য বিক্রি করে।
১৯৫
কাপড় টাখনুর নীচে নামিয়ে পরা, দান করে খোঁটা দেয়া ও (মিথ্যা) শপথের মাধ্যমে মালামাল বেচাকেনা করা হারাম এবং সে তিন ব্যক্তির বর্ণনা যাদের সাথে কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা’আলা কথা বলবেন না, রহ্‌মাতের নযরে তাকাবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, তিন ব্যক্তির সাথে কেয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলা কথা বলবেন না।(১) যে ব্যক্তি কোন কিছু দান করে খোঁটা দেয়;(২) যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম করে দোকানদারি করে এবং(৩) যে ব্যক্তি টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করে।বিশর ইবনু খালিদ (রাঃ) ..... শু’আবাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি সুলাইমানকে এ সানাদে হাদিসটি বর্ণনা করতে শুনেছি। তিন ব্যক্তির সাথে আল্লাহ তা’আলা কথা বলবেন না, তাদের প্রতি তাকাবেন না, তাদের (গুনাহ থেকে) পবিত্র করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
১৯৬
কাপড় টাখনুর নীচে নামিয়ে পরা, দান করে খোঁটা দেয়া ও (মিথ্যা) শপথের মাধ্যমে মালামাল বেচাকেনা করা হারাম এবং সে তিন ব্যক্তির বর্ণনা যাদের সাথে কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা’আলা কথা বলবেন না, রহ্‌মাতের নযরে তাকাবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তিন ব্যক্তির সাথে কেয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলা কথা বলবেন না, তাদের গুনাহ থেকে পবিত্র করবেন না। রাবী আবূ মু’আবিয়া বলেন, তাদের প্রতি তাকাবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। (এরা হলো) ব্যভিচারী বুড়ো, মিথ্যাবাদী শাসক বা রাষ্ট্রপ্রধান ও অহঙ্কারী দরিদ্র ব্যক্তি।
১৯৭
কাপড় টাখনুর নীচে নামিয়ে পরা, দান করে খোঁটা দেয়া ও (মিথ্যা) শপথের মাধ্যমে মালামাল বেচাকেনা করা হারাম এবং সে তিন ব্যক্তির বর্ণনা যাদের সাথে কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা’আলা কথা বলবেন না, রহ্‌মাতের নযরে তাকাবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহ তিন শ্রেণির লোকের সাথে কথা বলবেন না, এদের দিকে নজরও দেবেন না এবং এদেরকে পবিত্রও করবেন না, বরং এদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি। যে ব্যক্তির নিকট অতিরিক্ত পানি থাকা সত্ত্বেও তা পথিককে দেয় না।যে ব্যবসায়ী আসরের পর তার পণ্য সামগ্রী ক্রেতার নিকট আল্লাহর কসম করে বিক্রি করে আর বলে, আমি এ পণ্য এতো এতো মূল্যে ক্রয় করেছিলাম, আর ক্রেতা তাকে সত্যবাদী মনে করে, কিন্তু প্রকৃত ব্যাপার তার উল্টো।যে ব্যক্তি ইমামের (রাষ্ট্রপ্রধান) হাতে কেবল পার্থিব স্বার্থে বাইআত গ্রহণ করে, যদি ইমাম তাকে কিছু পার্থিব সুযোগ দেয়, তাহলে সে তার বাইআতের প্রতিজ্ঞা পূরণ করে, আর যদি তা থেকে কিছু না দেয় তাহলে আর প্রতিজ্ঞা পূরণ করে না।
১৯৮
কাপড় টাখনুর নীচে নামিয়ে পরা, দান করে খোঁটা দেয়া ও (মিথ্যা) শপথের মাধ্যমে মালামাল বেচাকেনা করা হারাম এবং সে তিন ব্যক্তির বর্ণনা যাদের সাথে কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা’আলা কথা বলবেন না, রহ্‌মাতের নযরে তাকাবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি পরিচ্ছেদ নাই
যুহায়র ইবনু হার্‌ব এবং সা’ঈদ ইবনু ‘আম্‌র আল আশ’আসী (রাঃ)
এ সানাদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে রাবী জারীর বর্ণিত হাদিসে ‘যে ব্যক্তি তার পণ্যের ব্যাপারে অন্যের সাথে দাম-দর করে’ কথাটির উল্লেখ আছে।
১৯৯
কাপড় টাখনুর নীচে নামিয়ে পরা, দান করে খোঁটা দেয়া ও (মিথ্যা) শপথের মাধ্যমে মালামাল বেচাকেনা করা হারাম এবং সে তিন ব্যক্তির বর্ণনা যাদের সাথে কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা’আলা কথা বলবেন না, রহ্‌মাতের নযরে তাকাবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে যতদূর সম্ভব মারফূ’ সানাদে (অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে)
তিন ব্যক্তির সাথে আল্লাহ তা’আলা কথা বলবেন না, তাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। (তারা হলো) যে ব্যক্তি আসরের সালাতের পর কোন মুসলিমের মালের উপর মিথ্যা শপথ করে তা আত্মসাৎ করে। হাদিসের বাকি অংশ আ’মাশের হাদিসের অনুরূপ।
২০০
আত্মহত্যা করা মহাপাপ, যে ব্যক্তি যে বস্তু দ্বারা আত্মহত্যা করবে জাহান্নামে সে বস্তু দ্বারা তাকে শাস্তি দেয়া হবে এবং মুসলিম ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন ধারালো অস্ত্র দ্বারা আত্মহত্যা করবে, জাহান্নামের মধ্যে সে অস্ত্র দ্বারা সে নিজের পেটে আঘাত করতে থাকবে এবং এভাবে তথায় সে চিরকাল অবস্থান করবে। আর যে ব্যক্তি বিষপানে আত্মহত্যা করবে, সে জাহান্নামে আগুনের মধ্যে অবস্থান করে উক্ত বিষ পান করতে থাকবে এবং এভাবে তথায় সে চিরকাল অবস্থান করবে। আর যে ব্যক্তি পাহাড় থেকে পড়ে আত্মহত্যা করবে, সে ব্যক্তি সর্বদা পাহাড় থেকে নিচে গড়িয়ে জাহান্নামের আগুনে পড়তে থাকবে এবং এভাবে সে ব্যক্তি তথায় চিরকাল অবস্থান করবে।