৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৫৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৫৫১
যোহর সালাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাকআত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাকআত, মাধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ)
একই সনদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
১৫৫২
যোহর সালাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাকআত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাকআত, মাধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ)
একমাত্র উম্মু হানী (রাঃ) ছাড়া আর কেউই আমাকে এ কথা বলেনি যে, সে নবী (ﷺ)-কে যুহা বা চাশতের সালাত আদায় করতে দেখেছে। উম্মু হানী (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন নবী (ﷺ) তাঁর ঘরে গিয়ে আট রাকাত সালাত আদায় করেছেন।(তিনি এ কথাও বলেছেন যে,) আমি নবী (ﷺ)-কে আর কখনও এত সংক্ষিপ্ত করে সালাত আদায় করতে দেখিনি। তবে তিনি রুকু ও সিজদাগুলো পূর্ণরূপে আদায় করছিলেন। ইবনু বাশশার তার বর্ণিত হাদিসে 'কাত্তু' (কখনও) শব্দটি উল্লেখ করেননি।
১৫৫৩
যোহর সালাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাকআত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাকআত, মাধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু হারিস ইবনু নাওফাল (রহঃ
এমন কোন লোকের সন্ধান পেতে আমি খুবই আকাঙ্ক্ষী ছিলাম এবং এ ব্যাপারে লোকদের জিজ্ঞেসও করতাম যে, এমন কেউ আমাকে এ মর্মে জ্ঞাত করতে পারবে যে, রসুলুল্লাহ (ﷺ) সালাতুয যুহা বা চাশতের সালাত আদায় করেছেন। তবে একমাত্র আবু তালিবের কন্যা উম্মু হানী (রাঃ) ছাড়া আর কাউকেই এমন পাইনি যে, আমাকে এ ব্যাপারে কিছু অবহিত করতে পেরেছে।তিনি (উম্মু হানী (রাঃ)) আমাকে জানিয়েছেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন সূর্যোদয়ের পর বেলা কিছু বাড়লে রসুলুল্লাহ (ﷺ) তার কাছে আসলেন। একটি কাপড় আনা হল এবং তা দিয়ে পর্দা করে দিলে তিনি গোসল করলেন। তারপর সালাতে দাঁড়ালেন এবং আট রাকাত আদায় করলেন। উম্মু হানী (রাঃ) বলেছেন- এ সালাতে তার কিয়াম (দাঁড়ানো) দীর্ঘতর ছিল, না রুকু দীর্ঘতর ছিল, না সিজদা দীর্ঘতর ছিল তা আমি জানিনা। তবে কিয়াম, রুকু ও সিজদা সবগুলোই মনে হয় এক রকমের দীর্ঘ ছিল।উম্মু হানী (রাঃ) বলেছেনঃ এর আগে কিংবা পরে আর কখনো আমি রসুলুল্লাহ (ﷺ) কে সালাতুয্ যুহা বা চাশতের সালাত আদায় করতে দেখিনি। হাদিসটির বর্ণনাকারী মুরাদি এটি ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ‘আখবারানি’ অর্থাৎ ‘ইউনুস আমাকে বলেছেন’ কথাটি উল্লেখ করেননি।
১৫৫৪
যোহর সালাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাকআত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাকআত, মাধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু হানী (রাঃ)-এর আযাদকৃত দাস আবূ মুর্‌রাহ্‌ (রহঃ)
তিনি আবূ তালিবের কন্যা উম্মু হানী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন। (তিনি বলেছেন) মক্কা বিজয়ের বছরে আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে গিয়ে দেখলাম, তিনি গোসল করছেন আর তাঁর কন্যা ফাতিমা একটি কাপড় দিয়ে তাঁকে পর্দা করে রেখেছেন। উম্মু হানী বলেন- আমি তাঁকে সালাম দিলাম। তখন তিনি জানতে চাইলেন, কে? আমি বললামঃ আমি আবূ তালিবের কন্যা উম্মু হানী। তিনি (খুশিতে) বললেনঃ উম্মু হানীকে স্বাগতম। অতঃপর গোসল শেষ করে তিনি সালাতে দাঁড়ালেন এবং একটি মাত্র কাপড় গায়ে জড়িয়ে আট রাকাত সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে আমি তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আমার ভাই আলী ইবনু আবু তালিব বলেছেনঃ তিনি আবু হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)-এর পুত্র অমুককে হত্যা করে ছাড়বেন অথচ আমি তাকে নিরাপত্তা দিয়েছি। সব শুনে রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হে উম্মু হানী! তুমি যাকে নিরাপত্তা দান করেছ আমিও তাকে নিরাপত্তা দান করেছি। উম্মু হানী বর্ণনা করেছেনঃ এ ঘটনা ছিল ‘যুহা’ বা চাশতের সময়ের।
১৫৫৫
যোহর সালাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাকআত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাকআত, মাধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু হানী (রাঃ)
মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ঘরে একটি কাপড় গায়ে জড়িয়ে তার দুই প্রান্ত দুই দিকে উঠিয়ে আট রাকাত সালাত আদায় করেছেন।
১৫৫৬
যোহর সালাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাকআত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাকআত, মাধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ প্রতিটি দিন শুরু হওয়ার সাথে সাথে তোমাদের প্রত্যেকের প্রতিটি অস্থিবন্ধনী ও গিঁটের উপর সদাকা ওয়াজিব হয়। সুতরাং প্রতিটি তাসবিহ অর্থাৎ ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা সদাকা হিসেবে গণ্য হয়। প্রতিটি তাহমিদ অর্থাৎ ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা তার সদাকা হিসেবে গণ্য হয়। প্রতিটি ‘আল্লাহু আকবর’ তার জন্য এবং ‘নাহী আনিল মুনকার’ অর্থাৎ খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখার প্রতিটি প্রয়াসও তার জন্য অনুরূপ সদাকা বলে গণ্য হয়। তবে ‘যুহা’ বা চাশতের মাত্র দুই রাকাত সালাত যদি সে আদায় করে তাহলে তা এ সবগুলোর সমকক্ষ হতে পারে।
১৫৫৭
যোহর সালাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাকআত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাকআত, মাধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
আমার বন্ধু [অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)] আমাকে তিনটি কাজ করতে উপদেশ দিয়েছেন। সেগুলো হলো – প্রতি মাসে তিনটি করে সাওম (রোজা) পালন করতে, যুহা বা চাশতের দুই রাকাত সালাত আদায় করতে এবং ঘুমানোর পূর্বে বিতর সালাত আদায় করতে।
১৫৫৮
যোহর সালাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাকআত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাকআত, মাধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) -এর মাধ্যমে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
১৫৫৯
যোহর সালাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাকআত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাকআত, মাধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
আমার বন্ধু আবুল কাসিম (ﷺ) আমাকে তিনটি কাজ করতে আদেশ করেছেন। এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে আবু উসমান বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
১৫৬০
যোহর সালাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাকআত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাকআত, মাধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান পরিচ্ছেদ নাই
আবুদ্ দারদা (রাঃ)
আমার প্রিয়তম বন্ধু (ﷺ) আমাকে তিনটি কাজ করতে আদেশ করেছেন। আমার জীবদ্দশায় তা কখনো পরিত্যাগ করব না। (তিনি আমাকে আদেশ করেছেন) প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করতে, যুহা বা চাশতের সালাত আদায় করতে আর বিতর সালাত আদায় করার আগে না ঘুমাতে।