৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৪৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৪৫১
যে সালাত আদায় করা সম্ভব হয়নি এবং তা করার (সম্পাদনের) ব্যাপারে তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবু ক্বাতাদাহ্ (রাঃ)
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সফররত অবস্থায় রাতে ঘুম থেকে জাগ্রত হলে তিনি ডান কাতে শুয়ে থাকতেন। আর ভোরের কাছাকাছি সময়ে জাগ্রত হলে তাঁর বাহু দাঁড় করিয়ে হাতের তালুতে ভর করে শুয়ে থাকতেন।
১৪৫২
যে সালাত আদায় করা সম্ভব হয়নি এবং তা করার (সম্পাদনের) ব্যাপারে তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কেউ কোন সালাত করতে ভুলে গেলে যখন স্মরণ হবে তখনই যেন তা আদায় করে নেয়। এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়া আর কোন কাফফারা তাকে দিতে হবে না। হাদীসের বর্ণনাকারী কাতাদা তার বর্ণনায় “আমার স্মরণের জন্য সালাত আদায় করো” - (সূরা ত্ব-হা ২০ : ১৪) এ আয়াতটি উল্লেখ করেছেন।
১৪৫৩
যে সালাত আদায় করা সম্ভব হয়নি এবং তা করার (সম্পাদনের) ব্যাপারে তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবু আওয়ানাহ্ , ক্বাতাদাহ্ , আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এর বর্ণনাতে “এর কাফফারা এ (স্মরণ হলেই আদায় করে নেয়া) ছাড়া আর কিছুই নয়”- কথাটি উল্লেখ করা হয়নি।
১৪৫৪
যে সালাত আদায় করা সম্ভব হয়নি এবং তা করার (সম্পাদনের) ব্যাপারে তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
কেউ কোন সালাত আদায় করতে ভুলে গেলে অথবা ঘুমিয়ে পড়লে তার কাফফারা হলো যখনই স্মরণ হবে তখনই তা আদায় করে নিবে। (ই. ফা. ১৪৩৮, ই. সে. ১৪৪৮) ১৪৫৫. নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কেউ ঘুম থেকে জাগতে না পারার কারণে সালাত আদায় করতে না পারলে অথবা সালাত আদায় করতে ভুলে গেলে যখনই স্মরণ হবে তখনই সালাত আদায় করবে। কেননা, মহান পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেনঃ ''আমার স্মরণের জন্য সালাত আদায় করো''- (সূরা ত্ব-হা ২০ : ১৪) (ই. ফা. ১৪৩৯, ই.সে. ১৪৪৯)
১৪৫৫
মুসাফিরদের সালাত এবং তার ক্বস্‌র (সংক্ষিপ্ত করা) পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
বাড়িতে কিংবা সফরে যে কোন অবস্থায় প্রথমে সালাত দু’ দু’ রাকাত করে ফরজ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সফরের সালাত দু’ রাকাত ঠিক রাখা হলেও বাড়িতে অবস্থানকালীন সালাতের রাকাত সংখ্যা বৃদ্ধি করে দেয়া হয়েছে।
১৪৫৬
মুসাফিরদের সালাত এবং তার ক্বস্‌র (সংক্ষিপ্ত করা) পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
সালাত ফরজ করার সময় আল্লাহ তা'আলা দুই রাকাত করে ফরজ করেছিলেন। তবে পরে বাড়িতে অবস্থানকালীন সালাতে বৃদ্ধি করে পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে এবং সফরকালীন সালাত পূর্বের মত দুই রাকাতই রাখা হয়েছে।
১৪৫৭
মুসাফিরদের সালাত এবং তার ক্বস্‌র (সংক্ষিপ্ত করা) পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
প্রথমে সালাত ফরজ হয়েছিল দুই রাকাত করে। পরবর্তীতে সফরকালীন সালাত দুই রাকাত ঠিক রাখা হয়েছে কিন্তু বাড়ীতে অবস্থানকালীন সালাত পূর্ণাঙ্গ (অর্থাৎ চার রাকাত) করা হয়েছে। বর্ণনাকারী যুহরী বলেছেন: আমি উরওয়াকে জিজ্ঞেস করলাম- তাহলে কী কারণে আয়িশা (রাঃ) সফরকালীন সালাত পুরো আদায় করতেন? জবাবে উরওয়া বললেন: আয়িশা উসমানের ব্যাখ্যার মতো এ হাদীসটির ব্যাখ্যা করেছেন।
১৪৫৮
মুসাফিরদের সালাত এবং তার ক্বস্‌র (সংক্ষিপ্ত করা) পরিচ্ছেদ নাই
ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ্‌ (রাঃ)
আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “কাফিররা তোমাদেরকে কষ্ট দিবে এ আশঙ্কা থাকলে সালাত কসর করে আদায় করতে তোমাদের কোন দোষ হবে না”-(সূরা আন নিসা ৪:১০১)। কিন্তু এখন তো লোকেরা নিরাপত্তা লাভ করেছেন। (সুতরাং এখন কসর সালাত আদায় করার প্রয়োজন কী?) এ কথা শুনে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেনঃ তুমি যে কারণে বিস্মিত হয়েছ আমিও ঠিক একই কারণে বিস্মিত হয়েছিলাম (অর্থাৎ আমিও কসর সালাত আদায়ের কোন যৌক্তিকতা খুঁজে পাচ্ছিলাম না)। তাই উক্ত বিষয়ে আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ এটি তোমাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সদাকাহ বা দান। সুতরাং তোমরা তাঁর দেয়া সদাকাহ গ্রহণ কর।
১৪৫৯
মুসাফিরদের সালাত এবং তার ক্বস্‌র (সংক্ষিপ্ত করা) পরিচ্ছেদ নাই
ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ্ (রহঃ)
আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে জিজ্ঞেস করলাম। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর তিনি আবদুল্লাহ ইবনু ইদরিস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
১৪৬০
মুসাফিরদের সালাত এবং তার ক্বস্‌র (সংক্ষিপ্ত করা) পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
“আল্লাহ তা’আলা তোমাদের নবীর (ﷺ) জবানীতে বাড়িতে অবস্থানকালীন সালাত চার রাকাত, সফরের সালাত দুই রাকাত এবং ভীতিকর অবস্থায় এক রাকাত ফরজ করেছেন।”