৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৫৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৫৭১
ফজরের দু’ রাকআত সুন্নাত, তার জন্য উৎসাহ দান, সেটা সংক্ষেপে ও সর্বদা আদায় করা এবং এতে যে ক্বিরাআত পাঠ মুস্তাহাব। পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) ফজরের ফরজ সালাতের পূর্বের দুই রাকাত সুন্নত আদায় করার প্রতি যত কঠোরভাবে খেয়াল রাখতেন, অন্য কোন নফল সালাতের প্রতি ততখানি রাখতেন না।
১৫৭২
ফজরের দু’ রাকআত সুন্নাত, তার জন্য উৎসাহ দান, সেটা সংক্ষেপে ও সর্বদা আদায় করা এবং এতে যে ক্বিরাআত পাঠ মুস্তাহাব। পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
ফজরের দুই রাকাত নফল সালাতের জন্য আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে যত ব্যস্ততা প্রকাশ করতে দেখেছি, অন্য কোন নফল সালাতের জন্য ততটা ব্যস্ততা প্রকাশ করতে দেখিনি।
১৫৭৩
ফজরের দু’ রাকআত সুন্নাত, তার জন্য উৎসাহ দান, সেটা সংক্ষেপে ও সর্বদা আদায় করা এবং এতে যে ক্বিরাআত পাঠ মুস্তাহাব। পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) সালাত দুনিয়া ও তার সব কিছুর থেকে উত্তম।
১৫৭৪
ফজরের দু’ রাকআত সুন্নাত, তার জন্য উৎসাহ দান, সেটা সংক্ষেপে ও সর্বদা আদায় করা এবং এতে যে ক্বিরাআত পাঠ মুস্তাহাব। পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্ইয়া ইবনু হাবীব (রহঃ) ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
তিনি (ﷺ) ফজরের দুই রাকাত সালাত সম্পর্কে বলেছেন যে, ঐ দুই রাকাত সালাত আমার কাছে সারা দুনিয়ার সবকিছু থেকে অধিক প্রিয়।
১৫৭৫
ফজরের দু’ রাকআত সুন্নাত, তার জন্য উৎসাহ দান, সেটা সংক্ষেপে ও সর্বদা আদায় করা এবং এতে যে ক্বিরাআত পাঠ মুস্তাহাব। পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের দুই রাকাত সালাতে قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ‏ এবং قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ পড়েছেন।
১৫৭৬
ফজরের দু’ রাকআত সুন্নাত, তার জন্য উৎসাহ দান, সেটা সংক্ষেপে ও সর্বদা আদায় করা এবং এতে যে ক্বিরাআত পাঠ মুস্তাহাব। পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের দুই রাকাত সুন্নত সালাতের প্রথম রাকাতে সূরা বাক্বারার قُولُوا آمَنَّا بِاللَّهِ وَمَا أُنْزِلَ إِلَيْنَا‏ (সূরা বাক্বারা ২:১৩৬) আয়াতটি এবং দ্বিতীয় রাকাতেآمَنَّا بِاللَّهِ وَاشْهَدْ بِأَنَّا مُسْلِمُونَ‏ (সূরা আলে ইমরান ৩:৫২) আয়াতটি পড়তেন।
১৫৭৭
ফজরের দু’ রাকআত সুন্নাত, তার জন্য উৎসাহ দান, সেটা সংক্ষেপে ও সর্বদা আদায় করা এবং এতে যে ক্বিরাআত পাঠ মুস্তাহাব। পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের দুই রাকাত সুন্নত সালাতে (সূরা বাকারা ২:১৩৬) আয়াতটি এবং দ্বিতীয় রাকাতে (সূরা আলে ইমরান ৩:৬৪) আয়াতটি পড়তেন।
১৫৭৮
ফজরের দু’ রাকআত সুন্নাত, তার জন্য উৎসাহ দান, সেটা সংক্ষেপে ও সর্বদা আদায় করা এবং এতে যে ক্বিরাআত পাঠ মুস্তাহাব। পরিচ্ছেদ নাই
উসমান ইবনু হাকীম (রহঃ) মারওয়ান আল ফাযার
একই সনদে মারওয়ান ফাযারীর হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
১৫৭৯
ফজরের পূর্বে ও পরে নিয়মিত সুন্নাতের ফযিলত এবং তার সংখ্যার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আম্‌র ইবনু আওস (রহঃ)
যে রোগে আনবাসা ইবনু আবু সুফিয়ান (রাঃ) মৃত্যুবরণ করেছেন- সে রোগ শয্যায় থাকাকালে তিনি আমার কাছে এমন একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন যা খুবই খুশির বা আনন্দের। আমি উম্মু হাবিবা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি; তিনি বলেছেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, দিন ও রাতে যে ব্যক্তি মোট বারো রাকাত (সুন্নাত) সালাত আদায় করে তার বিনিময়ে জান্নাতে ঐ ব্যক্তির জন্য একটি ঘর নির্মাণ করা হয়।উম্মু হাবিবা (রাঃ) বলেছেন: আমি যে সময়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এ সালাত সম্পর্কে শুনেছি তখন থেকে আর কখনো তা আদায় করা পরিত্যাগ করিনি। আনবাসা ইবনু আবু সুফিয়ান (রাঃ) বলেছেন: এ সালাত সম্পর্কে যখন আমি উম্মু হাবিবা (রাঃ)-এর কাছ থেকে শুনেছি; তখন থেকে আর ঐ সালাতগুলো কখনো পরিত্যাগ করিনি। আমর ইবনু আওস (রাঃ) বলেছেনঃ যে সময়ে এ সালাত সম্পর্কে আমি আনবাসা ইবনু আবু সুফিয়ান (রাঃ)-এর নিকট থেকে শুনেছি সে সময় থেকে আর কখনো তা পরিত্যাগ করিনি। নুমান ইবনু সালিম (রাঃ) বলেছেন: যে সময় আমি এ হাদিসটি আমর ইবনু আওস (রাঃ)-এর নিকট থেকে শুনেছি তখন থেকে কখনো আর তা পরিত্যাগ করিনি।
১৫৮০
ফজরের পূর্বে ও পরে নিয়মিত সুন্নাতের ফযিলত এবং তার সংখ্যার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
নু’মান ইবনু সালিম (রহঃ)
একই সনদে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে, (হাদিসটি হল) যে ব্যক্তি দিনে ১২ রাকাত নফল (সুন্নাত) সালাত আদায় করে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হয়।