৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৪৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৪৩১
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
“বিরি মাউনা নামক স্থানে যে মু’মিনদেরকে হত্যা করা হয়েছিল, রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের হত্যাকারীদের জন্য ত্রিশ দিন পর্যন্ত ফজরের সালাতে বদ দোয়া করেছিলেন। আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, “বিরি মাউনা নামক স্থানে নিহতদের সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা আয়াত অবতীর্ণ করেছিলেন যা আমরা পাঠ করতাম। অবশেষে তা মানসূখ বা রহিত করে দেয়া হয়েছিল। আয়াতটি ছিল- অর্থাৎ“আমাদের কওমকে এ সংবাদ পৌঁছিয়ে দাও যে, আমরা আমাদের প্রভুর সাক্ষাৎ লাভ করেছি। তিনি আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। আর আমরাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছি।”
১৪৩২
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ (রহঃ)
আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি ফজরের সালাতে কুনূত পড়তেন? জবাবে তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, রুকুর পরে সংক্ষিপ্তভাবে পড়তেন।
১৪৩৩
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক মাস যাবৎ ফজরের সালাতে রুকু করার পর কুনুত পড়েছেন। এতে তিনি রি‘ল ও যাকওয়ান গোত্রদ্বয়ের জন্য বদ-দোয়া করতেন। আর উসাইয়্যা গোত্র সম্পর্কে বলতেন যে, উসাইয়্যা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হয়েছে।
১৪৩৪
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক মাস যাবৎ ফজরের সালাতে রুকু থেকে উঠার পর কুনূতে বনি উসাইয়া গোত্রের জন্য বদ-দোয়া করেছেন।
১৪৩৫
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আসিম (রহঃ)
আমি আনাস ইবন মালিক (রাঃ) কে কুনুত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, কুনুত রুকু করার পূর্বে পড়তে হবে না পরে? জবাবে তিনি বললেনঃ রুকু করার পূর্বে পড়তে হবে। এ কথা শুনে আমি আবার বললাম যে, কোন কোন লোক বলে থাকে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) রুকু করার পর কুনুত পড়তেন। আনাস (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) এক মাস কুনুত পাঠ করেছেন, তখন তিনি ঐ সব লোকদের জন্য বদ-দোয়া করতেন যারা তাঁর (ﷺ) সাহাবীদেরকে হত্যা করেছিল, যাদেরকে ‘কারী’ বলা হত।
১৪৩৬
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
বিড়ি মাউনা-র ঘটনায় ‘কারী’ বলে পরিচিত সত্তর জন সাহাবীকে হত্যার কারণে নবী (ﷺ) যতখানি বেদনাহত হয়েছিলেন এমনটি আর কোন সেনাদলের ক্ষেত্রে হতে দেখিনি। এ ঘটনার পর তিনি এক মাস পর্যন্ত (ঐসব সাহাবীর) হত্যাকারীদের জন্য বদ-দোয়া করেছিলেন।
১৪৩৭
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে উভয়েই কিছু অতিরিক্ত শাব্দিক তারতম্যসহ বর্ণনা করেছেন।
১৪৩৮
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
এক সময়ে নবী (ﷺ) রিল, যাকওয়ান ও উসাইয়্যা গোত্রসমূহকে লা‘নত করে এক মাস পর্যন্ত সালাতে কুনুত পড়েছেন। এরা সবাই আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাথে নাফরমানী করেছিল।
১৪৩৯
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ (অর্থবোধক) হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
১৪৪০
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরবের কিছু গোত্রের জন্য এক মাস যাবৎ বদ-দোয়া করেছিলেন। কিন্তু পরে তিনি তা পরিত্যাগ করেন।